শেষ নাটকীয়তার পরেও হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ


Published: 2021-11-22 18:46:46 BdST, Updated: 2022-01-17 10:20:32 BdST

স্পোর্টস লাইভ: হোয়াইটওয়াশ থেকে বাঁচার শেষ একটি সুযোগ ছিল আজ। শেষ ম্যাচের শেষ ওভারের নাটকীয়তার পরেও জয়ের স্বাদ নিতে ব্যর্থ বাংলাদেশ। দেশের মাটিতে এই প্রথম ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টিতে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার তিক্ত স্বাদ পেল মাহমুদউল্লাহর দল।

২০তম ওভারে পাকিস্তানের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিলো ৮ রান। শেষ ওভারে প্রথম তিন বলে দুই উইকেট তুলে নেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। কিন্তু চতুর্থ বলেই ইফতিখার ছক্কা হাকালে আবারও ম্যাচে ফিরে পাকিস্তান। পঞ্চম বলে ইফতিখারকে ফিরিয়ে আবারো খেলা জমিয়ে তোলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

কিন্তু শেষ রক্ষা করতে পারলেন না তিনি। শেষ বলে পাকিস্তানের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিলো দুই রান। ওই বলে চার মেরে পাকিস্তানের জয় নিশ্চিত করেন মোহাম্মদ নেওয়াজ। পাঁচ উইকেটে ম্যাচ হারে বাংলাদেশ।

শেষ টি-টোয়েন্টি জিততে সতর্ক শুরু করেছিলো পাকিস্তান। ১২৫ রানের লক্ষ্যে দুই ওপেনার ৩২ রান যোগ করেছিলেন। সপ্তম ওভারে মেরে খেলতে গিয়ে তালুবন্দী হয়েছেন অধিনায়ক বাবর আজম। রিজওয়ানের বিদায়ে ভেঙেছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জুটি। তার পরেও জয়ের পথেই আছে পাকিস্তান। তাদের সংগ্রহ ১৭ ওভারে ২ উইকেটে ১০৬ রান। ক্রিজে ছিলেন সরফরাজ আহমেদ (২) ও হায়দার আলী (৩৯)।

লক্ষ্যে খেলতে নামা পাকিস্তান এতই সতর্ক ছিল যে পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশের চেয়েও কম রান তুলতে পেরেছে- ২৮ রান। পাওয়ার প্লের ওভারে তাসকিন আহমেদ অবশ্য চোট নিয়ে বাইরে বের হয়ে গেছেন। তার ওভার পূরণ করেন অভিষিক্ত শহীদুল। পরের ওভারে আমিনুল ইসলামের লেগ স্পিনেই বিপদ ডেকে আনেন বাবর। ক্যাচ তুলে দেন নাঈমের হাতে। ২৫ বলে বাবর করেন ১৯ রান। তাতে ছিলো ২টি চার।

এরপর পাকিস্তানের ইনিংস সামলেছেন রিজওয়ান-হায়দার আলী। ৫১ রানের জুটি গড়লেও সেটি ছিল ধীর গতির। রানের চাপ বেড়ে যাওয়ার মুহূর্তেই জুটি ভেঙে চাপ সৃষ্টির মুহূর্ত এনে দিয়েছিলেন অভিষিক্ত শহীদুল। তার বলে ইনসাইড এজ হয়ে বোল্ড হন রিজওয়ান। ফেরার আগে ৪৩ বলে ৪০ রান করেন তিনি। অথচ এই চাপ সৃষ্টির ওভারেই দুটি ছয় মেরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিতে সক্ষম হয় সফরকারীরা।

দুই ম্যাচ হেরে যাওয়ায় টি-টোয়েন্টি সিরিজে হোয়াইটওয়াশের সামনে এখন বাংলাদেশ। পাকিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে ৭ উইকেটে ১২৪ রান করেছে স্বাগতিকরা।

শুরুতে ব্যাটিংয়ে নামলে পাওয়ার প্লের সুযোগ কাজে না লাগিয়ে শ্লথ গতিতে খেলতে দেখা গেছে তাদের। নাঈম একপ্রান্ত আগলে খেলেছেন কিন্তু পরিস্থিতির চাহিদা মেটাতে ব্যর্থ ছিলেন। মাঝে শামীম-আফিফ পরিস্থিতির চাহিদা মেটাতে চেষ্টা করেছেন। কিন্তু ইনিংস লম্বা করতে পারেননি। তবে নাঈমের ব্যাট থেকেই এসেছে সর্বোচ্চ ৪৭ রান। খেলেছেন ৫০টি বল। শামীম ২৩ বলে ২২ ও আফিফ ২১ বলে ২০ রান করেছেন।

পাকিস্তানের হয়ে ১৫ রানে দুটি উইকেট নেন পেসার মোহাম্মদ ওয়াসিম। ৩৫ রানে দুটি নেন লেগ স্পিনার কাদিরও। একটি করে উইকেট নেন শাহনেওয়াজ দাহানি ও হারিস রউফ।

ঢাকা, ২২ নভেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমজেড

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।