বড় কর্মকর্তার আর্শিবাদ পেয়ে বহাল তবিয়তে প্রদীপ! (ভিডিও)


Published: 2020-08-10 19:39:49 BdST, Updated: 2020-09-30 22:39:28 BdST

লাইভ প্রতিবেদক: টেকনাফের সাবেক ওসি প্রদীপ কুমারের বিরুদ্ধে নানা অপকর্মের চিত্র ফুটে উঠেছে। স্পস্ট হয়ে আসছে ক্রসফায়ারের নামে হত্যাকাণ্ডের নানা চিত্র। প্রদীপ কুমার দাশের ঘুষবাণিজ্য ও লুটপাটের হাতিয়ার ছিল কথিত বন্দুকযুদ্ধের নামে ক্রসফায়ার। ইয়াবার এ প্রবেশদ্বার টেকনাফে ক্রসফায়ারের রেকর্ড সৃষ্টি করেছেন পুলিশের এই সাবেক ওসি।

জানা গেছে, ২০১৭ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি মহেশখালী মাঝেরপাড়ার ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তার পুলিশের গুলিতে মারা যান। বলা হয়, পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ায়, পাল্টা গুলিতে মারা যান সাত্তার।

হাইকোর্টে করা রিটে আব্দুস সাত্তারের স্ত্রী বলছেন, ঘটনার দিন শেষ রাতে বাড়ি ঘিরে রাখে পুলিশ। কালামারছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় সকাল ৭টায়। সেখানে নয়াপড়া মসজিদের সামনে তাকে মারধর করা হয়। পরে প্রদীপ কুমার দাশই তাকে গুলি করেন। এ ঘটনার সাক্ষী ১০ জন। আসামি করা হয় প্রদীপ কুমারসহ ২৯ জনকে।

ভিডিও:

সে বছরের জুনে রিট পিটিশন আদেশে হাইকোর্ট আব্দুস সাত্তারের বিষয়টি এফআইআর হিসেবে নিতে আদেশ দেন। প্রত্যাহার চেয়ে আইজিপির পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়। যা উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করেন আদালত।

রিটকারী আইনজীবী অ্যাডভোকেট রাশেদুল হক খোকন বলেন, বিষয়টি আমরা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচরে নিয়ে এসেছিলাম। ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ বিষয়টি অবগত ছিলেন। বাংলাদেশ ও মহেশখালীতে এ রকম ঘটনা ঘটছে। বিষয়টি একটু সজাগ দৃষ্টিতে দেখতেন; তাহলে এ অন্যায় বা হত্যাগুলো হতো না।

আইনজীবীরা বলছেন, আদালতের নজরে আনার পরও প্রদীপের তৎপরতা চলমান থাকার দায় পৃষ্ঠপোষকদেরও।

আইন ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ শেখ হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, পুলিশ কর্মকর্তারা একের পর এক এ ধরনের অপরাধ করে যান। এবং তাদের ব্যাপারে ডিপার্টমেন্ট পৃষ্ঠপোষকতা দেয়, কিংবা তাদেরকে জাস্টিফাই করার চেষ্টা করেন না। এতে বিভাগ কোনোভাবে দায় এড়াতে পারে না।


ঢাকা, ১০ আগস্ট (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমআই

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।