''সাম্য আর সুন্দর হোক নতুন বছরের নিশান''


Published: 2022-01-05 15:27:18 BdST, Updated: 2022-01-19 08:09:49 BdST

২০২২! নতুন বছর এলে আমরা অপূরণীয় অনেক স্বপ্ন দেখি। সব ধরনের স্থবিরতা কাটিয়ে নতুন বছর সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ। দেশে ফিরে আসুক শান্তি, সমৃদ্ধি, স্বস্তি ও গতিময়তা। নতুন বছরকে নিয়ে এমনটাই প্রত্যাশা সবার। ২০২২ সালকে নিয়ে প্রত্যাশার প্রাপ্তিতে যোগ হয়েছে নতুন মাত্রা। করোনাময় বছরে প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির স্মৃতি পেছনে ফেলে নতুন বছরে নতুন আশায় বুক বাঁধছেন বিশ্ববাসী। পিছিয়ে নেই বাংলাদেশের তরুণরাও। নতুন বছরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যয়নরত কয়েকজন তরুণ শিক্ষার্থীর ভাবনা, প্রত্যাশা-প্রাপ্তি আর স্বপ্নের কথা তুলে ধরেছেন একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এর ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেরাবুল ইসলাম সৌদিপ

প্রত্যাশা-প্রাপ্তির বছর হোক ২০২২

নতুন বছরটা শুরু হোক তারুণ্যের উদ্যমে। তরুণ প্রজন্মকে সোনার বাংলা গঠনে অঙ্গিকার বদ্ধ হতে হবে। নতুন বছরে একটাই প্রত্যাশা, মহামারীর প্রকোপ যেন প্রিয় ক্যাম্পাস পুনরায় না পড়ে। দেশকে এগিয়ে নিতে হলে প্রথমেই প্রয়োজন প্রাথমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো। পরিকল্পিতভাবে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণা খাতে বরাদ্দ বাড়াতে হবে।

শ্রাবন্তী হরি

 

পুরোনো বছরের সকল দুঃখ দুর্দশাকে ভুলে সকল বাধাকে দুরে রেখে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে নতুন উদ্যমে নিজেকে ও নিজের দেশকে বিশ্বদরবারে পরিচিত করে তুলতে হবে। দুর্নীতি আর ধর্ষণ মুক্ত দেশ হোক আগামীর বাংলাদেশ। আমাদের জন্মভূমিকে বিশ্বের বুকে আধুনিক রাষ্ট্রের রোল মডেল হিসেবে পরিচিত করার স্বপ্নে এগিয়ে যেতে আমাদের। দেশের ক্রমবর্ধমান উন্নতি অব্যাহত থেকে একটি ভালোবাসার বাংলাদেশ গড়ে উঠুক। নতুন বছরে এমনটাই প্রত্যাশা।

শ্রাবন্তী হরি
শিক্ষার্থী, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ।

স্বপ্ন বাস্তবায়নে সচেষ্ট হবো

সবকিছু মিলিয়ে পুরনো বছরটা খারাপ যায়নি। এবার সেটাকে আরো সুন্দর করার চেষ্টা করব। জানি, নতুন বছর মানেই জীবনের সবকিছু বদলে যাবে তা নয়। তবু, আমি স্বাপ্নিক, স্বপ্ন দেখতে ভালো লাগে। স্বপ্নের বাস্তবতায় লেগে থাকবো। কোনো মূল্যে আমরা সুন্দর একটা আগামী চাই। সুন্দর আগামী মানেই আমাদের ভালোভাবে বাঁচা। আর ভালোভাবে বাঁচতে পারা মানেই একে অপরের জন্য কিছু করতে পারা। আর আমরা যখন একে অপরের জন্য কিছু করতে পারব, তখন এমনিতেই আমাদের দেশ এগিয়ে যাবে।

ইউছুব ওসমান

 

পূর্বে যে সমৃদ্ধি আমরা অর্জন করেছি নতুন বছরে তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে। পাশাপাশি আমাদের তরুণ সমাজের নববর্ষের শুরু হোক উদ্ভাবনীমূলক কর্মপরুকল্পনা নিয়ে। আমাদের প্রতেক্যের ভাল পরিকল্পনাগুলো সম্পন্ন করার প্রত্যয় নিয়ে যদি আমরা নতুন বছর শুরু করি তবে শুধু ব্যাক্তিগতই নয় বরং দেশের সামগ্রিক উন্নতি হবে।

ইউছুব ওসমান
শিক্ষার্থী, লোক প্রশাসন বিভাগ।

দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ কাম্য

নতুন বছর হোক সকলের জন্য উন্নতি ও সাফল্যের বছর। ২০২২ সালে জঙ্গিবাদ ও সন্তাসমুক্ত এক বাংলাদেশ চাই যেখানে সকল ধর্মের মানুষ একসাথে কাজ করে আমাদের জন্মভূমিকে বিশ্বের বুকে আধুনিক রাষ্ট্রের রোল মডেল হিসেবে পরিচিত করে তুলতে পারে। আর সেজন্য আমাদের মতো তরুণদেরকে সমাজকে নতুন বছরে, নতুন উদ্দীপনা নিয়ে যার যার জায়গা থেকে কাজ করে যেতে হবে।

রিদুয়ান ইসলাম

 

দুর্নীতি জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। সত্য ও ন্যায়ের পথই হচ্ছে আসল পথ। সেই পথকে পরিহার করে কোনো মানুষ যদি মিথ্যাকে আঁকড়ে ধরে, যদি দুর্নীতি গভীরে নিমজ্জিত হয়। তাহলে জাতীয় উন্নয়নের আর কোনো সম্ভাবনা থাকে না। তাই ২০২২ সাল যেন দুর্নীতিমুক্ত; সে আশাই ব্যক্ত করছি।

রিদুয়ান ইসলাম
শিক্ষার্থী, বাংলা বিভাগ।

সুখী-সমৃদ্ধির বছর হোক ২০২২

অতীতের ব্যর্থতা গ্লানি মুছে নতুনভাবে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখি। নববর্ষ যেমন একজন ব্যাক্তির কাছে অনেক গুরুত্বপুর্ণ তেমনি একটা জাতির জন্যেও অনেক তাৎপর্যপূর্ণ। সকল অপশাসন ও আগ্রাসী দুর্নীতিকে ধবংস করে দেশ ও জাতির উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি আমাদের কাম্য। স্বপ্ন দেখি সামনের দিনগুলো অনেক বেশি ভালো যাবে। কিন্তু আমাদের এই স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যায়। স্বপ্ন যেন দুঃস্বপ্ন না হয়- এমন প্রত্যাশা করি।

ছামিরা ইসলাম ছনি

 

আমরা নতুন করে পথ চলতে পারব। নতুন স্বপ্নের কথা বলতে পারব। সব ধরনের প্রতিকূলতা ছাড়িয়ে এগিয়ে যেতে পারব সামনে। দেশের মানুষের প্রত্যাশা এরকমই। সবার চাওয়া ভবিষ্যৎ যেন ভালো হয়। নতুন বছরে মনুষ্যত্ববোধের সূচনা হোক মানুষের মধ্যে। যাতে সবাই একে অপরের দুঃখে-কষ্টে পাশে থাকতে পারে। ২০২২ সালে সব হৃদয়ে মানবতার উৎপত্তি হোক।

ছামিরা ইসলাম ছনি
শিক্ষার্থী, রসায়ন বিভাগ।

আগামীর দিনগুলো তারুণ্যের হোক

নববর্ষ বা নতুন বছর যেমন একজন ব্যক্তির কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তেমনি একটা জাতির জন্যও। আমাদের আশা, পূর্বে যে সমৃদ্ধি আমরা অর্জন করেছি আগামী বর্ষে তার ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। পাশাপাশি কামনা, আমাদের তরুণ সমাজের নববর্ষের শুরু হোক উদ্ভাবনীমূলক কর্ম-পরিকল্পনা নিয়ে। আমাদের প্রতেক্যের ভালো পরিকল্পনাগুলো সম্পন্ন করার প্রত্যয় নিয়ে যদি আমরা নতুন বছর শুরু করি তবে শুধু ব্যক্তিগত নয় বরং দেশের সামগ্রিক উন্নতি হবে।

ইরা রানী

 

তরুণরা সৃষ্টিশীল আর সাহিত্যমনা হয়ে উন্মুক্ত করুক সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত। সহিষ্ণুতা, উদারতা আর অপরের প্রতি ভালোবাসা ছড়িয়ে এমন একটি মানবিক দেশ তৈরি হোক যেখানে থাকবে না হিংসা-বিদ্বেষ, কলহ, ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতি কিংবা লুটতরাজ। দেশের ক্রমবর্ধমান উন্নতি অব্যাহত থেকে একটি ভালোবাসার বাংলাদেশ গড়ে উঠুক। নতুন বছরে এটাই প্রত্যাশা।

ইরা রানী
শিক্ষার্থী, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ।

নতুন বছরে ফিরে আসুক শিক্ষার প্রাণচাঞ্চল্য

কালের পরিক্রমায় আরো একটি বছর বিদায় নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন বছর। নতুন বছর মানেই নতুন এক আশা, নতুন এক উদ্দীপনা। করোনাকালীন ভয়াবহ সময় পেরিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সবেমাত্র চালু হয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের পদচারণায় আবার মুখরিত হয়ে উঠেছে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ। সাধারণত একজন শিক্ষার্থীর প্রধান লক্ষ্য থাকে পড়াশোনা শেষ করে দেশের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করা।

শেখ শাহরিয়ার হোসেন

 

কিন্তু এই মহামারীর কারণে এতদিন লেখাপড়া থেকে দূরে থাকায় বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়েছে৷ অনেকে লেখাপড়া শেষ করেও কর্মজীবনে স্বাভাবিকভাবে প্রবেশ করতে পারছেনা। তাই প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জীবনে শিক্ষার চাঞ্চল্যতা আগের মত ফিরে আসুক এবং পুরোনো দিনের হতাশা-গ্লানি কাটিয়ে নতুনভাবে এগিয়ে যাক এটাই প্রত্যাশা।

শেখ শাহরিয়ার হোসেন
শিক্ষার্থী, সমাজকর্ম বিভাগ।

ব্যর্থতাকে শক্তি করব এগিয়ে যেতে হবে

আমাদের প্রতিনিয়ত চলার পথে হাজারো ব্যর্থতা, বাধার সৃষ্টি হয়। যা আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে অনেকটা পিছিয়ে দেয়। অতীতের সকল বাঁধা, ব্যর্থতাকে নিজের চলার শক্তির হিসেবে গড়ে নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। হতাশায় না পড়ে, সকল সমস্যাকে সমাধানের চেষ্টা করা। অতীতে কি হারালাম, কি পেলাম সেসব নিয়ে হতাশায় না পড়ে, সামনে কিভাবে নিজেকে এগিয়ে নেয়া যায়, নিজের কাজের মাধ্যমে নিজের, পরিবার, সমাজের, দেশের এবং বিশ্বের এগিয়ে চলায় সামিল হওয়া।

আনতাজ হেনা আখি

 

হার জিত জীবনে থাকবে, তা নিয়ে হতাশায় না পড়ে সেই হার জিতকে নিজের চলার শক্তিতে পরিণত করে সামনে এগিয়ে যাওয়া। পৃথিবীতে সকল সফল ব্যক্তির সাফল্যের পিছনে তাদের জীবনের প্রথম দিকের হারই শক্তিতে পরিণত হয়েছে। আমরাও আমাদের জীবনকে তুচ্ছ না ভেবে, এর সঠিক ব্যবহার করে নিজেদেরকে আত্মবিশ্বাসী হিসেবে গড়ে তুলে বিশ্ববাসীর সাফল্যের সামনের কাতারের আমরাও হয়ে উঠতে পারি একজন।

আনতাজ হেনা আখি
শিক্ষার্থী, মনোবিজ্ঞান বিভাগ।

সাম্য আর সুন্দর হোক নতুন বছরের নিশান

কালের গর্ভে বিলীন হয়ে গেল আরেকটি বছর। নতুন বছরের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরো নতুন নতুন প্রত্যাশা। সমাজের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠিত হোক, জাতি-ধর্ম-বর্ণ, মানুষের মধ্যে ক্রোধ কোন্দল বন্ধ হোক। সমাজের নিম্ন শ্রেণীর মানুষের সাহায্যে এগিয়ে আসুক উচ্চবিত্তরা। শুধুমাত্র ধর্ম বা অর্থনৈতিক বৈষম্য যেন সমাজের মানুষকে পরিমাপ করার মাপকাঠির না হয় সেদিকে আমাদের লক্ষ্য রাখা উচিত।

আরিফা আক্তার

 

সমাজ থেকে দুর্নীতি, বৈষম্য, সাম্প্রদায়িক কোন্দল শোষণ নিপাত যাক পুরনো দিনের সব অন্ধকারাচ্ছন্ন স্মৃতি ভুলে গিয়ে নতুন নিশান উড়ুক। শুধু সফলতা আর ব্যর্থতার মধ্যে নয় মানুষকে তার মানবিক গুণ দিয়ে বিচার করা শুরু করা উচিত।

আরিফা আক্তার
শিক্ষার্থী, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ।

ব্যর্থতার গ্লানি ভুলে প্রত্যাশা হোক সম্ভাবনাময়

"নতুনের আগমন মানেইতো পুরাতনের বিদায়, নতুনের আগমন মানেই ব্যর্থতার গ্লানি ভুলো, নতুন সম্ভাবনায়।" স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী পার করে উন্নয়নে শিখরে আরও একধাপ এগোনোর সময় এসেছে, স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে যাবে দেশ। কোভিড-১৯ নামক ভয়ংকর স্বপ্নের সাথে যুদ্ধে জিতে শিক্ষার্থীরা নিরাতঙ্কে আবার ছুটে যাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। নতুন বইয়ের ঘ্রাণ আবারো জাগাবে জ্ঞানের পিপাসা। ফাইভ জি পৌঁছে যাবে দেশের সব প্রান্তে। বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশের জন্য পদ্মা সেতু হতে যাচ্ছে এর ইতিহাসের একটি সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জিং নির্মাণ প্রকল্প যার উদ্বোধনও দেখতে পারবো বলে আশা করা যাচ্ছে।

স্মিতা জান্নাত

 

আর যেটির আশা সব চেয়ে বেশি তা হলো রাজধানীতে নির্মাণাধীন শহরভিত্তিক রেল ব্যবস্থা হচ্ছে ঢাকা মেট্রোরেল। তবে বিশ্বের সাথে বাংলাদেশও করোনা কে জয় শবে মাত্র ঘুরে দাঁড়াবার চেষ্টা করছে, এই পরিস্থিতিতে নতুনের প্রত্যাশা গুলো কতটা সফল হবে সেটাও যথাযথ বোঝা যাচ্ছে না। ৩০ লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছি, আর আজ দেশের উন্নয়নে ১৭ কোটি মানুষ এগিয়ে আসলে সকল প্রতিকুলতা জয় করা সম্ভব।

স্মিতা জান্নাত
শিক্ষার্থী, ইংরেজি ভাষা বিভাগ।

আতঙ্ক নয়, সচেতনতাই হোক ২০২২'র মূলমন্ত্র

আর মাত্র কিছুদিনের অপেক্ষা, আর তারপরই নতুন বছরে পা দেব আমরা সবাই। যদিও ২০২০ ও ২০২১ সাল সকলের জন্যই খুব খারাপ গিয়েছে, যার কারণ সকলেরই অবগত। তবে নতুন বছর নতুন আশার আলো নিয়ে আসবে এবং সবকিছু আবার স্বাভাবিক হবে এটাই সকলের কাম্য। ২০২২ যদি ২০১৯-এর মতো হয়, তাহলেই বলতে হবে, আবার স্বাভাবিক হয়ে এসেছে সবকিছু। যেখানে স্বাভাবিকতার আরেক নাম বৈষম্যের জাঁতাকলে পিষ্ট যবের দানার মতো ছিবড়ে হয়ে যাবে শত কোটি জীবন—মানবজীবন। আমরা একটা নতুন পৃথিবী চাই, তা আমরা পাব না, কিন্তু তার স্বপ্ন যেন না মরে।

সাঈমা আক্তার

 

তার জন্য একক এবং সম্মিলিত প্রয়াস যেন থেমে না যায়। বছরে আমরা চাই পৃথিবী থেকে এই মহামারী দূর হোক। মানুষ আবার নিউ-নরমাল থেকে আগের মতো স্বাভাবিক 'নরমাল' অবস্থায় ফিরে যাক। প্রকৃতিকে দূষিত না করে মানুষ অনেক বেশি প্রকৃতিবান্ধব হোক। মানুষ আরও বেশি মানবিক হোক, উদার হোক, বন্ধু-সুলভ হোক। পুরনো বছরের গ্লানি ঝেড়ে ফেলে নতুন একটা বছর হোক ২০২২, যে বছরে মহামারির বিভীষিকা তাড়া করবে না মানুষকে।

সাঈমা আক্তার
শিক্ষার্থী, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ।

ঢাকা, ০৫ জানুয়ারী (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমজেড

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।