ক্যাস্পাসে ফেরার অনুভূতি


Published: 2021-10-13 15:56:08 BdST, Updated: 2021-10-24 06:48:12 BdST

প্রত্যেক ছুটির শেষ সময়ে প্রচুর মন খারাপ থাকে, স্মরণ পড়ে গ্রামের পরিবেশে কাটানো সুন্দর স্মৃতি। কিন্তু আঠারো মাস পর যেন এবারের ছুটির শেষ টা আনন্দের মাহেন্দ্রক্ষণ। চায়ের দোকানে আড্ডা, মাঠে বসে বাদাম চিবানো, সকালে নাস্তা না করেই ঘুম ঘুম চোখে ক্লাসে যাওয়া, ক্লাসের ফাকে গল্প করা। সবকিছুই যেন ফিরে পেয়ে অস্বাভাবিক তৃপ্তির ছোয়া পেয়েছি। না দেখা গাছ গুলো বেড়ে উঠেছে নিজ মহিমায়। সবুজ পাতা আর রং বেরঙের ফুলে ভরে উঠেছে প্রানের ক্যাম্পাস। মুখরিত হয়েছে শিক্ষার্থীদের পদচারনায়। তাই ক্যাম্পাসে ফেরার আনন্দ নিয়ে শিক্ষার্থীদের ভাবনা তুলে ধরেছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এর ক্যাম্পাস প্রতিনিধি ফরহাদ আলম

হাজারো স্মৃতির সাক্ষী এই ক্যাম্পাস, হল লাইফ, প্রতিটি পথ ঘাট, বৃক্ষরাজির সাথে যে মায়া জন্মে গেছে; সেই মায়া ছেড়ে করোনা মহামারীর জন্য যেদিন চলে যেতে হয়েছিল সেদিন ভাবতেও পারিনি প্রিয় ক্যাম্পাস ছেড়ে দেড় বছর থাকতে হবে। অবশেষে ১লা অক্টোবর যেদিন ক্যাম্পাসে ফিরে আসলাম, সেদিন মনে হলো বসন্তের স্নিগ্ধ প্রকৃতির স্পর্শে অবগাহন করে গত দেড় বছরের সকল হতাশা, নিঃসঙ্গতা নিমিষেই চলে গেলো। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি মুহূর্ত একজন শিক্ষার্থীকে জীবনের বাস্তবতাকে শেখায়, জীবনকে পরিপূর্ণ করতে শেখায়।

শাহ্ আশিক-আল-মাহবুব

 

কিন্তু পরিস্থিতির স্বীকার হয়ে সে জীবন থেকে দূরে সরে গিয়ে সবার মধ্যে যে হতাশা কাজ করেছিলো; আমি মনে করি বর্তমানে সেই অবস্থার কিছুটা হলেও পরিবর্তন এসেছে। হতাশাগ্রস্ত, দ্বিধাগ্রস্ত একটা প্রজন্মকে সঠিক পথে আনতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার সিদ্ধান্তটা যথেষ্ট সময়োপযোগী ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ ছিল। আমি প্রত্যাশা করি, ভ্যাক্সিন গ্রহণের পরও সবাই যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুক যার ফলশ্রুতিতে এমন মহামারী চিরতরে বিদায় নেয়। আর এটা সম্ভব হলেই আর কোন জীবন হতাশা আর আসক্তিতে পড়বে না এবং আবার আমরা আমাদের সুস্থ পৃথিবীতে ফিরে যেতে পারব ইনশাল্লাহ।

শাহ্ আশিক-আল-মাহবুব,
সভাপতি, শেকৃবি ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব।

সব প্রতীক্ষা, জল্পনা-কল্পনা কাটিয়ে আমার চিরচেনা ক্যাম্পাস পুনরায় প্রাণ ফিরে পেয়েছে—এটা যে কতটা আনন্দের বলে বোঝানো যাবে না।মনে হচ্ছে জীবনের প্রথম দিনে স্কুলে যাওয়ার সেই অনুভূতি নতুন করে ফিরে এসেছে।সবকিছু ছাপিয়ে ঘরবন্দি জীবন থেকে বেরিয়ে ক্যাম্পাসে ফেরার আকুতি ভীষণভাবে নাড়া দিল। ক্যাম্পাসে এসে তরুণ প্রাণে মুখর পরিবেশ সেই উচ্ছ্বাস যেন প্রাণ ছুঁয়ে দিয়েছে।

সেলিম রেজা

 

ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে সবার পদচারণা আর আনন্দময় সময়গুলো আবারও ফিরে পেয়েছি।বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস মানেই ভালোবাসা ও আবেগের একটি জায়গা। দম বন্ধ হয়ে যাওয়া জীবন থেকে মুক্তি পেয়ে এখন মুক্ত আকাশে পাখি হয়ে উড়তে পারব—এটা অসম্ভব ভালো লাগার। বন্ধুদের সঙ্গে গল্প, আড্ডায় মেতে উঠতে পারার আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না।ভাবতেই ভালো লাগছে, আবার শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়েছে প্রাণের ক্যাম্পাস। এখন শুধুই অপেক্ষা সুস্থ-সুন্দর পৃথিবীর। কবির ভাষায়- "ফিরে পাবে অপেক্ষায় জড়ানো প্রতিদিন, পূরণ হতে অপেক্ষায় হারানো কিছু ঋণ।"

সেলিম রেজা
শিক্ষার্থী, কৃষি অনুষদ।

দীর্ঘ বন্ধের পর প্রাণের ক্যাম্পাস এ ফিরে আসার অনুভূতি আমার কাছে ভাষায় প্রকাশ করার মত নয়। ফেরার এই অনুভূতি ঠিক অনেকটা ক্যাম্পাসের প্রথম দিনের মতই। করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘ দেড় বছর ধরে অনলাইনে কার্যক্রম চলছে তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই আমেজ ও পরিপূর্ণ শিক্ষা ব্যাবস্থা থেকে বঞ্চিত হই যদিও অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চলেছে নিয়মিত, কিন্তু সরাসরি ক্যাম্পাস থেকে জ্ঞান অর্জনের যে সুবিধা ও আনন্দ অনলাইনে সেটা পুরোপুরি পাওয়া যায় না।

মো. মেহেদী হাসান

 

ক্যাম্পাস বন্ধ থাকাকালীন সময়ে আমি মানুষিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলাম। কিন্তু খোলার পর এখন আমি উজ্জীবিত। এখন থাকবে না আর অনলাইনে পড়াশুনা। এখন ক্যাম্পাসে সরাসরি শিক্ষা অর্জনের সুযোগ পাচ্ছি, বন্ধু বান্ধবের সাথে আড্ডা দেওয়া, একসাথে পড়াশুনা করা এবং বিভিন্ন কাজে যুক্ত হয়ে নিজের দক্ষতাকে সমৃদ্ধ করার সুযোগ সত্যিই আমার কাছে অনেক আনন্দের।

মো. মেহেদী হাসান
শিক্ষার্থী, কৃষি ব্যবসা ব্যবস্থাপনা অনুষদ।

বাসায় দীর্ঘদিন ধরে পড়াশোনা, বন্ধু- বান্ধবী, নিজের মনের মতো বাঁধাহীন আশ্রয় ছেড়ে একটা ধরাবাঁধা লাইফের মাঝে বিরক্ত ছিলাম প্রায় সবাই। আর একরাশ অপেক্ষা কবে ক্যাম্পাসে ফেরা হবে সাথে ধোঁয়া ওঠা চায়ের সাথে প্রিয় বন্ধু বান্ধবীদের সাথে আড্ডা। প্রথম প্রথম খারাপ লেগেছিল,তবে পরবর্তীতে টিউশন-কোচিং নিয়ে অনেক ব্যস্ত সময়ই কাটিয়েছিলাম।যাইহোক,সময়টা একেবারে খারাপ কাটেনি।তবুও প্রাণের ক্যাম্পাসটাকে অনেক মিস করতেছিলাম।

মোঃ রবিউল ইসলাম রাকিব

 

সর্বোপরি, অপেক্ষার প্রহর শেষ হয়ে, সেই বহুল কাংখিত প্রানের ক্যাম্পাসে পা রাখলাম অক্টোবরে। ক্যাম্পাসে পা রেখেই অনেক ভালো লাগছে, মনে পরছে সেই ২-৩ মাস সময়।সেই পুরোনো বন্ধু-বড় ভাই, স্যার, ম্যাম, ক্যাম্পাস সবই ফিরে পেয়েছি আমি। সাথে গণরুমের জীবন, দলবেধে ক্যাম্পাস ঘোরা, বড় ভাইদের সাথে নিয়মিত দেখা করার মতো বিষয় গুলো আবার ফিরে পেয়েছি। এখন বেশ ইনজয় করি ক্যাম্পসের সবকিছু। সবকিছু মিলিয়ে সময়টা অনেক ভালো কাটছে। যদিও মাঝে মাঝেই, বাবা-মা, ছোট ভাইবোন ও এলাকার বন্ধুদের কথা মনে পড়ে অনেক খারাপ লাগে! তবুও প্রানের ক্যাম্পাসে কে মাতৃতুল্য ভেবে, যেহেতু এই ক্যাম্পাস আমার স্বপ্নের ক্যাম্পাস, সেহেতু সব মানিয়ে নিয়ে পরক্ষনেই মন ভালো হয়ে যায়, ক্যাম্পাসের খোলা হাওয়ায় আবার হারিয়ে যাই আমি। এই আছি, ভালো আছি, ভবিষ্যতেও সবাইকে নিয়ে ভালো থাকতে চাই!

মোঃ রবিউল ইসলাম রাকিব
শিক্ষার্থী, কৃষি অনুষদ।

অন্ধকারের বুক চিরে আলোর রেখা ফুটে উঠেছে,এত দিনের কালো মেঘের ওই আকাশটা আজ যেন আলোই আলোই আলোকিত।গেট দিয়া প্রবেশ করেই ওদের মিষ্টি মুখের হাসি, না আবেগে সবাই এসে জড়িয়ে ধরা যেন দূর করে দিয়েছে আমার এত দিনের সব বিষন্নতা।

তৌহিদ আহমেদ আশিক

 

প্যারিস রোডে আড্ডার সাথে আওয়ালের গিটারের তালে তুষার আর সেতুর ভাংগা গলায় ধরা গান, আমার দেওয়া বলে ওয়ালিদের করা গোল, রাত ১২ টার পরে হতাশার মোড়ে সাকলাইনের ভাংগা প্রেমের গল্প, পড়ার ফাঁকে চায়ের দোকানে চায়ের কাপে এক চুমুক,পরীক্ষার ওই মায়াজাল থেকে বাচতে খোঁজা আসীমকে, আজ যেন আমি আমার আমিকে খুঁজে পেয়েছি,ছোট মাছ যেন ফিরেছে আজ পুকুরে,সন্তান যেন ফিরেছে তার মায়ের কোলে।

তৌহিদ আহমেদ আশিক
শিক্ষার্থী, কৃষি অনুষদ।

জীবনের একটা বড় সময় পার করেছি ক্যাম্পাস জীবনের স্বপ্নকে বুকে লালন করে।একদিন তা পেয়েছিও।কিন্তু দীর্ঘ আকাঙ্ক্ষিত সেই ক্যাম্পাসের স্বাদ পেতে না পেতেই করোনা নামক ভাইরাসের ছোবলে তা যেন অঙ্কুরেই বিনষ্ট হয়ে গেল। এরপর শুরু হল অপেক্ষার প্রহর। একদিকে ক্যাম্পাসের স্বপ্নছোঁয়া হাতছানি, অন্যদিকে পরিবারের বাস্তবতা দুই পরিস্থিতির মাঝে আমার টালমাটাল অবস্থা, কারণ আমি যে মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলে। কখনও শুনেছি, "এত পড়াশোনা কইরা কি হইব, বাপের লগে কামলা খাট কাজে লাগমু।" কখনও মানুষের বিষাক্ত ভাষা এতটাই আঘাত করেছে যে আর মাঝে মাঝে মনে হত পড়াশোনাই করব না। মা বলত, "বাবা, মানুষ একদিন বুঝমু, তুই হাল ছাড়িস না।"

মেহেদি হাসান নাঈম

 

উইলিয়াম ফল্কনার বলেছিলেন "অবশ্যই অপেক্ষার প্রহর শেষ হবে যদি কেউ সঠিক সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারে।" আমার অপেক্ষার প্রহর ও শেষ হয়েছে,মনে হয় আমি শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পেরেছি। নতুন করে যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছি। ঢাকার বুকে ছোট্ট গ্রামে আমার মত নগণ্য মানুষের পদধুলি আমার ক্যাম্পাসকে হয়ত রোমাঞ্চিত করবে না, কিন্তু তাতে কী? সেতো আমাকে রোমাঞ্চিত করেই চলেছে। এতো সেই ক্যাম্পাস যার কোলে ফেরার তীব্র আশায় শত কষ্টকে, শত কথাকে, শত আঘাতকে কবর দিয়েছি। মানুষের অনুভূতি একরকম বিষয়, সেটা ভাষায় প্রকাশ করা আরেকরকম। তাই তো অক্ষর দিয়ে আমার ক্যাম্পাসে ফেরার সেই অনুভূতিকে ছোট করতে চাইনা। এটা না হয় আমার হৃদয়ের মাঝেই থাকুক।

মেহেদি হাসান নাঈম
শিক্ষার্থী, কৃষি অনুষদ।

করোনা প্রকোপের কারণে দীর্ঘ প্রায় ১বছর ৬ মাস ক্যাম্পাস বন্ধ ছিলো। এই সময় টাকে আসলেই ঢাকার বুকে ছোট্ট একটা গ্রাম ৮৭ একরের শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে অনেক মিস করতাম। সাথে ভার্সিটির বন্ধু ও বড় ভাইদেরকেও মিস করতেছিলাম। দীর্ঘ এই সময় শুধু অপেক্ষার প্রহর গুনছিলাম কবে আবার ক্যাম্পাসে যাবো বন্ধুদের সাথে একসাথে বসে ক্লাস করবো, আড্ডা দিবো, ঘুরবো।

মেজবাউল আলম খান

 

অবশেষে ক্যাম্পাসে আসার পরে ৮৭ একরের সৌন্দর্য দেখতে পেরে আসলেই আমি মুগ্ধ এবং বন্ধুদের সাথে ক্যাম্পাসে বসে ক্লাস করতে সাথে আড্ডা দিতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। আস্তে আস্তে ক্যাম্পাস ও তার আগের রুপ ফিরে পাচ্ছে দেখেও অনেক ভালো লাগতেছে। সত্য বলতে আমি আসলেই অনেক খুশি ক্যাম্পাসে ফিরতে পেরে।প্রথম ক্যাম্পাসে এসেও এত আনন্দিত হয়েছিলাম না যেটা এইবার ক্যাম্পাসে ফিরতে পেরে হয়েছি।

মেজবাউল আলম খান
শিক্ষার্থী, কৃষি অনুষদ।

বৈশ্বিক করোনা মহামারির কারণে প্রায় ১৯ মাস ধরে সোনালি জীবনের পথ চলা স্তব্ধ হয়ে ছিলো। অবশেষে প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ধীরে ধীরে খুলতে শুরু করেছে সবুজ ক্যাম্পাসগুলো; সেই সাথে খুলেছে ঢাকার বুকে সবুজ ছোট্ট গ্রাম খ্যাত প্রিয় শেকৃবি ক্যাম্পাস। হলে উঠতে পেরে আমরা এতটাই আনন্দিত, যা বড় কোনো উৎসবের আনন্দকে হার মানাবে। দীর্ঘদিন পরিবারের সবার সঙ্গে অবস্থান করে ক্যাম্পাস ফিরতে একদিকে যেমন উচ্ছ্বাস কাজ করেছে অন্যদিকে এই দীর্ঘদিনের পরিবারের মায়া ছেড়ে ক্যাম্পাসের পথে রওনা হতে হয়তো চোখ ভিজে গিয়েছে। কিন্তু অতিপরিচিত সেই ক্যাম্পাসে পা রাখতেই দেখা মেলে রুমমেট, হলমেট, সিনিয়র আর সেই প্রাণপ্রিয় বন্ধুগুলোর মিলনমেলা।

শফিকুল ইসলাম সিয়াম

 

দীর্ঘ দিন পর সেই বন্ধু-বান্ধবদের সাথে হাসি তামাশা আড্ডায় মেতে উঠা, ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পয়েন্টে ঘুরে বেড়ানো, একসাথে চা ফুচকা খাওয়া আর সাথে করোনা কালীন সময়ে বিভিন্ন জনের নানান রকম অভিজ্ঞতা শেয়ার করা এ যেন বহু দিন পরে এক বিশাল মিলন মেলা। ক্যাম্পাসের নব নির্মিত টিএসসির সৌন্দর্যে আমরা অবাক হয়েছি; প্রিয় ক্যাম্পাস যেন নতুন রূপ পেয়েছে; সবুজে ভরপুর হয়ে উঠেছে চারপাশ। দিনশেষে আমি একজন শিক্ষার্থী, শিক্ষাঙ্গন আমার আসল ঠিকানা। সেই ঠিকানায় ফিরতে পারার আনন্দ নিঃসন্দেহে বাবুই পাখির হারিয়ে যাওয়া আপন হাতে বোনা বাসাটা খুঁজে পাওয়ার চাইতে অনেক বেশি আনন্দের। ঢাকার বুকে সবুজ ছোট্ট ৮৭ একরের ক্যাম্পাসটি আজ প্রাণ ফিরে পেয়েছে। "পড়ন্ত বিকেলে ক্লাবগুলোর আড্ডা; নাট্যচর্চা, ভাষাচর্চা, বাঁশির সুর আর নৃত্যের ঝংকার, হাতে ক্যামেরা,চোখে স্বপ্ন নিয়ে ফটোগ্রাফারদের নতুন উদ্যমে চলার মাধ্যমে প্রিয় ক্যাম্পাস আরো মুখরিত হয়ে উঠুক এমনটাই প্রত্যাশা"।

শফিকুল ইসলাম সিয়াম
শিক্ষার্থী, কৃষি অনুষদ।

করোনার প্রাদুর্ভাবে বাসায় বসে দিনগুলো অতিষ্ট হয়ে যাচ্ছিলো! দিনগুলো যখন অসহনীয় হয়ে উঠছিলো পরীক্ষার সুবাদে ক্যাম্পাস খোলার খবর ছিলো ঈদ আনন্দের মতো! পরীক্ষাভীতি রেখে প্রিয় ক্যাম্পাসে আবার ফিরে আসবো সেই আনন্দই ছিলো মুখ্য! দেড় বছর পর বাড়ি ছেড়ে আবার নতুন করে ক্যাম্পাসে আসার মুহুর্তটা ছিলো প্রথম দিনের মতোই, অনেক বেশি আনন্দিত হয়ে ক্যাম্পাসে পা দেই! প্রিয় মুখগুলোর সাথে অনেকদিন পরে সাক্ষাত!

ফয়সাল আহমেদ বাধন

 

সব কিছুতেই খুঁজে পেয়েছিলাম হারিয়ে যাওয়া আনন্দ! সময়ের ব্যাবধানে আর কঠিন বাস্তবতায় অনেক কিছুই পালটে গেছে! কিন্তু প্রিয় ক্যাম্পাসে আবার ফিরে আসতে পারার আনন্দটা প্রথম দিনের স্কুলে যাওয়ার আনন্দের চাইতে কোনো অংশেই কম ছিলোনা!

ফয়সাল আহমেদ বাধন
শিক্ষার্থী, কৃষি অনুষদ।

ঢাকা, ১৩ অক্টোবর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমজেড

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।