বেরোবি'র ভর্তি জালিয়াতকে কর্মকর্তা পদে সাক্ষাৎকারের ডাক!


Published: 2017-12-07 17:24:18 BdST, Updated: 2017-12-14 04:29:53 BdST


বেরোবি লাইভ: বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ২০১৪-১৫ স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষায় অর্থের বিনিময়ে ভর্তি করানো ও প্রশ্ন পত্র ফাঁসের দায়ে পাঁচ বছরের সাঁজা দেওয়া হয় কর্মচারী আবুল কালাম আজাদকে! তাঁর সেই সাঁজার মেয়াদ শেষ নাহলেও তিনি এবার সেকশন অফিসার (গ্রেড-১) পদে আবেদন করেছেন। এমনকি শুক্রবার ৮ ডিসেম্বর বেলা সাড়ে ১০ টায় সেকশন অফিসার (গ্রেড-১) পদে নিয়োগ বাছাই বোর্ডের সাক্ষাৎকারের জন্য এই কর্মচারীকে ডাকা হয়েছে। এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় তৎকালীন ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সেমিনার সহকারী আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে প্রশ্নপত্র সরবরাহ করে আর্থিক সুবিধা নেওয়াসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছিলো। ওই বছরের প্রশ্নপত্র ফাঁস করে তার এক স্বজনকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ করে দেওয়ার ঘটনা জানাজানি হলে তোলপাড় শুরু হয়।

তৎকালীন ভিসি প্রফেসর ড. একেএম নূর-উন-নবী ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করেন। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুসারে ২০১৫ সালের ২৬ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৭তম সিন্ডিকেট সভায় ওই কর্মচারীর পাঁচ বছরের জন্য আপগ্রেডেশন/প্রমোশন বন্ধসহ ইনক্রিমেন্ট না দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

এমন একজন অভিযুক্ত ব্যাক্তির সাঁজার মেয়াদ শেষ না হতেই তার ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে শিক্ষক সমতিরি এক নেতা বলেন, তাঁর সাজা মওকুফ কিংবা মেয়াদ শেষ না হওয়ার পরেও যদি এমন একজন ব্যাক্তি কর্মকর্তা হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয় তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ইব্রাহীম কবির বলেন, আমি অনেকগুলো চিঠি ইস্যু করেছি। সব কিছু মনে নেই। তাঁকে ভুল করেই চিঠিটা (সাক্ষাৎকারের) দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ সাথে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ফোন রিসিভ করেননি তিনি।


ঢাকা, ০৭ ডিসেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমআই

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।