মসজিদে হারামের খুতবায় ড. খালিদ যা বললেন


Published: 2018-01-03 15:24:48 BdST, Updated: 2018-10-18 03:34:34 BdST

 

আনম রশীদ আহমাদ: সকল প্রশংসা আল্লাহর যিনি তাঁর রাসূলকে হেদায়াত ও সত্য দীনসহ পাঠিয়েছেন, যেন সেই দীনকে অন্য দীনের ওপর বিজয়ী করতে পারেন। আমি আমাকে ও আপনাদেরকে প্রকাশ্যে ও গোপনে তথা সকল অবস্থায় আল্লাহকে ভয় করে চলার পরামর্শ দিচ্ছি।

ঈমান আশা- আকাঙ্খার ও বাহ্যিক প্রকাশের বিষয় নয়। সত্যিকারের ঈমানের স্থান হলো অন্তর। অন্তরে আল্লাহর ভয় পোষণ, আল্লাহ যেসব বিষয় হারাম করেছেন তা থেকে বিরত থাকাই হলো ঈমান।

‘যে আল্লাহকে ভয় করবে, আল্লাহ তার জন্য বিপদ-সঙ্কট থেকে বের হওয়ার পথ করে দিবেন। এমন উৎস থেকে তাকে জীবিকা দিবেন যে, সে তা কল্পনাও করতে পারেনি। যে আল্লাহর ওপর নির্ভর করবে, আল্লাহ তার জন্য যথেষ্ট।’

হে ইসলামী উম্মাহ! ইসলাম স্থায়ীভাবে টিকে থাকার জন্য আল্লাহ কিছু নীতি ও বিধান দিয়েছেন। এসব স্থায়ী মূলনীতির মাধ্যমে ইসলাম বিকৃতি ও পরিবর্তন থেকে রক্ষা পাবে। ইসলামের শুরু থেকে ইসলামের শত্রুরা ইসলাম ধ্বংসের প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে।

এই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সময়েও ইসলাম বিরোধীরা ইসলামের ওপর পরিকল্পিত আক্রমণ করছে। এর উদ্দেশ্য ইসলামকে নির্মূল করা অথবা তার বিকৃতি ঘটানো অথবা তাতে সন্দেহ ও সংশয় সৃষ্টি করা। বর্তমান সময়ে ইসলামের বিরুদ্ধে যে আদর্শিক, সাংস্কৃতিক ও প্রচার মাধ্যম কেন্দ্রিক আক্রমণ চালানো হচ্ছে এমনটি পূবে কখনো হয়নি। এ আক্রমণ মানুষের মন-মানসে ব্যাপক প্রভাব ফেলছে।

ইসলাম বিরোধী ও বিদ্বেষীদের এ আক্রমণের উদ্দেশ্য মুসলিম উম্মাহর শক্তি দুর্বল করা। মুসলিম উম্মাহকে তার আদর্শিক বৈশিষ্ট্য থেকে দূরে সরিয়ে দিয়ে, আল্লাহ তাকে যে মর্যাদা দিয়েছেন তা খর্ব করা।

মুসলিম উম্মাহর দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা শ্রেষ্ঠ জাতি, তোমাদেরকে বের করে আনা হয়েছে মানবতার কল্যাণের জন্য। তোমরা ভাল কাজের আদেশ করবে আর মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করবে।’

মুসলিম উম্মাহর বর্তমান কঠিন অবস্থা থেকে উত্তরণ এবং আদর্শিক ও সাংস্কৃতিক আগ্রাসন থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হলো সত্যিকার অর্থে দীনের মূলনীতি ও শরীয়ার প্রতিষ্ঠিত বিষয়সমূহের দিকে ফিরে আসা। অতীত ইতিহাসের বিভিন্ন অধ্যায়ে এ নীতিই মুসলিম উম্মাহকে সকল আক্রমণ ও ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা করেছে।

অতীতের সকল সময়ের চেয়ে বর্তমান সময়ে মুসলিম উম্মাহর জন্য ইসলামী শরীয়ার মূলনীতিসমূহ আঁকড়ে ধরা বেশি জরুরী। ইসলামী মূলনীতিসমূহ জানা, তা অধ্যয়ন করা, মুসলিম সমাজে তার প্রচার ও প্রসার ঘটানো প্রয়োজন।

অতীতের মুসলিমদের চিন্তা চেতনায় ইসলামের প্রতিষ্ঠিত মূলনীতিসমূহ সদা জাগ্রত ছিল বলে তাদের আকীদা-বিশ্বাস, নৈতিকতা ও মূল্যবোধ সুরক্ষিত ছিল। তারা সচেতন ও জাগ্রত থাকার কারণে সকল ধরনের বিকৃতি, অপব্যাখ্যা ও অনুপ্রবেশ এবং ভ্রান্ত দর্শন থেকে দীনকে রক্ষা করতে পেরেছিল।

হে মুসলিম সমাজ! আল্লাহর পর শরীয়ার শাশ্বত প্রতিষ্ঠিত বিধানসমূহই মুসলিম উম্মাহর নিরাপত্তার নিয়ামক। এ বিধানসমূহের ভিত্তি হলো কুরআন ও সুন্নাহ। যে এ মজবুত ভিত্তি আঁকড়ে ধরবে সে ভ্রান্ত হবে না।

দীনের মূল ভিত্তিসমূহের বৈশিষ্ট্য হলো এগুলো জীবনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল বিষয়কে ধারণ করে। আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো এগুলো অপরিবর্তনীয়; এগুলোতে কোনো ধরনের পরিবর্তন আনা যায় না। এগুলো সুস্পষ্ট, সবার কাছে বোধগম্য।

এ মূলনীতিসমূহকে আঁকড়ে ধরাই আল্লাহর বিধান। এর দিকেই তিনি পথ দেখান। যারা গভীর জ্ঞানের অধিকারী, তারা আল্লাহর এ সুস্পষ্ট বিধান অনুসরণ করেন। আর যাদের অন্তরে রয়েছে বক্রতা, তারা সুস্পষ্ট ও প্রতিষ্ঠিত বিধানসমূহকে এড়িয়ে অস্পষ্ট ও সন্দেহ-সংশয়যুক্ত বিষয়ের অনুসরণ করে।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এদের ব্যাপারে সতর্ক করে বলেছেন, ‘যখন তোমরা এমন লোকদেরকে দেখবে যারা সন্দেহ ও সংশয়যুক্ত বিষয়ের অনুসরণ করে তখন তোমরা তাদের ব্যাপারে সতর্ক ও সাবধান থাকবে।’ (সহীহুল বুখারী ও সহীহ মুসলিম)

উমার ফারুক (রা.) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সতর্কবাণী অবলম্বন করে তার সময়ের এক লোকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলেন। লোকটি মুসলিমদের মধ্যে বিপর্যয় সৃষ্টির লক্ষ্যে সন্দেহ ও সংশয় জনিত বিষয়সমূহ উস্কে দিত। উমার (রা.) লোকটিকে ডেকে এনে খেজুরের ডাল দিয়ে পেটালেন এবং মদীনা থেকে বের করে দিলেন। লোকদেরকে বললেন, কেউ যেন তার সাথে মেলামেশা না করে।

পরবর্তী পর্যায়ে লোকটি তাওবা করে উমার (রা.)-এর কাছে এসে বললো, হে আমীরুল মুমিনীন! আমার মাথায় যেসব বিষয় ঢুকেছিল, তা বেরিয়ে গিয়েছে। (দারামী)

হে ইসলামের উম্মাহ! ইসলামী শরীয়ার অনেক শাশ্বত প্রতিষ্ঠিত মূলনীতি ও বিষয় রয়েছে যেগুলো মানব জীবনের সকল বিষয়কে ধারণ করে। এসব প্রতিষ্ঠিত মূলনীতির অন্যতম হলো এককভাবে আল্লাহর ইবাদত, তাঁর সাথে কোনো ধরনের শিরক না করা। তিনি তাঁর সত্তায় এক, প্রভুত্ব ও কর্তৃত্বে এক, ইলাহ বা ইবাদত পাওয়ার যোগ্য হিসাবে এক। ‘তার অনুরূপ কিছু নেই। তিনি শ্রোতা ও দ্রষ্টা।’

দীনের আরেকটি প্রতিষ্ঠিত বিষয় হলো দুই ওয়াহই তথা কুরআন ও সুন্নাহ হক-সত্য ও পবিত্র। তা বর্জন ও পরিত্যাগযোগ্য নয়। এ দুটি ওয়াহই বুঝতে হবে সাহাবায়ে কিরামের বুঝার অনুসরণে।

দীনের প্রতিষ্ঠিত নীতিসমূহের একটি হলো দীনের মধ্যে সকল নতুন উদ্ভাবিত বিষয় প্রত্যাখ্যানযোগ্য। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে আমাদের দীনে নতুন এমন বিষয় উদ্ভাবন করলো যা এর মধ্যে নেই, তা প্রত্যাখ্যানযোগ্য।’

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে যখন মুক্তিপ্রাপ্ত দল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো, তখন তিনি বললেন, মুক্তিপ্রাপ্ত দল হলো সেটি, যেটির অবস্থান আজ আমি ও আমার সাহাবীগণের যে অবস্থান তার ওপর।’ সকল ধরনের বিদ‘আত ও দীনের মধ্যে নবউদ্ভাবিত বিষয়কে প্রত্যাখ্যানের এটিই সবচেয়ে বড় মূলনীতি।

মনে রাখতে হবে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সাহাবীগণের সময় যে বিষয়টি দীনের অন্তর্ভুক্ত ছিল না, আজো সেটি দীনের বিষয় নয়।

দীনের আরেকটি প্রতিষ্ঠিত বিষয় হলো দীনের মৌলিক ও অকাট্যভাবে প্রমাণিত বিষয়ে ইজতিহাদ তথা গবেষণার ভিত্তিতে মতামত প্রদানের সুযোগ নেই। কুরআন-সুন্নাহয় সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা বিষয়ে কিয়াস তথা অনুমান ভিত্তিক মতামত দেয়া যাবে না। কুরআন-সুন্নাহ ও ইজমার বিপরীতে যে কোনো ফাতওয়া প্রত্যাখ্যানযোগ্য।

পাঁচটি মৌলিক বিষয়ের সংরক্ষণ অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠিত বিষয়। এ পাঁচটি বিষয়ের সংরক্ষণ ছাড়া সমাজ ও সমাজ কাঠামো টিকে থাকতে পারে না। তাই আল্লাহর দীন ও শরীয়াহ এ বিষয়টিতে অত্যধিক গুরুত্ব দিয়েছে। পাঁচটি বিষয় হলো দীন, জীবন, সম্পদ, সন্তান ও সম্ভ্রম।

পাঁচটি মৌলিক বিষয়ের সংরক্ষণের বিপরীতে ইসলামী শরীয়াত পাঁচটি ঘৃণিত বিষয়কে হারাম করেছে। আল্লাহ বলেন, ‘তুমি বলো, আমার রব প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য সকল অশ্লীলতা, পাপের কাজ, অন্যায়ভাবে সীমালঙ্ঘনকে হারাম করেছেন। আরো হারাম করেছেন, আল্লাহর সাথে শিরক করাকে, যে বিষয়ে তিনি কোনো প্রমাণ নাযিল করেননি এবং তোমরা আল্লাহর ব্যাপারে এমনসব কথা বলবে যা তোমরা জানো না।’ (আহযাব: ৩০)

ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ মূলনীতির অন্তর্ভুক্ত আরো যেসব বিষয় রয়েছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সূরা আনআমের শেষ দিকে দশটি উপদেশ, সূরা বনি ইসরাঈলে উল্লেখিত দশটি বিধান, সূরা লোকমানে উল্লেখিত দশটি বাণী; অনুরূপ সূরা নূর, আহযাব ও হুজুরাতে উল্লেখিত আদব ও শিষ্টাচারসমূহ।

দীনের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হলো সুস্পষ্ট প্রমাণ ছাড়া কাউকে কাফির বলা যাবে না।
হে ইসলামী উম্মাহ! ইসলামী শরীয়ার প্রতিষ্ঠিত মূলনীতি ও বিধানসমূহ হেদায়াতের ওপর টিকে থাকা ও পথভ্রষ্টতা থেকে সুরক্ষা পাওয়ার মাধ্যম।

আল্লাহ বলেন, ‘এটিই আমার সুদৃঢ় পথ। অতএব তোমরা এটির অনুসরণ করো। অনেক পথের অনুসরণ করো না। কেননা তা তোমাদেরকে দ্বিধা-বিভক্ত করে দেবে।’

উমার বিন আবদুল আযীয (রাহি.) বলেছেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর পরবর্তী মুসলিম দায়িত্বশীলগণ সুনির্দিষ্ট কিছু বিধান ঠিক করে দিয়েছেন। এগুলো আঁকড়ে ধরা হলো আল্লাহর কিতাবের সত্যায়ন। তাঁর আনুগত্যের পূর্ণতা, দীনের ওপর টিকে থাকার শক্তি। এগুলোতে কোনো ধরনের পরিবর্তনে কারো অধিকার নেই।

যে এগুলো মেনে চলবে, সে হেদায়াতপ্রাপ্ত হবে। আর যে এর বিপরীতে চলবে, সে মুমিনদের পথ অনুসরণ করলো না। সে যেদিকে চলতে চায়, আল্লাহ তাকে সেদিকে নিয়ে যাবেন। অবশেষে তাকে জাহান্নামে প্রবেশ করাবেন যা নিকৃষ্ট আবাসস্থল।

হে মুসলিমগণ! ইসলামী শরীয়ার মূল ভিত্তিসমূহের ওপর একত্রিত হওয়া, এগুলোর প্রতি আহ্বান জানানো, ভবিষ্যত প্রজন্মকে এগুলোর প্রশিক্ষণ দান, মানুষকে এগুলো অনুধাবন ও আঁকড়ে ধরার বিষয়ে প্রেরণা দান বর্তমান সময়ে সকল আলিম, দায়ী, সংস্কারকর্মী ও মুরুব্বীদের ওপর আবশ্যিক কর্তব্য।

হে আল্লাহর বান্দাগণ! বর্তমানে মুসলিম উম্মাহ আকীদা-বিশ্বাস, চিন্তা-দর্শন, ও সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের শিকার। এমনকি তাদের আত্মপরিচয় পর্যন্ত বিলুপ্ত করার প্রয়াস চলছে। এ অবস্থায় প্রয়োজন ইসলামের শাশ্বত প্রতিষ্ঠিত বিষয়সমূহ মন-মানসে জাগ্রত রাখা। ভবিষ্যত প্রজন্মকে এর ভিত্তিতে গড়ে তোলা। এর মাধ্যমেই উম্মাহর আত্মপরিচয় টিকে থাকা সম্ভব।
মুসলিম উম্মাহর বিশ্বাস, আদর্শ জীবন, সম্পদ রক্ষায় সবচেয়ে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে ইসলামের সুপ্রতিষ্ঠিত নীতিমালা ও বিধানসমূহ।

মনে রাখতে হবে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রেরিত হয়েছেন উদার নীতি ও উত্তম নৈতিক চরিত্র নিয়ে। তিনি উত্তম চরিত্র শিষ্টাচারের পরিপূর্ণতা দানকারী। তিনি যে দীন নিয়ে এসেছেন তা সহজ। এই সহজ দীনকে যে কঠিন করতে চাইবে, তা তাকে পরাভূত করবে।

যেসব মত ও পথ ইসলামী শরীয়ার প্রতিষ্ঠিত মূলনীতি বিরোধী হবে, সেগুলো উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারবে না বরং উম্মাহর মধ্যে উসকে দেবে সন্দেহ, সংশয় ও বিশৃঙ্খলা।
হে মুসলিমগণ! ইসলামের প্রতিষ্ঠিত বিষয়সমূহকে আঁকড়ে ধরুন। এর ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হোন। এর মাধ্যমেই মুক্তি ও সফলতা লাভ করা যাবে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহ ও সীরাতকে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরুন, কেননা তাঁর সুন্নাহ ও সীরাত হলো আল্লাহর কিতাবের বাস্তব তাফসীর তথা ব্যাখ্যা।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সকল উপদেশাবলী গভীর মনোযোগ দিয়ে অনুধাবন করুন। তিনি বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে যে বেঁচে থাকবে সে বহু ধরনের মতভেদ দেখতে পাবে। তখন তাদের দায়িত্ব হবে আমার ও হেদায়াতপ্রাপ্ত খলিফাগণের সুন্নাহ তথা আদর্শ অনুসরণ করা। তোমরা মাড়ির দাঁত দিয়ে তা কামড়ে ধরো। দীনের মধ্যে নতুন উদ্ভাবিত বিষয়সমূহের ব্যাপারে সতর্ক থাকবে। কেননা নতুন উদ্ভাবিত প্রতিটি বিষয়ই ভ্রান্ত।’ (মুসনাদে আহমাদ)

অনুবাদ: আ.ন.ম. রশীদ আহমাদ
বিষয়: ইসলামের মূলনীতিসমূহ সুরক্ষিত রাখা
শাইখ ড. খালিদ বিন আলী আল-গামেদী
ইমাম, মাসজিদুল হারাম, মক্কা মুকাররামা।

 


ঢাকা, ৩ জানুয়ারী (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমআই

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।