হায়রে মানুষ! 'নীল ছবিতে অভিনয়: ১১ অ্যাওয়ার্ডস১০ নীল ছবির তারকাদের চাঞ্চল্যকর তথ্য!


Published: 2019-11-01 19:00:57 BdST, Updated: 2019-12-13 19:07:50 BdST

শোবিজ লাইভঃ হায়রে মানবতা। হায়রে মানব আর মানবি। আর কি দেখবো। দেখার বাকি আছে কি? সবই শেষ এবং সব চাইতে তলানিতে এখন মানবতা। আর একটি শক্তিশালী চক্র মানবতার সম্মানকে ভূলুন্ঠিত করছে। এই কথা গুলো মাকিন দার্শনিক গবেষক জন পল ফ্লকের। তিনি দু:খ করে সম্প্রতি এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন। পর্ন ছবি দেখলেই মাথায় ঘোরে পর্ন দুনিয়ার তারকাদের জীবন-যাপনের কথা। কৌতূহল জাগে কেন আর কিভাবে তারা এই পেশায় এলেন? কেনই বা বেছে নিলেন এই ধরণের পেশাকে? শুধুই কিই রুজির টান? না কি অন্য কোনো কারণ? নাকি আপতমস্ত নষ্ট জীবনের দাহনে জ্বলছে তারা।

জানা যায়, এশিয়া মহাদেশ থেকে পর্নের দুনিয়ায় ঢু মারার বিষয়টি নজর কাড়ারমতো। গোপনে কিংবা প্রকাশ্যে পর্ন জগত নিয়ে প্রায় অনেকেরই আগ্রহ রয়েছে। সামনে থেকে যতোই সমালোচনা করুক পর্দার আড়ালে অনেকেই নিরব। তথ্যপ্রযুক্তির যুগে ইন্টারনেটের ব্যবহার হচ্ছে নানা ভাবে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ইন্টারনেটে কাটিয়ে দিচ্ছেন অনেকেই। ব্যবহারকারীরা পর্ন তারকাকে হরদম সার্চ করেছেন ইন্টারনেটে। এ খবর কেবল বাংলাদেশের নয় তামাম দুনিয়ার এই দৃশ্য।

তবে বিশ্বের খ্যাত নামা প্রায় শতাধিক মনিষীর বক্তব্য হলো এর ফলে সমাজের বন্ধন ক্রমেই নষ্ট হচ্ছে। নড়বড়ে হচ্ছে। জাত-কুল সবই যেন জলের মতো বেয়ে বেয়ে পড়ছে। সংসার- পারিবারিক বন্ধন ক্রমেই নড়েছড়ে বসছে। মানব-মানবীরা বেড়ে উঠছে ভিন্ন এক চেহারা নিয়ে। কলঙ্কিত হচ্ছে মানবতা আর মানুষত্ববোধ। ধারণ করছে পশুত্বের প্রকৃতি। তারা আরো জানিয়েছেন একারণেই ভাইয়ে ভাইতে, বোনে বোনে, ভাইয়ে বোনে, এমনকি নিজ সন্তানও রেহায় পাচ্ছেনা পশুত্বের থাবা থেকে ।

ফলে ক্রমেই পৃথিবী হয়ে উঠছে বসবাসের অযোগ্য। পর্ন বা নীল ছবির অস্থিরতার থাবাকে উৎসাহিত করতে শীর্ষ ১১ অ্যাওয়ার্ডস চালু করাটাকে ওই গবেষকরা এই যুগের বাঘের থাবা বলে আখ্যাতি করেছেন। বলেছেন এসবের বিরুদ্ধে তামাম দুনিয়ার সচেনতা প্রয়োজন। দমন করা দরকার এখনি।

এ কালে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে আলোড়ন ফেলেছেন এমন শীর্ষ ১০ তারকাকে নিয়ে আজকের
এই আয়োজন। পর্ন তারকাদের সার্চের তালিকায় সবার উপরে রয়েছেন লেবাননে জন্মগ্রহণকারী মিয়া খলিফা। বিশ্বের জনপ্রিয় পর্নস্টারদের তালিকায় সবাইকে পেছনে ফেলে মিয়া-ই বর্তমানে বিশ্বের এক নম্বরে রয়েছেন। ভারতীয় সিনেমার বর্তমান তারকা সানি লিওনের ঠাঁই হয়েছে টপ-১০ সার্চের তালিকায়।

১. মিয়া খলিফা- ২০১৪ সালে পর্ন জগতে আসা মিয়া খলিয়া ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে বিশ্বের এক নম্বর পর্ন তারকার স্থানটি দখল করে নেয়। ২২ বছর বয়সী মিয়া খালিফা পর্নহাব সাইটের সবচাইতে বেশী জনপ্রিয় পর্ন তারকা। বর্তমানে সে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় বসবাস করে।

২. লিসা আন- বিশ্বের সেরা যতো পর্ন তারকা তাদের মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানটি দখলে আছে লিসা আনের। ১৯৯৪ তে লিসা আন জনপ্রিয় পর্ন তারকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ১৯৯৭ সালে এইডস ঝুকির কারণে পর্ন ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ বন্ধ করে দেয় লিসা আন। ১০ বছর পর ২০০৬ এ সে আবার ফিরে আসে এ জগতে। ২০১০ সালে আবারো সে পর্ন অ্যাওয়ার্ডের স্বীকৃতি পায়।

৩. ম্যাদিসন আইভি- নাচে দক্ষতার মাধ্যমে পর্ন জগতে পা রাখে ম্যাদিসন আইভি। এই পর্ন তারকা মুলত জার্মানিতে জন্মগ্রহণ করে। পর্ন জগতে তার পথ চলা শুরু হয় টেক্সাস থেকে।

৪. আসা আকির- খুব অল্প বয়সে পর্ন জগতে আসা আসা আকির এর নামের শেষ অংশটি মুলত ২০১১ সালে মুক্তি পাওয়া আকিরা সিনেমা থেকে নেওয়া। এখন পর্যন্ত তালিকা ভুক্ত ১০০ জন পর্ন তারকার মধ্যে আকিরার অবস্থান চার নম্বরে। এশিয়ার টপ ৫০ জন পর্ন তারকার মধ্যে তার অবস্থান এখন পর্যন্ত ৬ নম্বরে। পর্নগ্রাফিতে অভিনয়ের জন্য আকিরা এ পর্যন্ত অনেক গুলো পুরস্কার পেয়েছেন।

৫. কিম কারদাসিয়ান- কিম কারদাসিয়ান লস এঞ্জেলসের ৫তম পর্ন তারকা। ২০০৩ সালে কিম তার বয়ফ্রেন্ড রে-এর সাথে কারদাসিয়ান নামে একটি সেক্স টেপ তৈরি করে। যা ২০০৭ সালে প্রকাশ হয়ে পড়ে। বর্তমানে তার আয় ছয় মিলিয়ন ডলার।

৬. ব্রান্ডী লাভ- আমেরিকান পর্ন তারকা এবং ফটোগ্রাফিক মডেল। একই সাথে দুটি মাল্টিমিডিয়া কোম্পানির অংশীদার এবং চিফ ফিনাশিয়াল অফিসার। তিনি সুন্দরী সেক্সি অভিনেত্রী হিসেবে বেশী পরিচিত। ২০০৪ সালে ‘ব্রানঈলাভ.কম’ নামে লাভ এর একটি ওয়েবসাইট প্রকাশ পায়। ২০০৮ সালে ‘গেটিং ওয়াইল্ড সেক্স ফ্রম কনজারভেটিভ ওম্যান’ নামে একটি বই প্রকাশ করে ব্রান্ডি লাভ।

৭. অগাস্ট আমস- অগাস্ট আমস ২০১৩ সালে পর্ন জগতে পা রাখে। তার নিজস্ব স্টাইলের মাধ্যমে সে পর্ন জগতে আসে। অগাস্ট আমস প্রথম ‘সেলফিস’ নামক একটি বিদ্বেষপূর্ণ সিনেমায় অভিনয় করে। ওই বছর দুইটি অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছে অগাস্ট।

৮. সানি লিওন- ইন্দো-কানাডিয়ান পর্ন তারকা সানি লিওনের পুরো নাম কারেঞ্জিত কাওর ভোরা। ২০১০ সালে টপ পর্ন স্টারের তালিকায় উঠে আসা সানি লিওন ছিল গুগলের সেরা তালিকায়। যাকে নিয়ে সবচাইতে বেশি সার্চ হয়েছে গুগলে। জেনেসিস ম্যাগাজিনের ১০০ জন পর্ন স্টারের তালিকায় সানি লিওন সেরা ১৩ নম্বরে জায়গা করে নিয়েছিল। বর্তমানে তিনি বলিউডের সেক্সি অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিত।

৯. সাসা গ্রে- একই সাথে একজন সঙ্গীত শিল্পী, মডেল এবং জনপ্রিয় পর্ন তারকা। ২০০৬ সালে তাকে পর্ন জগতে প্রথম দেখা যায়। লস এঞ্জেলসে যখন তিনি পর্ন জগতে পা রাখেন তখন তার বয়স সবেমাত্র ১৮ বছর। ২০০৭ সালে ‘বেস্ট থ্রি ওয়ে সেক্স সিন’ এর জন্য সাসা গ্রেকে পুরস্কৃত করা হয়।

১০. আলেক্সিস টেক্সাস- আলেক্সিস টেক্সাস টপ ১২ জন পর্ন তারকার মধ্যে অন্যতম। তিনি বিভিন্ন সময়ে তার পারফরমেন্সের জন্য পুরস্কৃত হয়েছেন। মি. পেট নামক এক পর্ন তারকাকে বিয়ে করে বর্তমানে তার সঙ্গেই আছেন।

শীর্ষ ১১ অ্যাওয়ার্ডস:
নীল ছবিতে অভিনয় করার জন্য জানেন কত পুরস্কার আছে? রীতিমতো ঘটা করে পুরস্কার দেওয়া হয়। কী বিচিত্র এই পৃথিবী। যাই হোক, জেনে নিন পর্ন দুনিয়ার বড় বড় পুরস্কারগুলি কী কী। জেনারেল নলেজ সব সময় ভালো।

আমেরিকার অ্যাডাল্ট ভিডিও ইন্ড্রাস্ট্রির ট্রেড ম্যাগাজিনের তরফ থেকে প্রতি বছর আয়োজন করা হয় এই পুরস্কার। আমেরিকার পর্নোগ্রাফি ছবিকে এরা পুরস্কার দিয়ে থাকে। একে পর্ন জগতের অস্কারও বলা হয়। প্রায় ১০০টি ক্যাটেগরিতে পুরস্কার দেওয়া হয়। ১৯৮৪ সাল থেকে শুরু হয়েছে। ২০০৮ সালে থেকে এই অনুষ্ঠান টেলিকাস্ট করা হচ্ছে। তবে অবশ্যই এডিট করে। ১৯৮৬ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত গে অ্যাডাল্ট ভিডিওর জন্য পুরস্কারও দেওয়া হত।

১৯৯৯ থেকে AVN ম্যাগাজিন Gay VN অ্যাওয়ার্ডের প্রচলন করেছে। তবে ২০১০ সালে নানান বাধা ও সমালোচনার কারণে তা বন্ধ হয়ে যায়। অন্য পুরস্কার অনুষ্ঠানগুলির মতো এখানেও সেরা অভিনেতা, অভিনেত্রী, পরিচালক, সহ অভিনেতা, সহ অভিনেত্রী, নবাগত, নবাগতদের পুরস্কার দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে থাকে সেরা সেক্স ভিডিও এবং সেক্স সংক্রান্ত আরও কিছু পুরস্কার।

XVIZ অ্যাওয়ার্ডস্
অ্যাডাল্ট এন্টারটেনমেন্ট ইন্ডাস্ট্রিতে এই পুরস্কারের দর কিছু কম নয়। প্রতিষ্ঠাতা অ্যালেস হেলমি। অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে XBIZ অ্যাডাল্ট ইন্ডাস্টি ট্রেড ম্যাগাজ়িন। ২০০৩ সালে পুরস্কার দেওয়া শুরু। পর্ন দুনিয়ার গোল্ডেন গ্লোব বলা হয়। হলিউডে হয় মূল অনুষ্ঠানটি।

ইরটিক অ্যাওয়ার্ডস্:
এই পুরস্কারটি দেওয়া হয় ব্রিটেনে। ১৯৯৪ সালে সেক্সুয়ালিটি ক্যাম্পেনার টুম্পি ওয়েন্স এর প্রচলন করেন। প্রথমে এর নাম ছিল ইরোটিক অস্কারস্। পরে আইনি সমস্যার জন্য নাম বদলাতে হয়। নাম হয় ইরোটিক অ্যাওয়ার্ডস্। ২০১৩ সালের পর থেকে সেক্সুয়ালস ফ্রিডম অ্যাওয়ার্ডস নামে প্রচলিত। এর ক্যাটাগরিগুলো একটু আলাদা। ক্যাম্পেনার, সেক্স ওয়ার্কার, Striptease Artist, ফ্যাশন, অ্যাকাডেমিক, রাইটার ও ফিল্ম। জনতা প্রথমে নমিনেশন লিস্ট ফাইনাল করে, তারপর সেখান থেকে জুরিরা বেছে নেন বিজেতাদের।

জাপানিজ অ্যাডাল্ট ভিডিও অ্যাওয়ার্ডস্
পর্নোগ্রাফির ইতিহাস জাপানেও কম নেই। পশ্চিম দুনিয়ার মতো এখানেও পর্নোগ্রাফির কদর আছে। অ্যামেরিকার AVN অ্যাওয়ার্ডসে্র মতো এই পুরস্কারের মাহাত্মও কম নয়। সম্প্রতি এর পুরস্কার তালিকায় খানিক বদল এসেছে। এখন মাত্র দু’টি পুরস্কার দেওয়া হয়। ছোটো ও ইন্টারনেট ভিডিওর জন্য AV প্রিক্স। টিভি ও বড়পর্দার নীল ছবির জন্য দেওয়া হয় দা অ্যাডাল্ট ব্রডকাস্টিং অ্যাওয়ার্ডস্।


পিঙ্ক রিবন অ্যাওয়ার্ডস্
এটিও জাপানের পুরস্কার। ২০০৪ থেকে এই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। মোট তিনটি ছবিকে পুরস্কার দেওয়া হয়। প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারীকে দেওয়া হয় গোল্ডেন, সিলভার ও পার্ল অ্যাওয়ার্ড। এছাড়া পরিচালক অভিনেতা অভিনেত্রীদের জন্য পুরস্কার তো থাকেই।

পরইয়েস (PorYes) পুরস্কার
প্রথম ইউরোপিয়ান ফেমিনিস্ট পর্ন মুভি অ্যাওয়ার্ড। বার্লিনে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। মূলত মহিলারা যে সব প্রোডাকশনের সঙ্গে যুক্ত, সেগুলোকেই আমন্ত্রণ জানানো হয়। যে সব ক্যাটেগরিতে পুরস্কার দেওয়া হয় তা হল- সেক্স ডকুমেন্টেশন, সেক্স সিন সহ ফিচার ফিল্ম, sexperts (educational film)।

বার্সেলোনা ইরোটিক ফিল্ম ফেস্টিভাল
ইউরোপের এটা সবচেয়ে পুরোনো পর্ন ফিল্ম ফেস্টিভাল। এটি মূলত স্প্যানিশ পর্নোগ্রাফি ফিল্ম ফেস্টিভাল। ১৯৯৭ সালে শুরু হয় এই চলচ্চিত্র উৎসব। শহরের বাইরে একটি কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠানটি হয়। এখানে অনেক লাইভ সেক্স শোয়ের আয়োজন করা হয়ে থাকে। ২০০৫ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত প্রত্যেক বছর এই চলচ্চিত্র উৎসবে লোক হয়েছিল প্রায় ৫০ হাজার।

ব্রাসেলস ইন্টারন্যাশনাল ফেস্টিভাল অফ ইরোটিসিজ়ম
এটি একটি ট্রেড শো। ব্রাসেলস ফেব্রুয়ারি মাসে এই উৎসব হয়ে। এর সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ইউরোপিয়ান এক্স (X) অ্যাওয়ার্ডস। জার্মানি, ইতালি, ফ্রান্স, স্পেনের মতো দেশ এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে।

সফট অ্যান্ড হার্ড অ্যাডাল্ট ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন অ্যাওয়ার্ডস্
এটিও ব্রিটেনের পুরস্কার। সে দেশে একে বলা হয় ইউ কে অস্কার অফ পর্নস্। দর্শকের ভোটে এখানে বিজেতা নির্বাচিত হয়। একে অবশ্য অনেকে Shafta Awards-এর সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেন। কিন্তু Shafta Awards হল এমন একটি পুরস্কার, যা সে দেশে সবচেয়ে খারাপ জার্নালিজ়মের জন্য দেওয়া হয়।

ভেনাস অ্যাওয়ার্ডস্
১৯৯৭ সাল থেকে বার্লিনে এই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। মোট ৩০টি ক্যাটেগরিতে পুরস্কার দেওয়া হয়। জার্মানি ছাড়া ফ্রান্স ও অ্যামেরিকার মতো দেশের পরিচালক ও পারফর্মাররা এখানে অংশ নেন।

পিঙ্ক গ্র্যান্ড প্রিক্স
এটি জাপানের পুরস্কার। সে দেশে রিলিজ় করা পিঙ্ক ফিল্মকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। প্রতি বছর এপ্রিলে এই পুরস্কারের আয়োজন করা হয়। গত বছরের রিলিজ করা পর্নোগ্রাফি ছবি থেকে সেরা পরিচালক, অভিনেতা, অভিনেত্রী, ছবিকে পুরস্কার দেওয়া হয়।

ঢাকা, ০১ নভেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//বিএসসি

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।