অনলাইন ক্লাস নিয়ে কি ভাবছে জবি শিক্ষার্থীরা


Published: 2020-07-02 16:13:54 BdST, Updated: 2020-08-06 15:57:57 BdST

করোনা ভাইরাস! এক অদৃশ্য শত্রুর নাম। এই অদৃশ্য শত্রুর বিরুদ্ধে আজ লড়ছি আমরা সকলে। করোনাকে পরাজিত করতে লকডাউন সহ নানা ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে সারা বিশ্ব। অনেক দেশে এবং বাংলাদেশেও লকডাউন তুলে নিয়ে খুলেছে অফিস আদালত। বন্ধ রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বিশ্বের উন্নত অনেক দেশসমূহে শুরু হয়েছে অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে পাঠদান। বাংলাদেশেও অনেক জায়গায় অনলাইন ক্লাস নেওয়া শুরু হলেও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অনলাইন ক্লাস নিয়ে শিক্ষার্থীরা ভিন্ন মতামত পোষন করছেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অনলাইন ক্লাস নিয়ে কি ভাবছে সেই কথা জানাচ্ছেন মুজাহিদ বিল্লাহ

আরমান হাসান, গনযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ:
ক‌রোনা ভাইরাস যে‌হেতু দিন‌ দিন বেড়েই চল‌ছে; আর সময় শিক্ষার্থীরা পড়া থে‌কে বি‌মূখ হ‌য়ে যা‌চ্ছে। তাই আ‌মি ম‌নে ক‌রি অনলাই‌নে ক্লাস করাটা এখন সম‌য়ের দা‌বি। এ‌তে শিক্ষার্থীরা কিছুটা হ‌লেও পড়ার দি‌কে মন দি‌বে। ত‌বে সকল শিক্ষার্থীর অনলাইন ক্লা‌সে অংশগ্রহন নি‌শ্চিত কর‌তে হ‌বে। এই জন্য যেসব শিক্ষার্থী‌দের ল্যাপটপ বা স্মার্ট ফোন নেই তা‌দের তা‌দের জন্য সরকা‌রি ভর্তু‌কির মাধ্য‌মে স্মার্ট ফো‌ন আর সকল শিক্ষার্থীর জন্য ফ্রি ইন্টার‌নেটের ব্যবস্থ‌া ক‌রে দি‌বে হ‌বে।

মারুফ হাসান, রাষ্টবিজ্ঞান বিভাগ:
বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসে স্থবির পুরো বিশ্ব। সংক্রমণ ঠেকাতে তাই বন্ধ রয়েছে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। দীর্ঘদিনের এই বন্ধের কারণে শিক্ষা কার্যক্রম হচ্ছে ব্যাহত তাই শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখতে নেওয়া হয়েছে অনলাইন ক্লাস এর উদ্যোগ। নিঃসন্দেহে এই উদ্যোগ প্রসংশাযোগ্য ও ভালো সিদ্ধান্ত। কিন্তু এই কার্যক্রম সফল করতে বেশ কিছু বিষয় নিয়ে ভাবতে হবে প্রশাসন কে। যেহেতু বেশিরভাগ ছাত্রছাত্রী এখন নিজ গ্রামে অবস্থান করছে সেহেতু প্রয়োজনীয় ইন্টারনেট সংযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে প্রশাসন কে। সেই সাথে একটি অংশগ্রহণমূলক ক্লাস নেওয়ার জন্য সকল শিক্ষার্থীদের উদ্ভুদ্ধ করতে হবে, যেনো শতভাগ শিক্ষার্থী ক্লাসে অংশগ্রহণ করেন।

সানাউল্লাহ ফাহাদ, গনযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ:
র্বতমান দেশের প্রযুক্তিব্যবস্থা বিবেচনায় আনলে অনলাইনে ক্লাস বাস্তবায়ন একটি বড় চ্যালেঞ্জ। কেননা, এর জন্য যে টেকনিক্যাল সাপোর্ট প্রয়োজন, সেটি হয়তো সব শিক্ষার্থীদের নেই। বিশেষ করে, দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে যেসব শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করেন, তাদের মধ্যে অনেকেই মধ্যবত্তি-নিম্নবিত্ত ও গ্রামাঞ্চলের।

দেশে এখনও অনেক প্রত্যন্ত অঞ্চল আছে যেখানে নেটওয়ার্কের পর্যাপ্ত সুযোগ নেই। ৪জি যুগে বাংলাদেশে এখনও কিছু গ্রাম আছে যেখানে নেটওয়ার্ক সংযোগ যথেষ্ট না। ‘Out of service area’, ‘Mobile network is not available’ অবস্থার নেটওয়ার্কে থাকা গ্রামে ২জি, ৩জি তো পূর্ণিমার চাঁদ, ৪জি কল্পনাতীত। তাদরে কাছে অনলাইনে ক্লাস যেন বিলাসিতার সামিল। কেননা অনলাইনে ক্লাস করতে হলে উচ্চগতি সম্পন্ন ইন্টারনেট, ভালো স্মার্ট ফোন, কম্পিউটার বা ল্যাপটপ প্রয়োজন।

কিন্তু আমাদের দেশের মোবাইল অপারেটর ও তাদের নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট সেবার মানও উন্নত বিশ্বের মত ভালো নয়। এমতাবস্থায় এসব এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইন ক্লাস যথেষ্ট কষ্টসাধ্য হবে। আমি মনে করি, বিষয়টি আরও ভেবে দেখা উচিত।

আশিকুর রহমান, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ:
বাংলাদেশের করনা পরিস্থিতি দেখে বোঝাই যাচ্ছে শিগগিরই ক্যাম্পাসে ফেরা হচ্ছেনা আমাদের। এতো বড় একটা সময় লেখাপড়া থেকে দূরে থাকা এছাড়া সেশনজট থেকে বাঁচতে আমাদের একমাত্র আশার আলো অনলাইন ক্লাস। তবে এই ক্ষেত্রে আমাদের শিক্ষার্থীদের কিছু বিষয় নিশ্চিত করতে হবে, যেমনঃ ভালো নেটওয়ার্ক, ডিভাইস ইত্যাদি।
উক্ত বিষয় নিশ্চিত করা গেলে আমরা অবশ্যই অলস সময়কে কাজে লাগাতে অনলাইন ক্লাসের পক্ষে আছি।

আল আমিন,গনিত বিভাগ:
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থীইও নিন্ম মধ্যবিত্ত ঘরের সন্তান। সবার মতো আমার কাছেও অনলাইনে ক্লাসের প্রয়োজনী জিনিসপত্র নেই। তাছাড়া গ্রামে ইন্টারনেটের যে অবস্থা,এর মধ্যে কথা বলতে সমস্যা হয়। এ অবস্থায় অনলাইনে ক্লাস করা মোটেও আমার পক্ষে সম্ভব না।

আলী আকবর রাফি, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ:
বর্তমানে করোনা পরিস্থিতির জন্য সারাবিশ্বের শিক্ষা ব্যাবস্থা একরকম বন্ধ হয়ে আছে। শিক্ষা ব্যবস্থা সচল রাখতে অনলাইন ক্লাস পদ্ধতি একটি সফল উদ্যোগ বলা যায়, কিন্তু উন্নত বিশ্বের দেশগুলোর মতো তা বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ঠিক কতটা কার্যকরী হবে তা অবশ্যই ভাবতে হবে।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে অনলাইন ক্লাসের সুবিধা পাবে কতজন শিক্ষার্থী সেটা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। বর্তমান সময়ে শিক্ষার্থীদের একটা বড় অংশ গ্রামে বসবাস করছে, গ্রামের এমন অনেক অঞ্চল রয়েছে যেখানে ইন্টারনেট সংযোগ পাওয়া দূরহ ব্যাপার। আবার সেই সাথে সকল শিক্ষার্থীর পারিবারিক অবস্থা, মানসিক অবস্থা সম্পর্কে আমরা অবগত নই যে তারা প্রকৃত পক্ষে অনলাইন ক্লাস করতে সক্ষম কিনা।

করোনার এই কঠিন সময়ে অনেক শিক্ষার্থী তাদের স্বজনদের হারাচ্ছে সেই সকল শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাস করার মতো মনমানসিকতা তৈরি করা প্রায় অসম্ভব। এরূপ অসংখ্য অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটছে অসংখ্য শিক্ষার্থীদের সাথে। দেশের খুব কম সংখ্যক শিক্ষার্থী অনলাইন ক্লাসের সাথে যুক্ত হতে পারলেও অধিকাংশ শিক্ষার্থী অনলাইন ক্লাস থেকে বঞ্চিত হবে।

যার ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও দেখা দিবে শ্রেণি বৈষম্যের। এমন অনেক শিক্ষার্থী রয়েছে যারা ইচ্ছা থাকা সও্বেও পর্যাপ্ত ডিভাইস এবং অর্থ সংকটের ফলে অনলাইন ক্লাসে যুক্ত হতে পারবে না। অনলাইন ক্লাসের সুফল শুধু মাত্র শহরের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে পাওয়া সম্ভব কিন্তু গ্রামীণ অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা এক্ষেত্রে পিছিয়ে পরবে, দেখা দিবে বৈষম্য।

অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে সাময়িক ভাবে শিক্ষা কার্যক্রম চালালেও উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে সকল শিক্ষার্থীদের সমান গুরুত্ব দিতে ব্যর্থ হবে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করলে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে অনলাইন ক্লাস পদ্ধতি শিক্ষা ক্ষেত্রে তেমন কোনো সুফল বয়ে আনতে সক্ষম হবে না বলে আমি মনে করি।

নবী হোসেন, জিওগ্রাফি ও এনভায়রনমেন্ট বিভাগ:
গত মার্চ মাসে বাংলাদেশে প্রথম করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী ধরা পড়ে। মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশে লকডাউন শুরু হয়। ইতিমধ্যে লকডাউনের আড়াইমাস চলে গেছে।আর এই সময়ের মধ্যে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে এবং পারিপ্বার্শিক অবস্থার এসেছে অনেক পরিবর্তন। আমরা যাঁরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি আমাদের কোনো হল নেই। তাই আবাসনের জন্য আমাদের মেসের উপর নির্ভর করতে হয়।

মেসের খরচ যোগানের জন্যই আমাদের নির্ভর করতে হয় টিউশনি এবং পার্টটাইম জবের উপর। করোনাকালে তাও বন্ধ। এমতাবস্থায় মেস ভাড়ার খরচ যোগানোই আমাদের পক্ষে অসম্ভব হয়ে দাড়িয়েছে।এখন যদি অনলাইন ক্লাস শুরু হয় তার জন্য একটা আলাদা অনলাইন খরচ প্রয়োজন যা যোগানো আমাদের সবার পক্ষে সম্ভব হবে কি তার কোনো নিশ্চয়তা আদৌ নেই।

তাছাড়া সবার হাতে ভালো স্মার্টফোন বা ল্যাপটপ নেই। হয়তো গুটিকয়েকের আছে। আর আমরা যারা গ্রামে থাকি সেখানে কোনো উচ্চগতির ইন্টারনেট নেই। তাই এমতাবস্থায় অনলাইন ক্লাস শুরু হলে মনে হয় না ক্লাসে অংশগ্রহণ করতে পারবে সবাই।

তাই এই বিষয়টা নিয়ে খুব চিন্তায় আছি।নিয়মিত ক্লাসে অংশগ্রহণ করতে না পারলে পরিক্ষায় কি হবে??? আর ভাবতে পারতেছি না। তাই সরকার বা বিশ্ববিদ্যালয় প্রসাশন হতে সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত আমাদের সবারই কাম্য।

এহসান আহমেদ অন্ত, বাংলা বিভাগ:
করোনাকালীন সময়ে যে যেখানেই আছেন আশা করি ভালো আছেন, সুস্থ আছেন। যারা নিজের জীবনের পরোয়া করেন না.. তারা অন্তত পরিবারের কথা ভেবেও ঘরে থাকুন...।

করোনাকালীন সময়ে প্রায় সাড়ে তিন মাসেরও অধিক সময়ে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার কতোটা ক্ষতি হয়েছে সেটা কল্পনাই করা যায় না..। পড়ালেখার এই ক্ষতিপুরণ কিছুটা পুষিয়ে নেওয়ার জন্য হলেও আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো "অনলাইন ক্লাস" কার্যক্রম শুরু করতে চাচ্ছে.. আমি বলবো এটা অত্যন্তই সময়পযোগী সিদ্ধান্ত।আমি ঢাকায় আছি...

আশা করি অনলাইন ক্লাস কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে আমার কোনো সমস্যা হবে না।কিন্তু নিজের কথা ভাবলেই তো আর চলবে না।আমার অধিকাংশ সহপাঠীই নিজ নিজ গ্রামে অবস্থান করছে..।আমরা এটাও ভালো করে জানি যে, গ্রামের ইন্টারনেট সার্ভার কানেকশন শহরের মতো এতো পাওয়ারফুল নয়..।

এরফলে আমার অধিকাংশ সহপাঠীরাই নানান সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। এছাড়াও ভিডিও কনফারেন্সে স্লো সার্ভারের কারণে শিক্ষকদের কথা ক্লিয়ারলি শোনা নাও যেতে পারে। যার ফলে অনলাইন ক্লাসে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার মনযোগ ব্যাঘাত ঘটবে।

তাই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে আমার একটাই অনুরোধ, সবার সমস্যার কথা চিন্তা করে এমন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করুন যাতে করে সবারই মঙ্গল সাধন হয়..। ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন।

অভিষেক সাহা,দর্শন বিভাগ:
এতদিন বন্ধের মাঝে থেকে অবশ্যই সকল শিক্ষার্থী ই পিছিয়ে পড়ছে এবং সেশনজটে পরার ও সম্ভাবনা আছে। আমরা হয়ত অনেকে আগ্রহী ও আছি কিন্তু চাইলেই এই অনলাইন ক্লাস করা আমাদের সবার পক্ষে সম্ভব না। আমাদের বেশির ভাগ শিক্ষার্থীরাই গরিব মেধাবি। এমন অনেক বন্ধু আছে যাদের মোবাইলে নেটওয়ার্ক পাইতে গেলেই ৪-৫ কি.মি. দূরে যায়তে হয়।

আর সেখানে তাদের পক্ষে ইন্টারনেট এর ব্যবস্থা পাওয়া দু:সাধ্য ব্যাপার। আর যেহেতু ক্লাস এর ব্যবস্থা করা মানে সবার সমান সুবিধা পাওয়া। সবার এই ইন্টারনেট এর সমান সুবিধা না করা গেলে অনলাইন ক্লাস একটা বৈসাম্য ই সৃষ্টি করবে শুধুমাত্র। সুতরাং এটা বলা যায় যে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা না করে অনলাইন ক্লাস চালু করা মানে শিক্ষার্থীদের হয়রানি ছাড়া কিছুই নয়।

এ ব্যাপারে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ভিসি প্রফেসর ড. মীজানুর রহমান বলেন, "আমরা বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরি কমিশন এ ব্যাপারে মিটিং করেছি। ছাত্রদের অনেকের ডিভাইস নেই,নেটওয়ার্ক সমস্যা এইসব সমাধানের ব্যাপারে সরকার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সাথে কথা আলোচনা করছে।

আমাদের জবির শিক্ষকরা মিলেও আগামীকাল একটি মিটিং করব। অনলাইন ক্লাস হলে সেই ক্লাসের ভিডিও ইউটিউবে দেওয়া থাকবে যারা ক্লাসে অংশগ্রহন করতে পারবেনা তারপর তারা সেখান থেকে দেখে নিবে। এর পর যখন বিশ্ববিদ্যালয় খুলবে তখন পরীক্ষা নেওয়া হবে।"

ঢাকা, ০২ জুলাই (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমজেড

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।