উত্তেজক খেয়ে রাতভর যৌন নির্যাতন, ছাত্রীর হাতে স্বামী খুন!


Published: 2019-01-12 18:47:18 BdST, Updated: 2019-01-21 00:17:53 BdST

নাটোর লাইভ: উত্তেজক ট্যাবলেট খেয়ে ছাত্রীকে রাতভর যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। যৌন নির্যাতন সইতে না পেরে ওই ছাত্রী তার স্বামীকে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এসময় ওই স্বামীর বিশেষ অঙ্গ কেটে দেয় ছাত্রী।

শনিবার ভোরে গুরুদাসপুরের মশিন্দা মাঝ পাড়া গ্রামের ওই ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। জড়িত সন্দেহে ওই স্কুলছাত্রীকে আটক করেছে পুলিশ। নিহত কাবিল বিশ্বাস পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার ধানকুড়িয়া চরপাড়া গ্রামের নওশেদ আলী বিশ্বাসের ছেলে। ওই ছাত্রী মশিন্দা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণিতে পড়াশোনা করতো। বিয়ের পর তার পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়। তার ওপর শুরু হয় যৌন নির্যাতন।

জানা যায়, গত পাঁচ মাস আগে কাবিল বিশ্বাসের সঙ্গে ওই ছাত্রীকে জোর করে বাল্যবিয়ে দেয়া হয়। বিয়ের পর থেকেই কাবিল হোসেন যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট খেয়ে রাতভর ওই ছাত্রীর ওপর যৌন নিপীরন চালায়। এর ফলে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ শুরু হয়।

এরই এক পর্যায়ে নির্যাতন সইতে না পেরে গত ১ জানুয়ারী শীতের পিঠা খাওয়ার কথা বলে ওই ছাত্রী তার বাবার বাড়িতে চলে আসে। শুক্রবার কাবিল বিশ্বাস মাশিন্দা মাঝপাড়া গ্রামে শ্বশুর বাড়ীতে আসেন। উত্তেজক ট্যাবলেট খেয়ে আবারো কাবিল রাতভর ওই ছাত্রীর ওপর যৌন নির্যাতন চালায়। এক পর্যায়ে স্বামী কাবিল ঘুমিয়ে পড়লে ভোর রাতে ধারালো হাসুয়া দিয়ে তার বিশেষ অঙ্গ কেটে ফেলে ওই ছাত্রী। এতে ঘটনাস্থলেই কাবিল বিশ্বাসের মৃত্যু হয়। পুলিশ কাবিলের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

নিহত কাবিলের বাবা নওসের বিশ্বাস জানান, তার ছেলে পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়ে। ছেলেকে পিঠা খাওয়ানোর কথা বলে তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন নির্যাতন করে হত্যা করেছে। কোন পরকীয়ার কারণে এধরনের ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি দাবি করেন।

মশিন্দা উচ্চ বিদ্যারয়ের প্রধান শিক্ষক মাহাবুব আলম জানান, বিয়ের আগে ওই ছাত্রী তার বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণীতে পড়তো। বাল্যবিয়ে দিতে নিষেধ করলেও তার অভিভাবকরা অন্যত্র নিয়ে বিয়ে দেয়। জেএসসি পরীক্ষার চার মাস আগেই তাকে বিয়ে দিয়েছে। বাল্য বিয়ে দেওয়ার কারণেই এঘটনা ঘটেছে বলে তিনি মনে করেন।


ঢাকা, ১২ জানুয়ারি (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমআই

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।