হাবিপ্রবিতে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন


Published: 2021-03-26 16:51:29 BdST, Updated: 2021-05-15 19:43:13 BdST

হাবিপ্রবি লাইভ: যথাযোগ্য মর্যাদা ও দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে স্বাস্থ্য বিধি মেনে দিনাজপুর হাজী মাহাম্মদ দানশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ মার্চ)সকাল ৯ টায় ভিসি(রুটিন দায়িত্ব) প্রফসর ড. বিধান চদ্র হালদারের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীদের নিয়ে স্বাধীনতা দিবসের র‍্যালি প্রশাসনিক ভবন থেকে শুরু হয়ে পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। সকাল সাড়ে ৯ টায় ভিসি (রুটিন দায়িত্ব) প্রফসর ড. বিধান চদ্র হালদার শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন।

এরপর ক্রমান্নয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারি ও হাবিপ্রবি’র শিক্ষার্থীরা। এছাড়াও সাংবাদিক সমিতিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠন পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে ভিসির ২৬ মার্চের বাণী পাঠ ও বিতরণ করা হয়।

স্বাধীনতা র‍্যালি

 

ভিসি (রুটিন দায়িত্ব) প্রফসর ড. বিধান চদ্র হালদার তার বাণীতে বলেন, 'মহান স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও মুজিব জন্মশতবার্ষিকীতে আমি প্রথমেই গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি স্বাধীনতার মহান স্থপতি, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। যার অবিসংবাদিত নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত ও পরিচালিত হয়েছিল। আজকের এই গৌরবময় দিনে বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই ৩০ লক্ষ শহীদ ও ২ লক্ষ সম্ভ্রম হারা মা-বোনের প্রতি। কৃতজ্ঞতা জানাই পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধাসহ জীবিত সকল মুক্তিযাদ্ধাদের প্রতি। যাদের অশেষ ত্যাগের বিনিময়ে আমরা এই স্বাধীনতা পেয়েছি'।

তিনি আরও বলন, 'মুক্তিযুদ্ধর মূল চেতনা ছিল একটি গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়া। যার মর্মকথা ছিল অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক সব ধরণের অবিচার ও বৈষম্য থেকে মানুষের মুক্তি। সে লক্ষ্য অর্জনে বর্তমানে জাতির জনকের সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা অদম্য গতিতে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উপনীত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট, পদ্মা সেতু, পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, বঙ্গবন্ধু ট্যানেল, গভীর সমুদ্র বন্দরসহ মেগা প্রকল্পগুলা বাস্তবায়িত হয়েছে এবং হচ্ছে। গ্রামের সাধারণ মানুষ আধুনিক সুযাগ-সুবিধা পেতে শুরু করেছে। শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন প্রভৃতি প্রতিটি ক্ষেত্রে আমাদের অগ্রগতি বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হচ্ছে। আমি এসকল সাফল্যের জন্য বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি'।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২১ উপলক্ষে ভিসি একটি দেয়ালিকা উন্মোচন এবং শিশুদর চিত্রাংকন প্রতিযাগিতার উদ্বোধন করেন।

এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে শিশুদের চিত্রাংকন প্রতিযাগিতা অনুষ্ঠিত হয় এবং বাদ জুমা শহীদদের বিদেহী আত্নার মাগফেরাত কামনা করে কেন্দ্রীয় মসজিদে মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাতের আয়াজন করা হয়। এছাড়াও মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ণিল আলাকসজ্জার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ঢাকা, ২৬ মার্চ (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এএস//এমজেড

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।