বীর প্রতীক তারামন বিবির ২য় মৃত্যু বার্ষিকী পালিত


Published: 2020-12-01 19:13:39 BdST, Updated: 2021-01-27 10:36:58 BdST

মোঃ জা‌হিদুল ইসলাম, রা‌জিবপুরঃ বীরপ্রতীক তারামন বিবির দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ, ২০১৮ সালে আজকের এই দিনে নিজ বাড়িতে পরলোকগমন করেন। ১৯৫৭ সালে রাজিবপুর উপজেলার শংকর মাধবপুর গ্রামে তিনি জন্ম গ্রহণ করেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তিনি ১১ নাম্বার সেক্টরে মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে রান্না করতেন মাত্র ১৪ বছর বয়সে।

শুধু রান্নাই নয় কাধে তুলে নেন বাংলাদেশ রক্ষার হাতিয়ার, পাগল সেজে পাকবাহিনীর গোপণ তথ্য সংগ্রহ সহ আরো অনেক কিছু, যা মুক্তিবাহিনীর পাকবাহিনীকে পরাজিত করতে কাজে লাগতো।

বীরপ্রতীক তারামন বিবিকে ১৯৯৫ সালে বীরপ্রতীক খেতাব পদক তুলে দেওয়া হয়।

মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য তাকে বীর প্রতীক খেতাব দেয়া হলেও সে দীর্ঘ ২৫ বছর পর তা জানতে পারে। তার মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে তার নিজ হাতে গড়া সামাজিক সংগঠন (বীরপ্রতিক তারামন বিবি স্টুন্ডেন্ট ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন) থেকে সারাদিন ব্যাপী কর্মসূচী হাতে নেওয়া হয়েছে।

কর্মসূচী গুলো হলোঃ- সকাল ১১ টায় মরহূমার কবর জিয়ারত, সবার ফেসবুক প্রোফাইলে কালো ব্যাচ দিয়ে শোক প্রকাশ এবং এশার নামজের পরে মরহূমার জন্য মিলাদ ও দোয়া আয়োজন করা হয়েছে।

কিন্তু তার জন্য সরকারি ভাবে কোনো দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়নি।

এ ব্যপারে তার ছেলে আবু তাহের বলেন, ''আজ আমার মা'র ২য় মৃত্যু বার্ষীকি কিন্তু প্রশাসন থেকে কোন প্রকার মিলাদ মাহফিল বা শ্রদ্ধা জানানো হয়নি। আমি আমার নিজ উদ্যোগে কুরআন ও মিলাদ এর আয়োজন করেছি। আমি সরকারের কাছে অনুরোধ করি, যে আমার মা'কে যেন জাতীয় সন্মান দেওয়া হয় এবং আমার মা'র নামে যেন সরকার রাজিবপুরে একটা বিশ্ববিদ্যালয় করে দেয় এটা আমি তার কাছে জোর দাবি ও অনুরোধ করছি''।

ঢাকা, ০১ ডিসেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমজেড

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।