teletalk.com.bd
thecitybank.com
livecampus24@gmail.com ঢাকা | শনিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২২, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯
teletalk.com.bd
thecitybank.com
পুলিশসহ ৮ জন আহত...

নড়াইলে ডিসির সম্মেলন কক্ষে মারামারি, ভাঙচুর

Md Akramuzzaman | প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১৭:১০

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১৭:১০

সম্মেলন কক্ষে মারামারি, ভাঙচুর

নড়াইল লাইভ: নড়াইলে জেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দ চলছিল এমন সময় দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পুলিশসহ অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, নড়াইল জেলা প্রশাসকের হলরুমে প্রতিক বরাদ্দ চলছিল। প্রথমে সংরক্ষিত মহিলা ও পুরুষ ওয়ার্ডের সদস্যদের প্রতীক বরাদ্দ শুরু হয়। এ সময় ২ নম্বর ওয়ার্ডের প্রতীক বরাদ্দ শুরু হলে ওবায়দুর রহমান ও খোকন কুমার সাহা দুজনই তালা প্রতীক চান। পরে নির্বাচনি বিধান অনুযায়ী দুজন একই প্রতীক চাইলে লটারির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত হয়। পরে লটারির শুরুর আগে খোকন কুমার সাহা বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে ওবায়দুর রহমানকে ঘুসি মারেন। এ সময় উভয়েপক্ষের মধ্যে মারামারি শুরু হয়। একই সঙ্গে তারা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে চেয়ার ভাঙচুর করেন।

এদিকে অন্যপ্রান্তে থাকা আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী অ্যাডভোকেট সুবাস বোসের লোকজন বিদ্রোহী প্রার্থী সৈয়দ ফয়জুল আমীর লিটু সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় পুলিশসহ আটজন আহত হন।
সম্মেলন কক্ষে মারামারি

বিদ্রোহী প্রার্থী সৈয়দ ফয়জুল আমীর লিটু জানান, আমার অনুপস্থিতিতে আমার প্রতীক আনতে যান আমার প্রস্তাবকারী, সমর্থনকারীসহ আমার পক্ষের লোকজন। জেলার সর্বোচ্চ নিরাপত্তাস্থল জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আমার লোকজনকে মারপিট করেছে। এতে ৮জন আহত হয়েছে।

অপরদিকে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট সুবাস বোস বলেন, আমি আনারস প্রতীক চেয়েছি। অপরদিকে সৈয়দ ফয়জুল আমীর লিটুও আনারস প্রতীকের দাবি জানান। তখন লিটুর লোকজন বলে ওঠে আমরা যদি আনারস না পাই তাহলে কেন এসেছি। এ কথা শোনার পরে আমার লোকজনের সঙ্গে সামান্য হাতাহাতি ধাক্কাধাক্কি হয়।

এ বিষয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন জানান, কিছু সময়ের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রতীক বরাদ্দের কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সকলের সম্মতিতে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় প্রাথমিকভাবে সদস্য প্রার্থী ওবায়দুর রহমান ও খোকন কুমার সাহাকে শোকজ করা হবে। বিদ্রোহী প্রার্থীর লোকজনের ওপর হামলা ও সম্মেলন কক্ষের চেয়ার ভাঙচুরের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। সেই সাথে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ঢাকা, ২৬ সেপ্টেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমজেড


আপনার মূল্যবান মতামত দিন: