‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রসঙ্গে ঢাবির মন্তব্য


Published: 2018-10-21 15:20:42 BdST, Updated: 2018-11-22 17:08:16 BdST

ঢাবি লাইভ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় গত ১২ অক্টোবর। পরীক্ষা চলাকালীন প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় সহ সারা দেশে প্রতিবাদের ঝড় উঠে। গত ১৬ অক্টোবর ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী, অভিভাবকমহলে শুরু হয় তোলপাড়।

জনমনে সৃষ্ট কতিপয় সংশয় ও বিতর্ক নিরসনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টদের সদয় অবগতির জন্য কতিপয় তথ্য প্রকাশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার কতৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয় গুলো অবগত করেছেন জনসংযোগ দপ্তর।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রসঙ্গে প্রশাসনের পাঠানো প্রেস বিজ্ঞিপ্তির মন্তব্য গুলো তুলে ধরা হলো, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি কর্তৃক ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা একটি প্রথাসিদ্ধরীতি।

ভর্তি পরীক্ষার প্রধান সমন্বয়কারী সংশ্লিষ্ট ডিন কর্তৃক সকল কার্যাবলি সমাপনান্তে প্রস্তুতকৃত ফলাফল ভিসিকে হস্তান্তর করার পর ‘কেন্দ্রীয় অনলাইন ভর্তি কমিটি’ সেটি নিরীক্ষা করে। এরপর ভিসি সংশ্লিষ্টদের নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন মাত্র। ‘ঘ’ ইউনিটের ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে।

ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের ক্ষেত্রে যেহেতু প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে তাই ভিসি অবিলম্বে প্রো-ভিসি (প্রশাাসন) কে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। কমিটির প্রতিবেদন গত ১৫ অক্টোবর হস্তগত হয়। প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর প্রতিবেদনে পরিবেশিত ‘পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ’ এবং ‘সুপারিশ’ মোতাবেক গত ১৬ অক্টোবর ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ পাওয়ার পর সত্য উদঘাটন ও দোষীদের আইনের আওতায় আনায়নের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, সাংবাদিক ও গোয়েন্দা সংস্থার সহযোগিতা নিয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযুক্ত ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গধহণের জন্য শাহবাগ থানায় গত ১৩ অক্টোবর মামলা রুজু করা হয়। ইতোমধ্যে ৬ জনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

গত ১৬ অক্টোবর ফলাফল ঘোষণাকালে আরও বলা হয় যে, ‘ঘ’ ইউনিটের প্রধান সমন্বয়কারী ডিন ভর্তি কার্যক্রম গ্রহণের প্রাক্কালে ফলাফল নিরীক্ষা, বিশ্লেষণ ও পর্যালোচনা করবেন। কোন ব্যত্যয় অসঙ্গতি পরিলক্ষিত হলে ববস্থা নিবেন এবং বৃহত্তর কোন সিদ্ধান্তের প্রয়োজন হলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিকট সুপারিশ প্রদান করলে সে আলোকে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, বস্তুত: উপরের ক্রমিক ৪-এ বর্ণিত প্রক্রিয়াটি শুরু হওয়ার সাথে সাথেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি যখন একটি আন্তর্জাতিক সেমিনারে তুরস্কের ন্তানবুলে অবস্থান করছেন তখন অনাকাঙ্খিত সংশয় ও বিতর্কের উদ্ভব ঘটল।

অভিযোগের বিষয়ে প্রকৃত সত্য উদঘাটন, দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনয়নসহ আইনসঙ্গত, যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বিশ্ববিদ্যালয় পুনরায় তার আন্তরিক সদিচ্ছা ব্যক্ত করছে। এ ব্যাপারে সকলের সদয় সহযোগিতা কামনা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

 


ঢাকা, ২১ অক্টোবর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমআই

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।