যুবরাজ সালমান-নেতানিয়াহুর গোপন বৈঠকের এজেন্ডা নিয়ে তোলপাড়?


Published: 2020-11-23 21:41:46 BdST, Updated: 2021-01-28 07:28:39 BdST

লাইভ ডেস্ক: যুবরাজ সালমান আর কিছু বাকী রাখলেন না। সব কিছুই করলেন। অবশেষে তিনি দ্বিতীয় বারের মতো নেতানিয়াহুর সাথেও বৈঠক করেছেন। বিশ্ব মুসলিমদের কাছে যা কোন গ্রহণযোগ্যতা নেই সেই ব্যক্তির সাথে তিনি গোপনে বৈঠক করেছেন।

সেই বৈঠকের এজেন্ডা নিয়ে সারা দুনিয়ায় চলছে নানান আলোচনা-সমালোচনা। কি এমন কি নিয়ে তারা বৈঠক করলেন মুসলিম বিশ্বের অনেকেই এখন তা জানতে চান। মূল রহস্য কি তা প্রকাশ্যে আনতে চান বিশ্ব মুসলিম নেতারা।

আবারও সৌদি আরবে গোপনে সফরে গেলেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বিনইয়ামিন নেতানিয়াহু। তার সফর সঙ্গী ছিলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। এমন দাবি করে খবর প্রকাশ করেছে ইসরাইলি গণমাধ্যম।

দৈনিক হারেৎজ যা ইসরাইলের প্রভাবশালী গণমাধ্যম। সেই গণমাধ্যম জানায়, সোমবার (২৩ নভেম্বর) একই বিমানে চড়ে রিয়াদে পৌঁছান তারা। সেখানে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে গোপনে সাক্ষাৎ করেছেন।

বৈঠকে ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা- মোসাদের প্রধানও উপস্থিত ছিলেন। আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পক্ষই এ ব্যাপারে কিছু জানায়নি।

মার্কিন গণমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, সৌদি আরবের উপকূলীয় শহর নিওমে কয়েক ঘণ্টা অতিবাহিত করেছেন নেতানিয়াহু। তার সঙ্গে ইসরাইলি গুপ্তচর বাহিনীর প্রধান ইয়োসি কোহেনও ছিলেন।

সেখানে তিনি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান আর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও-র সঙ্গে বৈঠক করেন। গণমাধ্যমের এমন খবর অস্বীকারও করেনি নেতানিয়াহুর দফতর।

হারেৎজ-এর খবর বলছে, বিমান চলাচলের তালিকায় দেখা যাচ্ছে, ইসরাইল থেকে একটি বিমান সরাসরি সৌদি মেগা-সিটি নিওমে গিয়েছে। পাঁচ ঘণ্টা পরে সেটা আবার ফেরত এসেছে।

হঠাৎ কী কারণে গোপনে সৌদিতে উড়াল দিতে হল ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীকে এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে আন্তর্জাতিক মহলে। ধারণা করা হচ্ছে, ইসরাইলকে স্বীকৃতি এবং দেশটির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে আভাস দিয়েছিলেন তারই প্রতিফলন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় আরব আমিরাতসহ বেশ কয়েকটি আরব দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করে ইসরাইল।

এর কিছুদিন পরে ট্রাম্প ইঙ্গিত দেন, আরও ৭-৮টি মুসলিম রাষ্ট্রের সঙ্গে ইসরাইলের সম্পর্ক স্থাপনের আলোচনা চলছে। যদিও জো বাইডেনের কাছে নির্বাচনে ট্রাম্প ঐতিহাসিকভাবে হেরে যাওয়ায় এই কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

আগামী ২০ জানুয়ারিতে ৪৬তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেয়ার কথা বাইডেনের, এ অবস্থায় ট্রাম্পও আর সময় পাচ্ছেন না। এর মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্য সফর করছেন ট্রাম্পের আস্থাভাজন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও।

বিনইয়ামিনের সঙ্গে সৌদিতে সফরে গিয়ে ট্রাম্পের সেই আভাসকেই বাস্তবে রুপ দেয়ার চেষ্টা করছেন বলে ধারনা আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। এখন কেবল অপেক্ষার পালা।

ঢাকা, ২৩ নভেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এআইজি

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।