জনতা ব্যাংক: প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে পরীক্ষা বাতিলের দাবি


Published: 2020-02-18 18:02:52 BdST, Updated: 2020-07-06 08:48:44 BdST

লাইভ প্রতিবেদকঃ গত ৭ই ফেব্রুয়ারী ২০২০ এ্যাসিট্যান্ট এ্যাক্সিকিউটিভ অফিসার পদে ৫৩৬ আসনের লিখিত পরিক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত পরিক্ষায় এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৯ হাজার ৭৪২ অংশগ্রহণ করে।

তবে এ পরিক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস ও ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগে পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন করেছে 'সম্মিলিত সাধারণ শিক্ষার্থী' ব্যানারে।

মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাস বিরোধী রাজু ভাস্কর্যের সামনে 'জনতা ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায়-এ্যাসিস্টেন্ট এক্সিকিউটিভ অফিসার- টেলার পোস্টের প্রশ্নপত্র ফাঁস' প্রতিরোধের দাবিতে মানববন্ধন করে তারা। এর আগে রাজধানীর শাহবাগস্থ গণগ্রন্থাগারের সামনে থেকে এক বিক্ষোভ মিছিল করে রাজু’র সামনে আসে তারা।

মানববন্ধনে চাকরি প্রার্থীরা জানায়, গত ৭ই ফেব্রুয়ারী ২০২০ তারিখে অনুষ্ঠিত হওয়া জনতা ব্যাংকের নিয়েগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের যে ঘটনা ঘটে এতে মেধার অবমূল্যায়ন হয়েছে। তাই এই পরীক্ষা বাতিল চাই। শুধু এই পরীক্ষায়ই নয়, অনেক পরীক্ষায় প্রভাবশালীরা দুর্নীতি করে বেকারদের সাথে প্রহসন করা হচ্ছে। এই প্রহসন যদি চলতে থাকে তাহলে বেকার সমাজ ঘরে বসে থাকবে না, রাস্তায় নামবে।

মানববন্ধনে আরও বলা হয়, মেধার মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্তরা সবসময় সৎ থাকে কিন্তু যারা অসৎ পন্থায়, দুর্নীতি করে চাকরি নিয়োগ পায় তাদেরকেই পরবর্তীতে বড় বড় দুর্নীতির সাথে যুক্ত থাকতে দেখা যায়।

পরবর্তী কর্মসূচি সম্পর্কে মানববন্ধনের প্রধান সমন্বয়ক কামরুজ্জামান পিকু বলেন,' আমরা এর পর আইনের সহায়তা নিবো। তবে তারা যদি পরীক্ষা বাতিল না করে তাহলে আমরা আন্দোলন চলিয়ে যাবো ।'

উল্লেখ, ২০১৭ সালে জনতা ব্যাংকের নির্বাহী কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরিক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠলে ফলাফল স্থগিতের আদেশ দেয়া হয়। পরে ২০১৮ সালে লিখিত পরীক্ষা বাতিল করে নতুন করে পরীক্ষা নিতে নির্দেশ দেয় হাই কোর্ট।

ঢাকা, ১৮ ফেব্রুয়ারি (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমজেড

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।