জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস: শিক্ষার্থীদের ভাবনা ও প্রত্যাশা


Published: 2021-10-20 21:34:37 BdST, Updated: 2021-12-02 22:00:24 BdST

পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬ তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ২০ অক্টোবর। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ২০ অক্টোবরকে ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা। নানারকম প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এখন দেশের প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একটি। গৌরব ও সাফল্যের ১৬ বছরে ক্যাম্পাসের অনেক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও দেশের উচ্চ শিক্ষা প্রসারে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এক অভূতপূর্ব ভূমিকা পালন করে আসছে। বিশ্ববিদ্যালয় দিবস নিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীর ভাবনা, অনুভূতি, প্রত্যাশা ও অভিব্যক্তি তুলে ধরেছেন ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মেহেরাবুল ইসলাম সৌদিপ

বাঙালির সংস্কৃতি চর্চার আঁতুড়ঘর জবি

একটি সদ্য প্রস্ফুটিত প্রাণের নাম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে বাংলাবাজারে গড়ে ওঠা ১৫০ বছরের পুরাতন দেশের প্রাচীনতম এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অতীতকাল থেকেই বাঙালির শিক্ষা, সংস্কৃতি, সংগ্রাম, ইতিহাস ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক হিসেবে আলো ছড়িয়ে আসছে। বাঙালির সাংস্কৃতিক চর্চার আঁতুড়ঘর হিসেবে পরিচিত এই বিদ্যাপীঠ সীমিত সময়ের মধ্যে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে রোল মডেল হিসেবে পরিণত হয়েছে।

আবির হাসান সুজন

 

বর্তমানে উচ্চ শিক্ষার জন্য তরুণদের আগ্রহের জায়গায় পরিণত হয়েছে। যার ফলস্বরূপ দেখতে পাই চাকরির পরীক্ষায়,গবেষণা, বিসিএস, ব্যাংক সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্যের সঙ্গে অবদান রেখে চলেছে। বিশ্ববিদ্যালয়টি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভালো অবস্থানের কারণে সগৌরবে এখনো মাথা উঁচু করে দাড়িয়ে আছে।

আবির হাসান সুজন
শিক্ষার্থী, ভূমি ব্যবস্থাপনা ও আইন বিভাগ।

সম্ভাবনাময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

ব্যস্ত শহরের শান্ত বিদ্যাপীঠ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আয়তনে ছোট হলেও এখানে প্রতিনিয়ত অধিকতর প্রাণসঞ্চার হয়। এখানকার ১৫ হাজার শিক্ষার্থী জানে জীবন সংগ্রামের ইতিহাস, সাহসিকতার গল্প। ক্লাসরুম, গণলাইব্রেরি, কাঁঠালতলা, শহীদ মিনার, শান্তচত্বর, ক্যাফিটিরিয়া, টিএসসি সর্বত্রই তাদের পদচারণায় উষ্ণ থাকে। এক বিভাগ থেকে আরেক বিভাগের দূরত্ব কম হওয়ায় জগন্নাথে সকল শিক্ষক শিক্ষার্থীর মাঝে এক মেলবন্ধন রয়েছে। তাই পুরো বিশ্ববিদ্যালয়টিকে একটি পরিবার মনে হয়।

রুকাইয়া মিজান মিমি

 

যে পরিবারটি বিভিন্ন আনন্দ-অনুষ্ঠানের একসঙ্গে মেতে ওঠে। প্রিয় এই বিদ্যাপীঠটি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গুটি গুটি পায়ে সতের বছরে পদার্পণ করল। অল্প সময়ের এ যাত্রায় জগন্নাথের মেধাবী শিক্ষার্থীরা দেশব্যাপী প্রশাসনিক কার্যক্রমে ছড়িয়ে পরে সাফল্যের চিহ্ন রাখছে। এছাড়া সাংস্কৃতিক, সাংগঠনিক ও শিক্ষামূলক কার্যক্রমেও বরাবরই অনেকটা এগিয়ে রয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। সামনের দিনগুলোতে বিশ্ববিদ্যালয়টির এই সাফল্য ধারা অব্যাহত থাকলে অদূর ভবিষ্যতেই দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও এই ঐতিহ্যময় বিশ্ববিদ্যালয়টির খ্যাতি ছড়িয়ে পরবে।

রুকাইয়া মিজান মিমি
শিক্ষার্থী, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ।

এগিয়ে যাক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

একটি নাম, একটি হৃদস্পন্দন, একটি অনুভূতি। হাজারো স্বপ্নের সারথীর, পথ পাড়ি দেওয়ার এক সোপান। হাজারো তরুণ-তরুণীর প্রতিদিনের রুটিন এই জগন্নাথ, এই শান্ত চত্ত্বর, এই কাঁঠাল তলা। মাত্র ৭.৫ একরের এই ছোট ক্যাম্পাসটি আমাদের। কিন্তু ভ্রাতৃত্বের বন্ধন হাজার হাজার একরের ক্যাম্পাসধারীদের চেয়েও অনেক অনেক বেশি এটি। বার বার অবহেলিত থেমে যায়নি জবি। সেই অবহেলাকেই করেছে শক্তিতে রুপান্তর, হয়েছে আত্মশক্তিতে বলীয়ান।

শাহীন আলম প্রিন্স

 

দেশের একমাত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় যার নেই কোনো হল তাও দমে যায়নি। এগিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, প্রতিবন্ধকতাগুলোকে আর্তচিৎকারে রুপ দিয়ে লিখেছি হাজারো রুপকথার গল্প যার এই মঞ্চ। এখান থেকেই তৈরি হয়েছে অসংখ্য মানুষ। দেখতে দেখতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ১৬ তে পদার্পন করেছে, অনেকটা পথ পাড়ি দিয়ে জগন্নাথ আজ শুধু একটা নাম না, জগন্নাথ এখন একটা রোল মডেল। বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে একটাই চাওয়া এভাবেই হাজারো স্বপ্নসারথীর সোপান হয়ে এগিয়ে যাক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

শাহীন আলম প্রিন্স
শিক্ষার্থী, ফার্মেসী বিভাগ।

আমার পরিচয় আমি গর্বিত জবিয়ান

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আমার কাছে একটা ভালোবাসা আর আবেগের নাম। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আমার প্রাণের স্পন্দন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্রী হতে পেরে আমি নিজেকে গর্বিত মনে করি। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার ইচ্ছেটা জেগেছিল মাধ্যমিক পরীক্ষার সময় থেকে। কোনো এক শীতের ঝরাপাতা হয়ে আমার আগমন ঘটেছিলো এর প্রাঙ্গণে। জবি যেন আমাকে বরণ করে নিয়েছিল পরম মমতায়। ইট পাথরের দেওয়াল ঘেরা নিষ্ঠুর এই নগরীতে জবি আমাকে দিয়েছিলো প্রাণের পরশ আর নির্ভরতার আশ্বাস।

সাঈমা আক্তার

 

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্নটা পূরণ হয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী হওয়ার মাধ্যমে। শিক্ষা জীবনের এক অন্যতম স্বর্ন উজ্জ্বল সময় পার করছি আর নামের পাশে যুক্ত হয়েছে আমি জবিয়ান। ক্রমবর্ধমান বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে যাচ্ছে। মূলত বিশ্ববিদ্যালয় দিবসটি প্রতি শিক্ষার্থীর কাছে আনন্দের ও গৌরবের দিন। শুভ জন্মদিন প্রিয় প্রতিষ্ঠান। শুভ হোক তোমাতে অধ্যয়নরত প্রতিটা শিক্ষার্থীর স্বপ্ন যাতে তোমায় চিনে সারা বিশ্ব। এগিয়ে যাক প্রাণের বিশ্ববিদ্যালয়। বেঁচে থাকুক জগন্নাথের আকাশে ঝলঝল করতে থাকা অপার সম্ভাবনাময়ী প্রতিটা গর্বিত জবিয়ান।

সাঈমা আক্তার
শিক্ষার্থী, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ।

হাজারো স্বপ্নের ঠিকানা জবি

জগন্নাথের ১৬ তম জন্মদিন এ যেনো হাজারো প্রাণের বেড়ে উঠার একটি দিন। বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্মদিন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া প্রতিটা শিক্ষার্থীদের জন্য এক আনন্দ ও প্রত্যাশাময় দিবস। ভালোবাসার আরেক নাম হলো জবি। ভাবতেই আবেগে আপ্লুত হই আমি একজন গর্বিত জবিয়ান। প্রতিবছর ২০ অক্টোবর জাকজমকপূর্ণভাবে দিনটি উদযাপিত হলেও গত করোনাকালীন সময়ে আনুষ্ঠানিকভাবে উদযাপন করা হয়ে উঠেনি। আশা রাখছি, এবছর আবারও দিনটি উদযাপিত হবে নানা উৎসবের আমেজে, নিত্য-নতুন নান্দনিকতায় বা সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে সঙ্গী করে।

নিপা রানী সাহা

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আমি হিসেবে প্রত্যাশা রাখছি অবকাঠামোগত ও আবাসিক সংকটসহ যাবতীয় প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বদরবারে প্রতিষ্ঠিত হোক নতুন আঙ্গিকে। সর্বদা শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত হোক, সমৃদ্ধ হোক গবেষণাক্ষেত্র। প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে জবি এগিয়ে চলুক অপ্রতিরোধ্য গতিতে। শুভকামনা নিরন্তর প্রাণের জবি। হাজারো স্বপ্নের ঠিকানা জবি অগ্রসর হোক আপন গতিতে।

নিপা রানী সাহা
শিক্ষার্থী, আইন বিভাগ।

শিক্ষার্থীদের পাঞ্জেরী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

প্রায় দেড়শ বছরের পুরোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তথা একটা স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে ওঠার নজির ইতিহাসে নেই বললেই চলে। বুড়িগঙ্গা নদীর তীর ঘেঁষে গড়ে ওঠা এই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়েছে গৌরবোজ্জল ও সমৃদ্ধ ইতিহাস। বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলন, ৬ দফা ও ১১ দফার আন্দোলন এবং উনসত্তরের গণঅভ্যুথান ও মুক্তিযুদ্ধসহ প্রতিটি আন্দোলনের ইতিহাসে জগন্নাথের রয়েছে অনস্বীকার্য অবদান। বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে রূপ নিতেও অনেক চড়াই-উৎরাই পার হতে হয়েছে এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির। পরবর্তীতে জাতীয় সংসদে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০৫ পাশের মাধ্যমে এটি পুর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হলেও জায়গা সংকুলান, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আবাসন সমস্যা, ক্লাস রুমের সংকটসহ নানা সংকটে জর্জরিত এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি।

শেখ শাহরিয়ার হোসেন

 

তবে এত সংকট থাকা সত্ত্বেও অর্জনের খাতায় প্রতিষ্ঠানটির রয়েছে অনেক প্রাপ্তির গল্প। ভাষা আন্দোলনে সর্বপ্রথম শহীদ ছাত্র রফিক উদ্দিন, প্রখ্যাত কথাশিল্পী ও চলচ্চিত্র পরিচালক জহির রায়হান, অভিনেতা এ.টি.এম.শামসুজ্জামান, ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেয়া সাঁতারু ব্রজেনদাস সহ আরো অনেক গুণী ব্যক্তিত্বের বিদ্যাপীঠ ছিলো আজকের এই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। দেশের সকল সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের লালনকারী প্রতিষ্ঠানরূপে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আপন মহিমায় সমুজ্জ্বল। শিক্ষা ব্যবস্থা সমৃদ্ধ হয়ে আরো অনেক গুণীজনের জন্মস্থান হোক প্রাণের এই বিদ্যাপীঠ, বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে এটাই প্রত্যাশা।

শেখ শাহরিয়ার হোসেন
শিক্ষার্থী, সমাজকর্ম বিভাগ।

সগৌরবে টিকে থাকুক প্রাণের বিদ্যাপীঠ

জীবনে যা কিছু আমাদের প্রাপ্তি, যা কিছু আমরা অর্জন করে থাকি তার সবকিছুর সাথেই বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগসূত্র থাকে। আর তাই প্রতিটি শিক্ষার্থীর অন্যতম স্বপ্ন থাকে স্বনামধন্য ও গৌরবময় কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের।কালের পরিক্রমায় উচ্চশিক্ষার জন্য দেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়। সেগুলোর মধ্যেই একটি হলো আমাদের প্রাণের বিদ্যাপীঠ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতিবছর বিশ্ববিদ্যালয় দিবস নিয়ে নানা উন্মাদনা থাকলেও গত বছর করোনা মহামারি কেড়ে নিয়েছিল সকল প্রফুল্লতা।

সিদরাতুল মুনতাহা

 

তবে এবছর আবারো প্রাণের বিদ্যাপীঠ নতুন সাজে মুখরিত হয়ে উঠবে, আবারো পূর্বের ন্যায় তৈরি হবে আনন্দঘন পরিবেশ। নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে আজ আমাদের বিদ্যাপীঠ দেশের প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর একটি, যেখানে আমরা হাজার হাজার শিক্ষার্থী বুকভরা স্বপ্ন নিয়ে পা রেখেছি। এই শিক্ষাঙ্গনকে আঁকড়ে ধরেই আমরা আমাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানোর স্বপ্ন দেখি। সকল বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে হাজারো বছর সগৌরবে টিকে থাকবে আমাদের প্রাণের শিক্ষাঙ্গন এবং সাফল্যের স্বর্ণশেখরে পৌঁছে যাবে এই প্রত্যাশা।

সিদরাতুল মুনতাহা
শিক্ষার্থী, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ।

চির অমর হোক প্রিয় ক্যাম্পাস জবি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ১৬ বছরেই প্রাপ্তির খাতাটা বেশ ভারী করে তুলেছে। প্রাণের এ বিদ্যাপীঠটি স্বমহিমায় উজ্জীবিত। পড়ালেখার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম সারিতে অবস্থান জবির। প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা নানা সাফল্য অর্জনের ধারাবাহিকতায় দেশ ও দেশের বাইরে ছড়িয়ে দিচ্ছে এর সুনাম। বিসিএস সহ সকল ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হয়ে সেবা দিয়ে যাচ্ছে জবি শিক্ষার্থীরা।

মাহমুদা আহমেদ মুক্তি

 

এছাড়াও বাংলাদেশের ক্রীয়াঙ্গন, রোবারিং, চলচ্চিত্রসহ সকল ক্ষেত্রেই রয়েছে জবি শিক্ষার্থীদের পদচারণা। ইতিহাসখ্যাত এই প্রতিষ্ঠানে পড়ার সুযোগ পেয়ে নিজেকে গর্বিত মনে করি। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেকটা নতুন বছরে আবর্তনের মধ্য দিয়ে একদিন পৌঁছে যাবে সাফল্যের শীর্ষে। সকল ধরনের সমস্যার সমাধান ঘটিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পরিণত হবে দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর রোল মডেল সেই প্রত্যাশা করছি। জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় কাটানোর সুযোগ হোক আমাদের প্রিয় ক্যাম্পাসে।

মাহমুদা আহমেদ মুক্তি
শিক্ষার্থী, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ।

ঢাকা, ২০ অক্টোবর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমজেড

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।