ঢাবি: ৩য় বর্ষে পদার্পন করল বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ


Published: 2020-02-17 18:50:41 BdST, Updated: 2020-03-31 16:02:19 BdST

ঢাবি লাইভঃ কোটা সংস্কারকে কেন্দ্র করে গরে উঠা বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ আজ ৩য় বর্ষে পদার্পন করেছে। ২০১৮ সালে ১৭ ফেব্রুয়ারির এই দিনে প্রতিষ্ঠা হয়েছিল সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদ।

প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী বটতলায় জড়ো হয় সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। ২য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে সংগঠনটির নাম সংক্ষেপ করে ‘বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ’ রাখা হয়েছে। একইসঙ্গে সংগঠনের শ্লোগান করা হয়েছে শিক্ষা, অধিকার ও প্রগতি।

সোমবার বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী বটতলায় বেলুন উড়িয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়। এরপর কেক কেটে আনন্দ র‍্যালি নিয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করেন তারা।

প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি এবং সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক নুরুল হক নুর, আহবায়ক হাসান আল মামুন, যুগ্ম আহবায়ক মো.রাশেদ খান, যুগ্ম আহবায়ক ফারুক হাসান, ঢাবি শাখার সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেন। তাছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যায়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও নারায়ণগঞ্জ শাখার নেতাকর্মীরা।

সংগঠনের লিখিত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পাঠ করেন সংগঠনের আহবায়ক হাসান আল মামুন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেন।

সংগঠনটির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যগুলো হলো:
১. দলীয় দাসত্ব ও লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতি পরিবর্তে সাধারণ ছাত্রদের অধিকার আদায়ে কাজ করা।

২.অন্যায় অনিয়ম ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকে যৌক্তিক ও ন্যায়সংগত অধিকার আদায়ে কাজ করা।

৩.সমাজ, সংস্কৃতি ও শিক্ষামূলক কর্মকান্ডের মাধ্যমে গুণগত পরিবর্তন সাধন করা।

৪.মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাম্য,মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় একটি গনতান্ত্রিক রাষ্ট্র বির্নিমানে কাজ করা।

৫.একটি শিক্ষিত জ্ঞানভিক্তিক, সাম্য ও গনতান্ত্রিক, সাম্য ও সমতা ভিক্তিক উৎপাদন ও কর্মমুখী রাষ্ট্র গঠনে ভূমিকা পালন করবে।

ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুর বলেন, এ সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে গণমানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে। আমরা চাই বর্তমানে বাংলাদেশে ছাত্র রাজনীতির নামে শিক্ষাঙ্গন গুলোতে যে সন্ত্রাসের দখলদারত্ব চলছে, সেখানে সাধারণ শিক্ষার্থীরা বা ক্ষমতাসীন দলের বাইরের কেউ কথা বলতে ভয় পায়।

তিনি বলেন, আমরা চাই ষাটের দশক কিংবা সত্তরের বা আশির দশকে ছাত্র সংগঠনগুলো যেমন একটি গণকল্যানমূখী ছাত্র সংগঠন ছিল, সেরকম একটি সংগঠন হিসাবে জনমানুষের কাছে তুলে ধরতে চাই।

তিনি বলেন, নব্বইয়ের দশকের পরবর্তীতে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতো সুপরিকল্পিতভাবে ছাত্র সংসদ নির্বাচনগুলোকে বন্ধ করে, অর্থ পেশীশক্তি নির্ভর একটি সন্ত্রাসী ছাত্র রাজনীতির নামে অপরাজনীতি চালু করেছে। সে কারনে ক্যাম্পাসগুলো একটি মিনি ক্যানটোনমেন্টে পরিণত হয়েছে।

ঢাকা, ১৭ ফেব্রুয়ারি (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমজেড

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।