Azhar Mahmud Azhar Mahmud
teletalk.com.bd
thecitybank.com
livecampus24@gmail.com ঢাকা | শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১২ই ফাল্গুন ১৪৩০
teletalk.com.bd
thecitybank.com
রাবি ছাত্রলীগ নেতার হুমকি...

'যদি তুলে নিয়ে র‍্যাগ দেই, তোর কোনো বাপই বাঁচাতে পারবে না'

প্রকাশিত: ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৯:৫৩

অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা শিশির আহমেদ শিহাব

রাবি লাইভ: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সিনিয়রকে চিনতে না পারায় মাহির শাহরিয়ার নামের সদ্য ভর্তি হওয়া এক ছাত্রকে র‌্যাগিংয়ের অভিযোগ উঠেছে। র‍্যাগিংয়ের প্রতিকার ও নিজের নিরাপত্তা চেয়ে মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী ওই ছাত্র।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ভুক্তভোগী মাহির লোক প্রশাসন বিভাগে প্রথম বর্ষের ছাত্র। অভিযুক্ত শিশির আহমেদ শিহাব একই বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুশফিক আহমেদ তন্ময়ের অনুসারী বলে জানা গেছে।

লিখিত অভিযোগে মাহির উল্লেখ করেন, ‘রোববার সন্ধ্যায় ক্যাম্পাসের শহীদ মিনারের সামনে দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় বড় ভাই শিশির আহমেদ শিহাব ও তার সঙ্গে থাকা তিনজনের হাতে র‍্যাগিংয়ের শিকার হই। শিহাব ভাই আমাকে শহীদ মিনারের মাঠে ডেকে নিয়ে যান। তিনি আমাকে প্রশ্ন করেন, তুই আমাদের চিনিস? হঠাৎ এমন প্রশ্ন শুনে আমি ঘাবড়ে যাই এবং তাদের চিনি না বলে জানাই। তখন তিনি আমার বিভাগের সিনিয়র বড় ভাই বলেই গালে কয়েকটি থাপ্পড় বসিয়ে দেন। আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন।’

‘আমার বাসা রাজশাহী ও বাবা রাবিতে চাকরি করেন শুনেই আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং স্থানীয় লোক ও রাবির শিক্ষক- কর্মকর্তাদের গালাগালি করতে থাকেন। এ সময় তিনি বলেন, এখন যদি তোকে হলে তুলে নিয়ে গিয়ে র‍্যাগ দেই, তোর কোনো বাপই বাঁচাতে পারবে না। পরবর্তীতে আমার মোবাইলে কল ও মেসেজ দিয়ে বিভিন্নভাবে হুমকি দিতে থাকেন। এ অবস্থায় আমি ঠিকভাবে ক্লাস করতে পারছি না, আতঙ্কগ্রস্ত অবস্থায় আছি।’

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত শিশিরের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলেও রিসিভ করেননি।

লোক প্রশাসন বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. নূরুল মোমেন বলেন, ‘ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী এ বিষয়ে আমাকে এখনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তবে আমি শুনেছি। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে র‍্যাগিং দেওয়া নিয়ে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। তবু কোনো শিক্ষার্থী সেই কাজের সঙ্গে জড়িত থাকলে আমরা বিভাগ থেকে অবশ্যই প্রশাসনের কাছে শাস্তির জন্য সুপারিশ করবো। লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর বিভাগের সব শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নেবো।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. আসাবুল হক ক্যাম্পাসলাইভকে বলেন, এ ধরনের ঘটনা আমি শুনেছি। তবে এখনো কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নিব।'

ঢাকা, ৩১ জানুয়ারি (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমএফ//এমজেড


আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর


আজকের সর্বশেষ