রাত পোহালেই নতুন দিন, শেষ হচ্ছে অপেক্ষার প্রহর


Published: 2021-09-11 20:21:52 BdST, Updated: 2021-09-18 06:46:56 BdST

অবশেষে খুলছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। দীর্ঘ দেড় বছর বন্ধ থাকার পর আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার খবরে শিক্ষার্থীদের মনে আনন্দের ঢেউ খেলে যাচ্ছে। আগামীকাল (১২ সেপ্টেম্বর) থেকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শ্রেণি কক্ষে পাঠদান শুরু হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে তাদের আনন্দ অনুভূতি জানাচ্ছেন- ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এর প্রতিনিধি আর এস মাহমুদ হাসান ও তার সহযোগী এস এম মানিক

"মহামারীতে এগিয়ে চলুক জাতির মেরুদণ্ড শিক্ষা"

মোঃ মিজানুর রহমান, দ্বাদশ শ্রেণি, গাজীপুর ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, বিওএফ, গাজীপুর: আমার নিজস্ব পরিচয় বলতে আমি একজন শিক্ষার্থী। আর শিক্ষার্থী বলতে বোঝায় যে, কোন একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষা গ্রহণ করছে। কিন্তু করোনা মহামারির জন্যে আমাদের সবার বিদ্যালয় ২০২০ সালের ১৭ মার্চ বন্ধ হয়ে যায়। একসময় চিন্তা করতাম যে এতো লেখাপড়া আর ভালো লাগে না। দৈনিক কলেজে যাওয়া আর ক্লান্ত হয়ে বাসায় ফিরে আসা। কিন্তু বাংলায় একটা কথা আছে,"দূরত্ব বাড়লে গুরুত্ব বোঝা যায়।"

মোঃ মিজানুর রহমান

 

গত ১ বছর ৬ মাসের ছুটিতে এইকথাটা বুঝতে তেমন অসুবিধা হয়নি। এখন মনে পড়ে সবসময় কলেজের সবার সাথে করা কলেজের ক্লাসগুলোর কথা। স্যারদের সেই ভালোবাসা যুক্ত ক্লাসের কথা। আর ছুটিতে হারিয়ে ফেলেছিলাম নিজের লেখাপড়া সহ জীবনের সকল ছন্দ। কলেজ খোলার খবরটা সেই সকল ছন্দকে ফিরে পাবার আনন্দ ফিরিয়ে নিয়ে আসছে। আর অনুভূতিটা বলে বোঝানো যাবে না। তবে অনেক আগেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হলে সবার জন্যেই মঙ্গলের হত এবং সবার লেখাপড়ার অগ্রগতিও স্বাভাবিক থাকত।

"রাত পোহালেই নতুন দিন, শেষ হচ্ছে অপেক্ষার প্রহর"

নওরীন আমিন, একাদশ শ্রেণি, সরকারি বঙ্গবন্ধু কলেজ, গোপালগঞ্জ: "বিদ্যালয়, মোদের বিদ্যালয়, এখানে সভ্যতারই ফুল ফোটানো হয়"। বিখ্যাত এই গানের লাইনটি প্রকাশ করে একটি সভ্য জাতি গঠনে বিদ্যালয়ের ভূমিকা। সেই বিদ্যালয়ের দ্বারে যখন তালা লাগে তখন জাতির ভবিষ্যৎ পড়ে হুমকির মুখে! প্রায় দেড় বছরেরও অধিক সময় করোনা মহামারির প্রকোপে বন্ধ ছিলো দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোতে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা/বন্ধের মধ্যে দিয়ে গেলেও আমাদের দেশে একটানা বন্ধ রাখা হয় সকল স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়। এর ফলে শিক্ষার্থীদের শুধু পড়ালেখার ক্ষতি নয়, মানসিক ও শারীরিক ব্যাপক ক্ষতি হয়।

নওরীন আমিন

 

কিন্তু আর নয় এই বিশৃঙ্খল অবস্থা, অবশেষে ১২ সেপ্টেম্বর খুলছে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। একজন উচ্চ মাধ্যমিক ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী হিসেবে আমার আনন্দ যেনো বাঁধ মানছে না৷ স্কুল জীবন শেষ করেছি আজ প্রায় দেড় বছর হতে চললো এখনো কলেজ ড্রেস পরে কলেজের মাটিতে পা রাখা হয়নি। বন্ধুদের সাথে মিলে আড্ডা দেওয়া কিংবা শিক্ষকদের ক্লাস করার সৌভাগ্য সবকিছু থেকে বঞ্চিত হয়েছি। এবার হয়তো সেই সুযোগের সময় এসেছে। এ যেনো এক স্বপ্ন সত্যি হতে চলেছে। সত্যি বলতে ভেবেছিলাম আমাদের আর হয়তো কলেজ জীবন বলতে কোনো স্মৃতি গড়ার সুযোগ হবেনা কিন্তু সৃষ্টি কর্তার মহান করুণায় মহামারীর প্রকোপ কমেছে। যার কারণে আমাদেরও কলেজ এ যাওয়ার সুযোগ হচ্ছে। সকল কৃতজ্ঞতা তার নিকট।

"খুলছে আলোর দুয়ার"

এন. এম মঞ্জুরুল কবির, সপ্তম শ্রেণি, সুয়াপাড়া জি, কে উচ্চ বিদ্যালয়, শাহরাস্তি, চাঁদপুর: মহামারী কোভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় ২০২০ সালের ১৭ ই মার্চ থেকে দীর্ঘ ১৮ মাস ধরে বন্ধ থাকার পর,অবশেষে খুলছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সরকারের নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার সংবাদে স্কুলগুলোতে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের অনেক ক্ষতি হয়েছে। ঝরে পড়েছে অনেক শিক্ষার্থী। পরিবারকে সচল রাখতে অনেকেই উপার্জনের জন্য বিভিন্ন কাজে যুক্ত হয়েছেন।

এন. এম মঞ্জুরুল কবির

 

কেউ কেউ আবার পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়ার মতো কঠিন সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন। এর ফলে শিক্ষার্থী হিসেবে আমরা হারাই আমাদের সহপাঠীদের আর শিক্ষকরা হারান তাদের ছাত্রদের। জাতি হারায় তাদের কিছু কোমলমতি শিক্ষার্থীদের। যাই হোক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলবে। আবার দেখা হবে বন্ধুদের সাথে।ক্লাসের দিনগুলো আবার ফিরে পাবো, আবারও শুনবো ছুটির ঘন্টা, গায়ে জড়াবো স্কুলের পোশাক। এই ভেবেই মনে এক অন্যরকম শিহরণ জাগে। সর্বোপরি, করোনাকে হারিয়ে আবারো ফিরবো প্রিয় আঙ্গিনায়, মেতে উঠবো স্কুল খোলার উল্লাসে।

"সপ্তাহে একটি ক্লাস হোক, তবুও স্কুল খুলুক"

আছিয়া পারভীন সুমাইয়া, নবম শ্রেণী, ঝিনাইগাতী সরকারী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়: একটা সময় স্কুলে ছুটি পেলে কি যে আনন্দ হতো। আর আজ সেই আনন্দটাই হচ্ছে স্কুল খোলার সংবাদ পেয়ে। দেড় বছরের বেশি হতে চললো স্কুল বন্ধ। এতোটা দীর্ঘ সময় পড়াশোনা, বন্ধু-বান্ধবদের থেকে বিচ্ছিন্ন কখনো থাকিনি। ১২ সেপ্টেম্বর থেকে স্কুল খুলবে। সপ্তাহে একটি ক্লাস হোক তারপরও স্কুল খুলুক৷ বাসায় থেকে থেকে একদম দম বন্ধের মতো অবস্থা৷ আমি মনে করি মানুষ এখন অনেকটা সচেতন। সবাই মাস্ক পরে।

আছিয়া পারভীন সুমাইয়া

 

আর আমরা শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্লাস করতে পারবো। এতটুকু নিশ্চয়তা আমি দিতে পারি। হাট-বাজার, কল-কারখানা সব চলতে পারলে শিক্ষার্থীদের স্কুল কলেজও খোলা যেতে পারে। একজন কারখানার শ্রমিকের চেয়ে একজন শিক্ষার্থী বেশি স্বাস্থ্য সচেতন এটা সবারই জানার কথা। অনেকদিন পর বন্ধুদের সাথে প্রিয় বিদ্যাপিঠের শ্রেণীকক্ষে বসে ক্লাস করবো ভাবতেই কেমন যেন একটা ভালো লাগা কাজ করছে মনে।

"শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে নতুন প্রাণ দিচ্ছে"

আবিদ হাসান, দশম শ্রেণী, কোচাশহর দ্বি-মুখী উচ্চবিদ্যালয়, গাইবান্ধা: দূঃখজনক হলেও সত্যি যে মহামারী আকারে দেখা দেওয়া করোনা ভাইরাস আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে অনেকাংশেই পিছিয়ে দিয়েছে। প্রথমত এর বিস্তার সল্প পরিধিতে ঘটলেও পরবর্তীতে তা মহামারী আকার ধারণ করায় শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার্থে সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছিল। যা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় কিছু নেতিবাচক পরিবর্তন আনায়ন করে। বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশ তথ্য -যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষা ব্যবস্থার নেতিবাচক পরিবর্তন গুলো অনলাইন এ পাঠ দেবার মাধ্যমে অনেকাংশে দমিয়ে রাখতে পেরেছে। কিন্তু বাংলাদেশ একটি নিম্ন-মধ্য আয়ের দেশ হওয়ায় এবং অধিকাংশ মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থা অনুন্নত হওয়ায় আমরা তথ্য -যোগাযোগ প্রযুক্তিতে পিছিয়ে। ফলে অনলাইনে পাঠ দানের মাধ্যমে দেশের সকল শিক্ষার্থীকে সুষমভাবে এগিয়ে নেয়া সম্ভব হয়নি।

আবিদ হাসান

 

ইদানীং করোনা মহামারীর বিস্তার তুলনামূলক শিথিল হওয়ায় সরকার শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান গুলো খুলে দেবার সিদ্ধান্ত গ্রহন কেরছে, যা শিক্ষার্থীদের জন্য আশীর্বাদ স্বরূপ। দীর্ঘ দেড়বছরেরও বেশি সময় পর আমরা আবার শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে যেতে পারব, এ কারনে আমরা সমগ্র ছাত্র সমাজ সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞ। আমরা আবার ১২ সেপ্টেম্বর থেকে স্বশরীরে স্কুল - কলেজে যেতে পারব, এটা আমাদের জন্য একটি আনন্দের সংবাদ।

"স্কুল কলেজ খোলা, ছাত্র ছাত্রীরা আনন্দে আত্নহারা"

অনিকা মারিয়া রিবেরু, দশম শ্রেণি, একদন্ত উচ্চ বিদ্যালয়, আটঘরিয়া, পাবনা: অনেকদিন পরে আমাদের স্কুল কলেজ খুলে দিচ্ছে। দীর্ঘদিনের সমাপ্তি। ৫৪৩ বা ১ বছর ৭ মাস ২৪ দিনে বন্ধের পর আমাদের স্কুল কলেজ খুলে দিচ্ছে। খুশিতে আত্মহারা শিক্ষার্থীরা। মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে আমাদের স্কুল বন্ধ থাকার কারণে আমাদের শিক্ষা অর্জন ব্যাহত হয়েছে। ফলে আমাদের স্বপ্নগুলো মাথা নিচু করতে বাধ্য হচ্ছে। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য অনেক আনন্দের বিষয়।

অনিকা মারিয়া রিবেরু

 

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের জন্য দ্বিতীয় পরিবার। যেখানে অর্ধেকটা সময়ের বেশি আমরা কাটিয়ে দেই, সেখানে পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধ শেখানো হয়। বিদ্যালয়ে প্রতিদিনে জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি আমরা বিভিন্ন রকম সাধারন জ্ঞান সম্পর্কেও জেনে থাকি। দীর্ঘদিন বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় আমাদের পড়াশোনার অনেক ক্ষতি হওয়ার পাশাপাশি মানসিক ক্ষতি হয়েছে। বিদ্যালয় খুলে দেওয়ায় আমি অনেক খুশি। বিদ্যালয় চালু হওয়ার কারণে আমরা আবার বিদ্যালয়ে যাবো লেখাপড়া করব এটা ভেবেই আমার ভালো লাগছে। আবার আগের মতো আমরা একসাথে বন্ধু বান্ধবীদের সাথে ঘুরবো। সবকিছু আবার আগের মত স্বাভাবিক হয়ে উঠবে এসব ভেবে আমার অনেক বেশি ভালো লাগছে।

"শিক্ষাঙ্গন থাকুক ভরে, করোনা যেন না পারে ছুতে"

রমজান আলী, দ্বাদশ শ্রেণি, খান সাহেব কোমরউদ্দীন মডেল কলেজ, কয়রা-খুলনা: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে এই অনুভূতি বলতে সত্যিই অসাধারণ। যা বলে বুঝানো সম্ভব নয়। দীর্ঘ ৫৪৩ দিন বা এক বছর ৫ মাস ২৪ দিন পরে আবারো ক্লাসরুমে বসে ক্লাস করতে পারব এটা সত্যিই অসাধারণ। কেননা মহামারী করোনা প্রাদুর্ভাবে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের ফলে অনলাইন ভিত্তিক ক্লাস সত্যিই নিরানন্দ এবং অবসাদগ্রস্ত।

রমজান আলী

 

যেখানে কলেজে আমি আনন্দের সহিত এবং প্রতিযোগিতার মনোভাবে লেখাপড়া করতে পারি।সেখানে অনলাইন ভিত্তিক ক্লাসে তা সম্ভব নয়। তাছাড়া দীর্ঘদিন কলেজ বন্ধ থাকায় আমি মানসিকভাবে হতাশ এবং প্রতিযোগিতাপূর্ণ মনোভাব থেকে দূরে সরে যাচ্ছিলাম। ফলে দীর্ঘদিন পর কলেজ খুলে দেওয়ায় আমি সত্যিই উচ্ছ্বসিত।

"অবশেষে অপেক্ষার অবসান "

ঈশিতা বিশ্বাস লুসি, দশম শ্রেণি , নড়াইল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, নড়াইল: করোনা ভাইরাস মহামারীর কারণে ৫৪৩ দিন পর খুলতে চলেছে আমাদের প্রিয় স্কুল-কলেজ। যা প্রতিটি শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অন্যান্য কর্মচারীবৃন্দের জন্য ও খুবই আনন্দের সংবাদ। স্কুল-কলেজগুলো ফিরে পাবে নতুন প্রাণ। ক্লাসের বেঞ্চ, টেবিল -চেয়ার, ব্লাকবোর্ডগুলো হয়ে উঠবে আরো প্রাণোচ্ছ্বল। স্কুলের মাঠের ঘাসগুলোর ওপর পড়বে আবার শিক্ষার্থীদের পদচিহ্ন। আবারও স্কুল প্রতিধ্বনিত হবে ছুটির ঘন্টার আওয়াজ।

ঈশিতা বিশ্বাস লুসি

 

মহামারীর কারণে স্থবির ছাত্রজীবন স্কুল খোলার মাধ্যমে পূর্ণতা লাভ করবে। জীবনের হারিয়ে যাওয়া টিফিনের সময়ের কাড়াকাড়ি যেন মনে করিয়ে দেয় আনন্দের, দুষ্টুমির, স্মৃতি যা কোনো মহামারীই হয়তোবা ভোলাতে পারে না। এতোদিন স্কুলের পোশাকটার সাথে যত্ন করে তোলা ছিল আমাদের ভবিষ্যতের স্বপ্ন, দেশ গড়ার আত্মপ্রত্যয়। যা ১২ ই সেপ্টেম্বর স্কুল -কলেজ খোলার মাধ্যমে নতুনভাবে যাত্রা শুরু করবে।

ঢাকা, ১১ সেপ্টেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমজেড

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।