দ্বিতীয় দফা রিমান্ডে ছাত্র অধিকার পরিষদের ১২ নেতাকর্মী


Published: 2021-04-20 12:04:32 BdST, Updated: 2021-05-10 01:56:02 BdST

লাইভ প্রতিবেদক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের নেতৃত্বাধীন ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদের ১২ নেতাকর্মীকে দ্বিতীয় দফায় দুই দিন করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রাজধানীর শাহবাগ থানার পৃথক দুই মামলায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবদাস চন্দ্র অধিকারী শুনানি শেষে (ভার্চুয়ালি) রিমান্ডের এ আদেশ দেন। মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখা থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

সূত্র জানায়, গত ১৯ এপ্রিল শাহবাগ থানার বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক বিন ইয়ামিন মোল্লা, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ক্রীড়া সম্পাদক আরেফিন হোসেন ও তাওহীদুল ইসলাম শিপনের পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) রমনা জোনাল টিমের উপ-পরিদর্শক শাহজাহান মিয়া।

অপরদিকে, ঢাকা মেডিকেল থেকে আবুল কালাম আজাদ নামে এক আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে শাহবাগ থানায় করা মামলায় ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক রবিউল হাসান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম আহ্বায়ক আল আমিন, ঢাকা মহানগর উত্তরের যুগ্ম আহ্বায়ক সজল ও ঢাকা কলেজ শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক নজরুল করিম সোহাগকে গ্রেপ্তার দেখানোসহ ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম খান। একই মামলায় গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার আসাদুজ্জামান, মোমিন আকন্দ, আরিফুল ইসলাম, শিপন ও রোকেয়া জাবেদ মায়াকে গ্রেপ্তার দেখানোসহ সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়।’

এ সময় আসামিপক্ষে আইনজীবী সিরাজুল ইসলামসহ আরও অনেকে রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক নিজাম উদ্দিন জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক প্রত্যেক আসামির দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

শুনানির সময় কেরাণীগঞ্জ ও কাশিমপুর কারাগার থেকে আসামিদের ভার্চুয়ালি উপস্থিত দেখানো হয়।

ঢাকা, ২০ এপ্রিল (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমজেড

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।