Azhar Mahmud Azhar Mahmud
teletalk.com.bd
thecitybank.com
livecampus24@gmail.com ঢাকা | রবিবার, ১৯শে মে ২০২৪, ৫ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
teletalk.com.bd
thecitybank.com

সেমিস্টার নাকি ইয়ার ফাইনাল! কী চায় নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা?

প্রকাশিত: ১ মে ২০২৩, ০৩:৩৬

কী চায় নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা?

যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম, গবেষণা পরিচালনা ও তত্ত্বাবধান, পরীক্ষা গ্রহণ, মূল্যায়ন পদ্ধতি এবং পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ তথা ডিগ্রি/ডিপ্লোমা প্রদানের লক্ষ্যে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি প্রণীত বিধান রয়েছে, যেটাকে একাডেমিক অর্ডিন্যান্স বা একাডেমিক রুলস বলা হয়ে থাকে। এটি প্রণয়নের সময় পরীক্ষা পদ্ধতি সংক্রান্ত উপযুক্ত ধারাসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ধারা-উপধারার দিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখা হয়। ১৯৭৩ সালের অধ্যাদেশ দ্বারা পরিচালিত দেশের পুরাতন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অনেক আগে প্রতিষ্ঠিত বিভাগগুলোতে এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজগুলোতে এখনও সনাতন নিয়মে বার্ষিক ভিত্তিতে পরীক্ষা নেয়া হয়। অন্য প্রায় সব ক্ষেত্রেই বর্তমানে ছয় মাসের সেমিস্টার পদ্ধতি চালু আছে।

প্রতিটি বিভাগে সিলেবাস প্রণয়নের জন্য পাঠ্যক্রম কমিটি গঠন ও কার্যপদ্ধতি অর্ডিন্যান্সে বলা থাকে। একটি পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে যত রকম কোর্স থাকবে এবং সেগুলোর নম্বরের বিভাজন ও মূল্যায়ন পদ্ধতি বিস্তারিতভাবে বলা থাকে। চার বছর মেয়াদি স্নাতক প্রোগ্রামের প্রতিটি শিক্ষাবর্ষ ছয় মাসের দুটি সেমিস্টার নিয়ে গঠিত। সেমিস্টারের একাডেমিক ক্যালেন্ডার তৈরির জন্য অর্ডিন্যান্সে নির্দেশনা দেয়া থাকে। প্রতি ছয় মাসের এক সেমিস্টারে ক্লাস হয় ১৪ সপ্তাহ, পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক ছুটি ২ সপ্তাহ, সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা চলে ২ থেকে ৩ সপ্তাহ এবং পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের জন্য ৪ সপ্তাহ বরাদ্দ থাকে। মোট ২৩ সপ্তাহ, দুই সেমিস্টারের জন্য ৪৬ সপ্তাহ। তবে এই পদ্ধতিতে সফলতা থাকলেও রয়েছে বিভাগ ভেদে জটিলতা। ফলে কিছু কিছু বিভাগের শিক্ষার্থীদের মাঝে দেখা দিচ্ছে হতাশা, ক্ষোভ ও মানসিক স্বাস্থ্যহীনতা। যার ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে মেধা বিকাশ, উচ্চতর গবেষণা ক্ষেত্র ও ডিগ্রি অর্জনে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিস্টার পদ্ধতি নিয়ে শিক্ষার্থীদের উপলব্ধি, তাদের প্রত্যাশা, বাস্তবতা, অভিজ্ঞতা ও ভাবনা তুলে ধরেছেন ময়মনসিংহের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটম-এর প্রতিনিধি এস এম মোজতাহীদ প্লাবন

আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে সেমিস্টার পদ্ধতির বিকল্প নাই। তবে এই সেমিস্টার পদ্ধতি যেমন হওয়া উচিত তেমনটা আমরা এই দেশে পায় না। এই কারণে আমাদের অনেক ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। অল্প সময়ের মাঝে আমাদের অনেক বড় সিলেবাস শেষ করা লাগে।যার ফলে আমরা আসল শিক্ষাটা নিতে পারি না, কোনো কিছু নিয়ে বিস্তর আলোচনা ও করতে পারেন না শিক্ষকরা,যার ফলে আমরা নতুন কিছু নিয়ে অধিক জ্ঞান অর্জন করতে পারি না। মূলত আমাদের শুধু ভালো রেজাল্টের জন্যই পড়া লাগে,শিখার জন্য না।

আমি যদি আমার ব্যবসা প্রসাশন অনুষদের কথায় বলি, একজন বিবিএ শিক্ষার্থী হিসাবে সমসময়ে নিজেকে আপডেট রাখতে হয়(যেমন তাদের প্রেজেন্টেশন, অর্গানাইজিং, লিডিংএ বিভিন্ন স্কিল দরকার হয়,যেটা তাদের ডাইনামিক/গতিশীল করে তোলো। সেমিস্টার সিস্টেম ডাইনামিক হওয়ার কারণে এক্ষেত্রে আমরা তার সুফলটা পাচ্ছি। ইয়ারলি পদ্ধতিতে পরীক্ষা হলে দীর্ঘ একটি সময়, এমনকি পরীক্ষাগুলা অনেক দীর্ঘ সময় নিয়ে হয় যার কারণে অনেক সময় দেখা যায় যে রাজনৈতিক বা বিভিন্ন ইস্যুর কারণে পরীক্ষা গুলা ঠিক সময় হয় না, পিছাতে থাকে। দেখা যায় যে, দেরিতে পরীক্ষা নেওয়ার কারণে অনেক শিক্ষার্থী চাকরির বয়স শেষ হয়ে যায়।
মনিরুল ইসলাম

তবে সেমিস্টার সিস্টেমে সফল হতে গেলে সেমিস্টার শুরুর সাথে সাথেই সম্পূর্ণ সেমিস্টারের কর্মপরিকল্পনা এবং তার প্রয়োগ নিশ্চিত করা না গেলে সম্পূর্ণ সেমিস্টার সিস্টেমই ব্যর্থ হয়ে যায়। সেমিস্টারে যেহেতু সময় কম থাকে সেহেতু সঠিক পরিকল্পনা করা না থাকলে উপকার থেকে বেশি হয় বিশৃঙ্খলা। সর্বোপরি কাঙ্ক্ষিত কার্যকর ফলাফল পেতে হলে কাজের শুরু থেকে একটি পূর্ণাঙ্গ কর্মপরিকল্পনার বিকল্প নেই।

মনিরুল ইসলাম
মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগ
২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষ।

আমাকে যদি জিজ্ঞেস করা হয় ভার্সিটিতে এক্সাম এর ক্ষেত্রে ইয়ার ফাইনাল বেটার নাকি সেমিস্টার ফাইনাল।আমি সেমিস্টার ফাইনাল ই বেছে নিব। একজন বিবিএ শিক্ষার্থী হিসেবে প্রতি সেমিস্টার এ ৫ টা কোর্স সম্পন্ন করে সেটার ওপর সেমিস্টার ফাইনাল দেওয়া হয় তারপর পরবর্তী সেমিস্টার এ আরো নতুন ৫ টি কোর্স সম্পন্ন করে একই প্রসেসে এক্সাম দিতে হয়। এতে করে প্রতি সেমিস্টারের চাপ ওই সেমিস্টারেই শেষ হয়।ইয়ার ফাইনাল এর ক্ষেত্রে সেটা শিক্ষার্থীদের জন্য একটু চাপের কারন ২ টা সেমিস্টারের টোটাল ১০ টা কোর্স এর এক্সাম তখন একসাথে দিতে হবে।
মরিয়ম আক্তার তানিয়া

বছর শেষে দেখা যাবে একটা ইয়ারে প্রথম সেমিস্টার দ্বিতীয় সেমিস্টার শেষ হওয়ার প্রায় ৫/৬ মাস আগে শেষ হয়েছে। এতে করে যে গ্যাপ টা তৈরি হচ্ছে প্রথম সেমিস্টারের পড়াটা তেমন একটা মাথায় থাকছে না এবং সেটা আমাদের আবার দ্বিতীয় সেমিস্টারের সাথে আবার পড়তে হচ্ছে তারপর এক্সাম দিতে হচ্ছে।এতে করে এক্সাম এবং রেজাল্ট দুটোই খারাপ হচ্ছে পাশাপাশি মনে হচ্ছে পড়াশোনার চাপ টাও বেড়ে যাবে।আর যদি সেমিস্টার শেষ হওয়ার সাথে সাথে এক্সাম টাও শেষ হয়ে গেলে সেটা নিয়ে তেমন টেনশন করতে হচ্ছে না। সেক্ষেত্রে আমি চাইব সেমিস্টার ফাইনাল ই থাকুক।

মরিয়ম আক্তার তানিয়া
হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট
২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষ।

বিশ্ববিদ্যালয় এর পড়াশুনা হবে গবেষণামুখী,বিশ্লেষণাত্মক।সেমিস্টার সিস্টেম এ ৬ মাসে ১০ টা মিড,৫ টা এসাইনমেন্ট প্রেজেন্টেশন,আবার সেমিস্টার ফাইনাল দিতে হয়।এতো কিছুর মাঝে আবার বিভিন্ন প্রোগ্রাম, ছুটি,সহ-শিক্ষা কার্যক্রম,রাজনীতি আরও নানান বিষয় চলে আসে।এই অল্প সময়ে এতো কিছুর ফলে শিক্ষার আসল উদ্দেশ্যটাই বিফলে যায়।
মেহেদী হাসান অনিক

সেমিস্টার এর ক্ষেত্রে আরেকটি সমস্যা হলো সিলেবাস গুছানো না বা উপযোগী না।যেমন দেখা যায় এমন এমন কোর্স ৬ মাসের মধ্যে শেষ করা হয় যেগুলো অনেক গভীর বিষয় সময়সাপেক্ষ।এছাড়া সময়মত পরীক্ষা নেয়ার জন্য কম পরিয়ে কোর্স শেষ করা হয়। বার্ষিক পরীক্ষা হলে সময় নিয়ে এসব গুছিয়ে করা যায় যা শিক্ষার্থী,শিক্ষক,প্রশাসন সবার জন্যই সুবিধাজনক।

মেহেদী হাসান অনিক
আইন ও বিচার বিভাগ
২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষ।

সেমিস্টার নাকি ইয়ার ফাইনাল এ দুটি বিষয়ের মধ্যে সেমিস্টারকে বেশি প্রায়োরিটি দিতে চাই।ইয়ার ফাইনালে একসাথে সবগুলো কোর্সের উপরে পরীক্ষা নিলে শিক্ষার্থীদের উপরে বেশি চাপ পড়ে যায়।অপর দিকে সেমিস্টার নিলে সহজেই শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে পারে, বাড়তি কোনো কোর্সের চাপ থাকে না,যেটা সেমিস্টার ফাইনালে দেখা যায়।উদাহরণস্বরূপ, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের বিভিন্ন বিভাগে চার থেকে পাঁচটি কোর্স থাকে।
সুমাইয়া শারমীন শিমু

সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষাতে একসাথে দশটি কোর্সের পরীক্ষা দিতে হবে, যা শিক্ষার্থীদের উপরে বাড়তি চাপ পড়ে।অপরদিকে, সেমিস্টার পরীক্ষাতে প্রথম পাঁচটি কোর্স ও পরে সেমিস্টার ফাইনালে পাঁচটি কোর্স এভাবে দশটি কোর্সের পরীক্ষা শিক্ষার্থীরা সহজেই দিতে পারে, এখানে বাড়তি কোনো চাপ থাকে না। একসাথে সবগুলো কোর্সের পরীক্ষা দিতে গেলে অনেক সময় শিক্ষার্থীদের উপরে বেশি চাপ পড়ে।এতে অনেকে অসুস্থতাসহ নানা সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকে। অতিরিক্ত চাপের ফলে অনেক সময় অনেক শিক্ষার্থী শারীরিক ও মানসিক ভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই সেমিস্টার পরীক্ষাটিকে বেশি প্রায়োরিটি দিতে চাই।

সুমাইয়া শারমীন শিমু
লোকপ্রশাসন ও সরকার পরিচালনা বিদ্যা বিভাগ
২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষ।

আমি আমার ব্যক্তিগত মতামত থেকে মনে করি সেমিস্টার আর ইয়ার ফাইনাল এর মধ্যে ইয়ার ফাইনাল স্টুডেন্ট এবং শিক্ষকদের জন্য সুবিধাজনক। সেমিস্টার সিস্টেমে পরীক্ষা হলে দেখা গেছে সারা বছর শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার চাপের উপর থাকা লাগে। আজকে এক মিড উইক শেষ হলে পরশু কালকে থেকেই আবার পরের মিড উইক কিংবা সেমিস্টার ফাইনালের চিন্তা মাথায় ঢুকে যায়। যার ফলে আমাদের মস্তিষ্ক পড়ালেখার বাইরে অন্যকিছু নিয়ে চিন্তা ভাবনার সময় পায় না, সুস্থ ভাবে বিকশিত হচ্ছে না।
মো: রায়হান

কিন্তু ইয়ার ফাইনালে তথাকথিত কম পরীক্ষার চাপ, এবং পরীক্ষার আগে অনেক সময় পাওয়া সবকিছু মিলিয়ে শিক্ষার্থীরা একটু সুস্থির নিশ্বাস ফেলতে পারে। অন্যান্য ক্ষেত্রগুলোতে সময় দিতে পারে। আবার সেমিস্টার সিস্টেমে পরীক্ষা হওয়ায় কয়েকদিন পর পর পরীক্ষা হওয়ার কারণে অনেক সময় পরীক্ষার রেজাল্ট যথাসময়ে তৈরি হয় না। যার কারণে শিক্ষার্থীদের সেশন জট নামক এক ভয়ংকর দুশ্চিন্তার কবলে পড়া লাগে। সব দিক চিন্তা করলে, আমি ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি সেমিস্টার সিটেমের তুলনায় ইয়ার ফাইনাল শিক্ষার্থীদের জন্য লাভজনক, শিক্ষকদের জন্য সুবিধাজনক।

মো: রায়হান
অর্থনীতি বিভাগ
২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষ।

সাধারণত বাংলাদেশের বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সেমিস্টার পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হয় কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া। তবে এ পদ্ধতির কিছু জটিলতা রয়েছে যার ভোগান্তিতে পড়তে হয় শিক্ষার্থীদের। প্রথমত,বছরে দুইটি সেমিস্টার হলে একটি সেমিস্টার শেষ হওয়ার পর পরবর্তী সেমিস্টার এর কোর্স বন্টন,রুটিন সব কিছু বিন্যাস করতে কিছুদিন সময় চলে যায়,আবার শিক্ষার্থীরা অবকাশ চায় কিছুদিন যার ফলে বেশ কিছুদিন দেরি হয়ে যায় পরবর্তী সেমিস্টার এর ক্লাস শুরু করতে। দ্বিতীয়ত,ফলাফল প্রকাশে বিল্বম্বনা দেখা দেয়।কেননা,একটি সেমিস্টার এর ফলাফল প্রকাশ করতে পরীক্ষার খাতা বহিঃমূল্যায়ন হয়ে আসতে প্রায় ১.৫-২ মাস সময় চলে যায়। ফলে দেখা যায় ফলাফল প্রকাশ করতে ৩-৪ মাস সময় চলে যায়।।এতে করে সেশন জোটের মুখে পড়তে হয় শিক্ষার্থীদের। এভাবে বাস্তব অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে এক সেমিস্টারের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ না করেই পরবর্তী সেমিস্টারের ক্লাস শুরু করতে হয়।
মোসা: আতিয় ইবনাত

এতে করে একজন শিক্ষার্থী নতুন সেমিস্টারে ক্লাস শুরুর ৩-৪মাস পর ফলাফল প্রকাশিত হলে জানতে পারে যে সে পূর্ববর্তী সেমিস্টারে ফেল করেছে। কিন্তু যদি ইয়ার সিস্টেম হতো তাহলে ১ বছরে ৯-১০ মাসের মধ্যে একটা ইয়ার শেষ করা যাবে। একবার ফলাফল প্রকাশ করতে হবে। এতে করে কম সময় লাগবে লাগে বলে আমি মনে করি। ইয়ার সিস্টেমের সুবিধা যেমন আছে অসুবিধাও আছে ইয়ার সিস্টেমে যেহেতু একটা পরিক্ষা হয় আর সেটা একবার খারাপ হলে তা খুব খারাপ ইফেক্ট ফেলে বাকি রেজাল্টগুলোতে৷ তবে আমি মনে করি যে পদ্ধতিতেই হোক না কেনো সকলের সদিচ্ছা আর সহযোগিতার ফলেই সুষ্ঠুভাবে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন অতিবাহিত হতে পারবে।

মোসা: আতিয় ইবনাত
দর্শন বিভাগ
২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষ।

ঢাকা, ৩০ এপ্রিল (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমজেড


আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর


আজকের সর্বশেষ