রাবি প্রফেসরের নতুন ধান, পাওয়া যাবে চিকন মিনিকেট


Published: 2018-04-23 13:11:08 BdST, Updated: 2018-09-22 02:19:15 BdST

রাবি লাইভ : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রোনমি অ্যান্ড এগ্রিকালচারাল এক্সটেনশন বিভাগের প্রফেসর ড. মো. আমিনুল হক নতুন প্রজাতির উচ্চফলনশীল ধান উদ্ভাবন করেছেন। ওই ধানের নাম দেওয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের নামের সঙ্গে মিলিয়ে ‘রাবি ধান-১’। এর স্বীকৃতি দিয়েছে ন্যাশনাল সিড বোর্ড ও বাংলাদেশ এগ্রিকালচার রিসার্চ কাউন্সিল (বিএআরসি)।

জানা যায়, এই ধানে প্রচলিত ধানের তুলনায় ফলন হবে বেশি। শীষ থেকে খুব সহজে ঝরে পড়বে না। ধানটিতে ব্যাকটেরিয়াল ব্লাইটরোধক জিন বিদ্যমান। ২০১৪ সালে এ ধানের অরিজিন ফিলিপাইন থেকে আনা হয়। আমনের জাত ‘ব্রি৩৯ ধান’র কাছাকাছি জাত ‘রাবি ধান-১’। চিকন মিনিকেট চাল উৎপন্ন হবে এই ধান থেকে; যার বাজারমূল্য উন্নত মিনিকেট চালের সমান। তবে ব্রি৩৯-এর থেকে ১৫ দিন আগেই রাবি ধান১০এর আবাদ উঠবে। ব্রি৩৯-এর আবাদ উঠতে সময় লাগে ১৪৫ দিন। সেখানে ‘রাবি ধান-১’র আবাদ উঠতে লাগবে ১৩০ দিন। এটি চাষ করে কিছু বাড়তি সুবিধা পাবেন চাষিরা। উত্তরাঞ্চলের আলু চাষিরা আমন মৌসুমে এই ধান ঘরে তুলে আলুর আবাদ শুরু করার সময় পাবেন। এ ধানের রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ অনেক কম। এতে কীটনাশক খরচও কম হবে।

প্রফেসর আমিনুল হক বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এই প্রথম নতুন ধান আবিষ্কার হলো। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর হওয়ার কারণেই রাবির নাম চিরস্মরণীয় করে রাখতেই ভালোবাসার জায়গা থেকে এমন নাম রাখা।

তিনি জানান, ২০১৫ সালের আমন মৌসুমে প্রথমবারের মতো ‘রাবি ধান১’ দেশের চারটি স্থানে ও ২০১৬ সালে তিনটি স্থানে পরীক্ষামূলক চাষ করা হয়। দুবারই ব্রি৩৯-এর থেকে বেশি ফলন দেয়। সেইসঙ্গে চাষাবাদে বেশি উপযোগী হিসেবে প্রমাণিত হয়। বর্তমানে এর স্বীকৃতি মেলে।


ঢাকা, ২৩ এপ্রিল (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//সিএস

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।