Azhar Mahmud Azhar Mahmud
teletalk.com.bd
thecitybank.com
livecampus24@gmail.com ঢাকা | রবিবার, ১৯শে মে ২০২৪, ৫ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
teletalk.com.bd
thecitybank.com

ব্যক্তিগত বিদ্বেষে হলের আবাসিক সিট বাতিল!

প্রকাশিত: ২০ এপ্রিল ২০২২, ০৮:১৮

রাবি শিক্ষার্থী রোকন

রাবি লাইভ : ব্যক্তিগত বিদ্বেষে হলের আবাসিক সিট বাতিল করা হয়েছে এমন অভিযোগ উঠেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মতিহার হলের প্রভোস্ট প্রফেসর মোসতাক আহমেদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ তুলেছেন দর্শন বিভাগের রোকন উদ্দিন কাইকাউস নামে এক শিক্ষার্থী।

লিখিত বক্তব্যে রোকন বলেন, জানুয়ারী মাসের প্রথম দিকে আমি প্রাধ্যক্ষ বরাবর দরখাস্ত করি। তখন অফিসের স্টাফরা বলেন আমাকে ফোন দিয়ে জানাবে। পরবর্তীতে খোজ নিলে অফিসের স্টাফরা বলেন, দরখাস্ত দেননি। তারা দরখাস্তটি হারিয়ে ফেলেন। পরবর্তীতে আমি আবার দরখাস্ত করি এবং প্রোভস্ট স্যারের সাথে দেখা করি এবং আমি আমার পরিচয় দিই যে আমি খেতাবপ্রাপ্ত যুদ্ধাহত বীরমুক্তিযোদ্ধা বীরবিক্রম আব্দুল খালেক এর নাতী। তিনি চিনেন সে কথা বলেন এবং তখন আমাকে গত দুই মার্চ আবাসিকতার কার্ড করে দেয় রুম নম্বর সহ উল্লেখ করে। আবাসিকতার কার্ডের নম্বর ১৯০০৭১২১৮, রুম নং ১৪৬ , তৃতীয় ব্লক।

এসময় তিনি আরো জানান, ঐ রুমে গিয়ে দেখি মাস্টার্সের দুই ভাই সেখানে সিট নিয়ে আছে। অফিসে যোগাযোগ করলে বলে ১ মাস পর ওরা চলে যাবে, তখন উঠতে পারবে। আমি এক মাস পর যেগাযোগ করলে জানতে পারি ১৪৬ নম্বর রুমে আমার পরের বর্ষের অর্থ্যাৎ ২০১৯-২০২০ সেশন এবং ২০২০-২০২১ সেশনের দুই ছেলে উঠে আছি। আমি প্রোভস্ট স্যারের কাছে দেখা করলে আশ্বস্থ করে ১ সপ্তাহ এর মধ্যে অন্য রুমে তুলে দিবে। এক সপ্তাহ পরে যোগাযোগ করলে প্রোভস্ট স্যার সরাসরি নাকোচ করে দেয়। অফিস থেকে আমাকে জানানো হয় যে আমি যেন আমার আবাসিকতার কার্ড ফেরত দিয়ে ভর্তির টাকা ফেরত নিই।

স্যারের সাথে কথা বলে বোঝা যায় স্যারের মুক্তিযোদ্ধার প্রতি ক্ষোভ ।আমার দাদার পরিচয় দেওয়ায় তিনি ইচ্ছাকৃত ভাবে বিদ্বেষ পোষন করে সীট বাতিল করে ।যা খুবই হতাশা জনক আমার জন্য ।তাছাড়া। এই সীট বাতিল নিয়ম বহির্ভূত এবং পক্ষপাতমূলক ।

অভিযোগের বিষয়ে মতিহার হলের প্রভোস্ট মোসতাক আহমেদ ক্যাম্পাসলাইভকে বলেন, 'রোকন নামের ওই শিক্ষার্থীকে বিশেষ বিবেচনায় আবাসিক সিট দেয়া হয়েছিল। তাকে বলেছিলাম নতুন ব্লক চালু হলে সেখানে তাকে উঠিয়ে দিব। যার জন্য আমি একসপ্তাহ সময় চেয়েছিলাম। কিন্তু ছেলের বাবা আমাকে ঠিক এক সপ্তাহ পরে ফোন করে এবং জানতে চায় আমি কেনও তাকে সীট দিচ্ছি না। এরপর আমার সাথে অশোভন আচরণ করেন যা অপমানিত বোধ করি। যার জন্য আমি প্রাথমিকভাবে তার আবাসিকতা বাতিল করি।'

তিনি বলেন, 'কেনও আবাসিকতা বাতিল করা হয়েছে সেটা ভিসি কাছে অফিসিয়ালি বিষয়টা জানিয়ে দিয়েছি।'

অশোভন মন্তব্য বিষয়ে জানতে চাইলে রোকনের বাবা ক্যাম্পাসলাইভকে বলেন, 'আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরী করি অনেকদিন কেওমকখনও বলতে পারবে না যে আমি কাওকে খারাপ ভাষায় কথা বলেছি। আমি আমার ছেলের জন্য সিটের বিষয়ে স্যারকে ফোন দিয়েছিলাম। জানতে চেয়েছিলাম কেনও আমার ছেলেকে হলে উঠানো হচ্ছেনা। তিনি প্রভোস্ট আমাকে বললেন এ বিষয়ে আপনার সাথে কথা বলতে চাচ্ছি না। এরপর আর কথা হয়নি। এখানে খারাপ মন্তব্য কোথা থেকে আসলো। আমি স্যারকে শুধু সিটের বিষয়ে অনুরোধ করেছিলাম।'

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড গোলাম সাব্বির সাত্তার ক্যাম্পাসলাইভকে বলেন, 'আমি এ বিষয়টা অবগত নই। তবে আমি বিষয়টা দেখব।'

ঢাকা, ১৯ এপ্রিল (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমআই


আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর


আজকের সর্বশেষ