‘সত্যান্বেষী ব্যোমকেশ’: দুপুরেই রাতের অন্ধকার


Published: 2019-08-20 13:51:01 BdST, Updated: 2019-09-20 18:26:02 BdST

শোবিজ লাইভ: সে দিন উত্তর কলকাতার এক রাজবাড়ির ভিতরে দুপুরেই নেমেছে রাতের অন্ধকার। উঠোনের এক দিকে সাজানো ছোটখাটো হোটেল, অন্য প্রান্তে পুলিশ স্টেশন। বারান্দায় চলছে শুটিং। মনিটরের সামনে পরিচালক সায়ন্তন ঘোষাল আর নবাগতা আয়োশী তালুকদার ও সুপ্রভাতকে শট বোঝাচ্ছেন অঞ্জন দত্ত।

অঞ্জনের লেখা চিত্রনাট্যে আস্থা রাখছেন ‘সত্যান্বেষী ব্যোমকেশ’ এর পরিচালক ও শিল্পীরা। ব্যোমকেশের চরিত্রে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের কথায়, ‘‘প্রস্তুতি বলতে প্রথমে গল্পটা পড়া। দ্বিতীয়ত, অঞ্জনদার লেখা চিত্রনাট্য পড়ে চরিত্রটার দৃষ্টিভঙ্গি বোঝা।’’

অন্য দিকে রুদ্রনীল ঘোষের জানিয়েছেন, পর্দায় অজিতকে বাঁচিয়ে তোলাই তাঁর বড় দায়িত্ব। ‘‘অঞ্জনদার পরে অনেকেই ওয়েব বড় পর্দায় ব্যোমকেশ করেছেন। তবে চিত্রনাট্যের স্ট্র্যাটেজি অনুযায়ী, অজিত ক্রমশ গায়ে লেগে থাকা চরিত্রে পরিণত হয়েছে, যে সংলাপ বলার জন্য অপেক্ষা করে থাকে। ব্যোমকেশ সত্যান্বেষী, অজিত ব্যোমকেশমুখী। তাই আগে যাঁরা অভিনয় করেছেন, তাঁদের চেয়ে খারাপ যেন না করি, সেটাই চেষ্টা।’’

অঞ্জনের ব্যোমকেশ বরাবর শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্প অনুসারী। সায়ন্তনও গল্পের বিশুদ্ধতা বজায় রাখায় বিশ্বাসী। সায়ন্তনের দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যেই তাঁর ব্যোমকেশকে খুঁজে পান বলে এই প্রজেক্টের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন অঞ্জন। ‘‘এই ছবির সাফল্য বা ব্যর্থতার দায় আমার নয়। আমার প্রযোজক-বন্ধু আমার লেখা স্ক্রিপ্টগুলি চেয়েছিলেন।’’

ছবিতে হিনা মল্লিকের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন আয়োশী। তার খুন ঘিরেই রহস্যের জাল ছড়ায়। আয়োশীকে চরিত্রটি শিখিয়ে-পড়িয়ে নেওয়ার দায়িত্বে ছিলেন অঞ্জন। তিনি রবি বর্মার চরিত্রটি করছেন। খলনায়কের চরিত্রে সুপ্রভাত, যাঁকে ‘আমি আসব ফিরে’, ‘ফাইনালি ভালবাসা’য় দেখা গিয়েছে।

অবশ্য ক্যামেরার পিছনের সব গোয়েন্দাগিরি করছেন রুদ্রনীল। পরমব্রতের কথায়, ‘‘আমি বই পড়ি। নিজের মতো থাকি। একে-ওকে ডেকে খোঁজ নেওয়া, কী হচ্ছে, কেন হচ্ছে করার জন্য রুদ্র তো আছেই।’’

ঢাকা, ২০ আগস্ট (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমআই

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।