এর পেছনে অনেক লম্বা হাতের ইশারা রয়েছে! ফাহিম সালেহ হত্যা : ‘পরিকল্পিত’ নাকি অন্যকিছু, রহস্যে ঘেরা!


Published: 2020-10-16 20:09:01 BdST, Updated: 2020-10-20 06:17:19 BdST

লাইভ ডেস্ক: একটি মেধার অপমৃত্যু হলো। সেই হত্যাকান্ণ্ডের রহস্য এখনও রয়ে গেছে আড়ালে আবডালে। রহস্য যেন পিছু ছারছেনা। পাঠাওয়ের সহপ্রতিষ্ঠাতা ফাহিম সালেহ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার হওয়া তার ব্যক্তিগত সহকারী টেরেস ডেভোন হাসপিল ফার্স্ট ডিগ্রি মার্ডার ‘পরিকল্পিত’ হত্যার কথা অস্বীকার করেছেন। বলেছেন আমি এমনটি করিনি।

সিএনএন জানায়, মঙ্গলবার স্কাইপে আয়োজিত শুনানিতে ম্যানহাটনের স্টেট কোর্টের গ্র্যান্ডজুরি ২১ বছর বয়সী হাসপিলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো বাড়ানোর ইঙ্গিত দিলে বিচারকের কাছে তিনি ফার্স্ট ডিগ্রি মার্ডারের কথা অস্বীকার করেন। এর আগে গত ১৮ জুলাই তাকে সেকেন্ড ডিগ্রি মার্ডারে অভিযুক্ত করা হয়। সেই অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেছিলেন। এখন ভিন্ন পথে হাটছেন গোয়েন্দারা।

প্রসঙ্গত ‘ইচ্ছাকৃত এবং প্ররোচিত; কিন্তু পরিকল্পিত নয়’- এমন হত্যাকাণ্ডকে সেকেন্ড ডিগ্রি মার্ডার বলে। কথা-কাটাকাটি কিংবা রাগের বশে যে হত্যাকাণ্ড হয়, তাকেই সাধারণত সেকেন্ড ডিগ্রি মার্ডারের কাতারে ফেলা হয়। আর পরিকল্পিত খুনকে বলা হয় ফার্স্ট ডিগ্রি, যেখানে খুনি তার টার্গেটকে অনুসরণ করে ক্রাইম সিনে মৃত্যু নিশ্চিত করে। এমন ধারনা নিয়েই এগুচ্ছিলেন গোয়েন্দারা।

১৩ জুলাই বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে খুন হন ফাহিম। নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের লোয়ার ইস্ট সাইডে নিজের বিলাসবহুল বাসায়। ময়নাতদন্তে বলা হয়, একাধিক কোপের পর তার মৃত্যু হয়েছে। একাধিক আঘাতারে চিহৃ রয়েছে তার শরীরে।

ফাহিম প্রযুক্তি জগতে নিজের পথচলা শুরু করেন ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে। এরপর ধীরে ধীরে নিজেকে ভেঞ্চার ক্যাপিটালিস্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। ২০১৫ থেকে ২০১৮ সালের মার্চ পর্যন্ত পাঠাওয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তার ছিল অসম্ভব মেধা।

ঢাকা, ১৬ অক্টোবর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এআইটি

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।