ফাইনালে অশোভনীয় আচরণের ঘটনায় নিষিদ্ধ ৫ ক্রিকেটার


Published: 2020-02-11 16:50:44 BdST, Updated: 2020-09-18 23:29:10 BdST

লাইভ প্রতিবেদকঃ সম্প্রতি শেষ হয়ে যাওয়া অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারত-বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা খানিকটা উগ্র আচরণ করেন। তবে তাদের এমন আচরণকে ভালোভাবে নিতে পারেনি আইসিসি। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ শেষে দু’দলের ক্রিকেটারদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনায় শাস্তি প্রদান করা হয়েছে বাংলাদেশের ৩ ও ভারতের ২ ক্রিকেটারকে।

ফাইনাল ম্যাচ শেষের ঘটনা নিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দিয়েছেন আইসিসির ম্যাচ রেফারি গ্রায়েম ল্যাব্রয়। যেখানে খেলার শেষে বাংলাদেশি ‍যুবাদের সঙ্গে ভারতীয়দের কথা-কাটাকাটি ও কিছুটা ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে। টেলিভিশনে বাংলাদেশের পতাকা নিয়ে টানাহেঁচড়া করতেও দেখা যায় ভারতের ক্রিকেটারদের।

যদিও এনিয়ে বাংলাদেশ অধিনায়ক আকবর আলী খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন।

বাংলাদেশ ক্রিকেটারদের মধ্যে তৌহিদ হৃদয়, শামিম হোসেন ও রকিবুল হাসান শাস্তিপ্রাপ্ত হয়েছেন। আইসিসির আচরণবিধির ২.২১ ধারা ভঙ্গ করায় ভারতের আকাশ সিং ও রবি বিষ্ণয়কেও শাস্তি প্রদান করা হয়েছে। বিষ্ণয়ের বিরুদ্ধে আবার ধারা ২.৫ ভাঙার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। ফলে তৃতীয় মাত্রার শাস্তি হওয়ায় সবাইকে কড়া শাস্তিই দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, তৌহিদ হৃদয় ১০টি সাসপেনশন পয়েন্ট পেয়েছেন। এটি ৬টি ডিমেরিট পয়েন্টের সমান। শামিমের সাসপেনশন পয়েন্ট ৮টি, তবে ডিমেরিট পয়েন্ট সেই ৬টি। স্পিনার রকিবুল চারটি সাসপেনশন পয়েন্ট পেয়েছেন, আর ৫ ডিমেরিট পয়েন্টের সমান। আগামী ২৪ মাস এই ডিমেরিট পয়েন্টগুলো তাদের ক্যারিয়ারে থাকবে।

জাতীয় দল বা অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেটে আগামী দুই বছর এ শাস্তি ভোগ করতে হবে এই পাঁচ ক্রিকেটারকে। ১টি সাসপেনশন পয়েন্ট মানেই একটি ওয়ানডে বা টি-টোয়েন্টি, অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায় বা এ দলের একটি ম্যাচ না খেলতে পারা।

অপরদিকে ভারত দলের যুবাদের হয়ে আকাশ ৮ সাসপেনশন ও ৬ ডিমেরিট পয়েন্ট পেয়েছেন। বিষ্ণয় প্রথম অপরাধের জন্য ৫ সাসপেনশন ও ৫ ডিমেরিট পয়েন্ট পেয়েছেন। আর ২৩তম ওভারে অভিষেক দাস আউট হওয়ার পর বাজে ভাষা ব্যবহার করায় পেয়েছেন আরও দুটি ডিমেরিট পয়েন্ট।

অবশ্য পাঁচ ক্রিকেটারই এ শাস্তি মেনে নেওয়ায় আনুষ্ঠানিক কোনো শুনানির প্রয়োজন হয়নি।

ঢাকা, ১১ ফেব্রুয়ারি (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমজেড

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।