ঢাবির কুয়েত মৈত্রী হলে স্বর্ণপদক পেলেন যারা


Published: 2019-05-10 15:02:24 BdST, Updated: 2019-05-23 07:26:53 BdST

ঢাবি লাইভ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হলের ২৮তম “সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী এবং মৈত্রী ফাউন্ডেশনের স্বর্ণপদক, বৃত্তি প্রদান ও স্মারক বক্তৃতা-২০১৭, ২০১৮” অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ও মৈত্রী ফাউন্ডেশনের সভাপতি প্রফেসর ড. মো. আখতারুজ্জামান বিজয়ী ছাত্রীদের মাঝে স্বর্ণপদক, সার্টিফিকেট, ক্রেস্ট ও বৃত্তির চেক তুলে দেন।

এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভিসি (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মুহাম্মদ সামাদ। বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হলের প্রাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মাহবুবা নাসরীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্মারক বক্তৃতা প্রদান করেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক সেলিনা হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন হলের আবাসিক শিক্ষক মনিরা পারভীন।

প্রফেসর ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, টেকসই উন্নয়নের বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে ২০৩০ সালের মধ্যে সমাজে নারী ও পুরুষের সমান অবস্থান নিশ্চিত করা। আমরা যদি সমাজে নারী-পুরুষের সমতা না আনতে পারি তাহলে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা কখনোই অর্জন করা সম্ভব হবে না।

মহীয়সী নারী বেগম রোকেয়ার কথা উল্লেখ করে ভিসি আরো বলেন, বেগম রোকেয়া যুক্তির আলোকে বস্তনিষ্ঠভাবে সমাজের অসঙ্গতিগুলো শান্তিপূর্ণভাবে তুলে ধরতেন, তোমাদেরও তাঁর মতো করে যুক্তির আলোকে সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন “নারীর প্রজ্ঞা” শীর্ষক স্মারক বক্তৃতায় ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় সমাজের বিভিন্ন সময়ে নারীর অবস্থান, সংগ্রাম ও অবদান সম্পর্কে বিশদভাবে আলোচনা করেছেন। তিনি বলেন, নারীরা তাদের জীবনের সবটুকু ত্যাগ করে হলেও নিজেদের জায়গা তৈরি করতে আজীবন সংগ্রাম করে যাচ্ছে। ইহজীবনকে কেন্দ্র করে সুন্দর জীবনের স্বপ্ন নারীকে তাড়িত করে বলে স্বার্থপরের মতো ব্যক্তিগত সুখচিন্তায় নারী তার মনবিক ধারণাকে বদলাতে চায়নি। সঠিক পথেই তারা নিজের বিবেক দ্বারা পরিচালিত হয়েছে।

২০১৭ শিক্ষাবর্ষে মৈত্রী ফাউন্ডেশনের স্বর্ণপদক পেয়েছেন

ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিলামনী হাফসা। মেধাবৃত্তি পেয়েছেন- উম্মে হানিয়া (একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস), ইসমত আরা (ভূগোল ও পরিবেশ), রিয়ান বিনতে কামাল (একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস) ও তানজিলা ইসলাম (সমাজকল্যাণ ইনস্টিটিউট)। সাধারণ বৃত্তি পেয়েছেন, সাবিনা (উর্দু) এবং রুমা আক্তার (বাংলা)। এককালীন বই সাহায্য পেয়েছেন ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের জাকিয়া জাহান এ্যানি। এছাড়া, বার্ষিক সাহিত্য প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন নাইমা নওরিন (ইতিহাস) এবং রানার আপ হয়েছেন জান্নাতুল ফেরদৌস লিজা (ইংরেজি)। সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন পায়েল ব্যানার্জী (বাংলা) এবং রানার আপ হয়েছেন তামমিন জাহান অর্পা (শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন)।

২০১৮ শিক্ষাবর্ষে মৈত্রী ফাউন্ডেশনের স্বর্ণপদক পেয়েছেন যারা:

পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের সাদিয়া আফরিন। মেধাবৃত্তি পেয়েছেন, সানজিদা তাবাস্সুম (শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট), তানভি জাহান চৈতি (ভূগোল ও পরিবেশ), খুজিন্তা রুবাইয়াত (ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি) ও ছুরাইয়া আক্তার (উইমেন এন্ড জেন্ডার স্টাডিজ)। সাধারণ বৃত্তি পেয়েছেন- নাছিমা খাতুন (রাষ্ট্রবিজ্ঞান) এবং সানজিদা ইমু (দর্শন)। এককালীন বই সাহায্য পেয়েছেন একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের শাকিলা আক্তার ও ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট এন্ড ভালনারেবিলিটি বিভাগের মোছা. আয়ষা সিদ্দিকা। এছাড়া, বার্ষিক সাহিত্য প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন জান্নাতুল ফেরদৌস লিজা (ইংরেজি) এবং রানার আপ হয়েছেন সুমাইয়া আক্তার (ইংরেজি)। সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন তামমিন জাহান অর্পা (শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন) এবং রানার আপ হয়েছেন পায়েল ব্যানার্জী (বাংলা)।


ঢাকা, ১০ মে (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমআই

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।