অবশেষে উনিও এমন, সবই গলাবাজি!ইবি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ১০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ!


Published: 2020-02-15 14:56:18 BdST, Updated: 2020-04-04 11:41:03 BdST


ইবি লাইভ: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রতারণা করে টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে। ঐ কর্মকর্তার নাম মনিরুল ইসলাম। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিন্টিং প্রেস অফিসের কর্মরত আছেন। সম্প্রতি ঝিনাইদহ জেলা জর্জ কোর্টের এ্যাডভোকেট নেকবার হোসেন স্বাক্ষরিত এক ডিমান্ড নোটিশে অভিযোগটি নিশ্চিত হয়েছে।

উকিল নোটিশ সূত্রে জানা যায়, মনিরুল ইসলামের সাথে তার মক্কেল মাসুদ করিমের ঘনিষ্টতা ও বিশ্বাসসভাজন সূত্রে ইবি উপাচার্যের বিশেষ প্রয়োজনে তার কাছে ১০ লক্ষ টাকা ধার চান। তার সাথে সুসম্পর্ক থাকায় এবং উপাচার্যের প্রয়োজন শুনে মাসুদ ১০ লক্ষ টাকা ধার দিতে রাজি হন। গত বছরের ১৫ জানুয়ারী তার মক্কেলের নিকট থেকে মনিরুল উপাচার্যকে দেয়ার জন্য টাকা ধার নেন এবং গত ১৩ জানুয়ারী সমুদয় টাকা ফেরত দেয়ার অঙ্গিকার করেন।

কিন্তু তিনি ঐ তারিখে টাকা প্রদানে অপারগ হওয়ায় অগ্রণী ব্যাংক,ইবি শাখার ৪২৯৬ হিসাব নম্বরে একটি চেক প্রদান করেন। যার চেক নম্বর ১১৮১-৩২৯৮৩১১ এবং টাকার পরিমান ১০,০০০০০ টাকা। পরে তার মক্কেল মাসুদ অত্র তারিখেই চেক নগদায়নের জন্য ব্যাংকে জমা দিলে অপর্যাপ্ত তহবিল স্বাক্ষরে অমিল মর্মে একটি ডিজঅনার স্লিপ সহ ফিরিয়ে দেন। তার মক্কেল উক্ত বিষয়ে মনিরুলকে অবহিতের পরেও সে টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেননি এবং হিসাব নম্বরে পর্যাপ্ত টাকা না থাকা সত্তে¡ও তিনি প্রতারণ করে টাকা আত্মসাত করার অসৎ উদ্দেশ্য তার মক্কেলকে চেক প্রদান করা হয়েছে বলে উকিল নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

নোটিশে ইবি কর্মকর্তাকে চূড়ান্তভাবে জানানো হয় যে, অত্র নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে তার মক্কেলকে সমুদয় টাকা প্রদান করতে। অন্যথায় তার বিরুদ্ধে হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮ ধারার অপরাধ বিবেচনায় মোকদ্দমা করা হবে। যদি তার বলার কিছু থাকে তবে ৩০ দিনের মধ্যেই উত্তরদানের কথা বলা হয়েছে। যদি তিনি তার মক্কেলের পাওনা পরিশোধ করে প্রাপ্তি স্বীকার রশিদ প্রেরণ করতে পারেন, তবে উক্ত মোকদ্দমার বিষয় বিবেচনা করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

আদালতের নোটিশ

 

এবিষয়ে ভুক্তভোগী মাসুদ করিম বলেন, তার সাথে আমার ঘনিষ্ট বন্ধুত্ব থাকায় তাকে ১০ লক্ষ টাকা নগদ ক্যাশে ধার দেই। পরিশোধের নির্ধারিত সময় পার হলেও তিনি টাকা ফেরত দেয়নি। পরে তিনি আমাকে একটি চেক দিলে তা নগদায়নের জন্য ব্যাংকে জমা দিলে অপর্যাপ্ত তহবিল স্বাক্ষরে অমিল মর্মে একটি ডিজঅনার স্লিপ সহ ফিরিয়ে দেয় ব্যাংক। এজন্য আমি আইনজীবির দ্বারস্থ হয়েছি।

অভিযুক্ত ঐ ইবি কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক লোক আছে তারা আমাকে জোরপূর্বক ফাঁসানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন। তারা উদ্দেশ্য প্রণেদিতভাবে উপাচার্য মহোদয়কে জড়িয়ে আমাকে ফাঁসাচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তর প্রধানদের নিয়োগ হবে, আমি সেখানে আবেদন করব। এজন্য আমার প্রতিদ্বন্দীরা উঠে পড়ে লেগেছে। আমি আগামীকাল এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকদের সাথে সাংবাদিক সম্মেলন করব এবং বিস্তারিত তুলে ধরব।


ঢাকা, ১৫ ফেব্রুয়ারি (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//বিএসসি

 

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।