এসব দৃশ্য কি টর্চার সেলকে ও হার মানায় না ?রাবি ও রুয়েটে সেল নেই, টর্চার আছে!


Published: 2019-10-14 16:16:24 BdST, Updated: 2019-11-15 20:51:44 BdST

রাশেদ রাজন, রাবি ও রুয়েটঃ  টর্চার আছে সেল নেই। প্রায় প্রতিদিন কোন না কোন শিক্ষার্থী হচ্ছেন ওই চর্টারের শিকার। কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়না। লজ্জা আর ঘৃনায় শেয়ারও করতে চায়রা অনেকে। নির্যাতনের মাত্রা দিন দিন বেড়েই চলেছে। ওরা কারো মুখে, কারো হাটুতে আবার কারো সারা শরীরে রক্তাক্ত জখম করেছে। এই চিত্র জানতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে গেলেই জানা যাবে। 

প্রশাসনের কেউ এসব আমলে নেন না। জানালে ম্যানেজ করে চলতে হেদায়াত দিয়েই ক্ষান্ত থাকেন। এই দৃশ্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ও রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট)।

আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের পর দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে ছাত্রলীগের ‘টর্চার সেলে’ শিক্ষার্থীদের নির্যাতনের বিষয়টি সামনে উঠে এসেছে।

রাবি ও রুয়েটে বিভিন্ন সময়ে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের দ্বারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের নির্যাতনের অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। তাই এ দুই বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘টর্চার সেল’ পাওয়া না গেলেও প্রতিটি হলে বেশ কয়েকটি কক্ষ দখলে নিয়ে ‘পলিটিক্যাল ব্লক’ বানিয়েছে ছাত্রলীগ। বিভিন্ন সময়ে এসব কক্ষে শিক্ষার্থীদের এনে মারধরের অভিযোগ রয়েছে। ছাত্রলীগের মারধরে শিক্ষার্থীদের হাত-পা এমনকি মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙ্গে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

বিভিন্ন সময়ে সাধারণ শিক্ষার্থী, সাংবাদিক ও কর্মচারী মারধর, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ছাত্রী উত্যক্ত, সিট বাণিজ্য, টেন্ডার ছাড়াই আম ও লিচু বাগান দখল ও হলগুলোতে ‘পলিটিক্যাল ব্লক’ তৈরী করাসহ বিভিন্ন ধরণের অপকর্মে জড়িয়েছেন এই দুই শাখা ছাত্রলীগের কতিপয় নেতাকর্মী।

রুয়েটে প্রতিপক্ষ গ্রুপের নেতাকর্মীদের মারধরের ঘটনায় নিরাপত্তা সংকটে ইতোপূর্বে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণারও ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের দ্বারা অসংখ্যবার সাধারণ শিক্ষার্থীরা নির্যাতনের শিকার হলেও জড়িতদের বিরুদ্ধে এ দুই বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি।

সাধারণ শিক্ষার্থীদের মারধর:

ছাত্রলীগের এই দুই শাখায় বিভিন্ন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অসংখ্য সাধারণ শিক্ষার্থী মারধরের শিকার হয়েছেন। গত বছরের ২১ সেপ্টেম্বর রাবির মাদার বখশ হলে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে ৪ ঘণ্টা আটকে রেখে বেধড়ক মারধর করেন রাবি ছাত্রলীগের প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক আসাদুল্লাহিল গালিব, সহ-সম্পাদক আব্দুল্লাহিল কাফি ও ছাত্রলীগ কর্মী শুভ্রদেব।

অস্ত্র হাতে হামলা

 

ধূমপান নিয়ে কথা কাটাকাটিকে কেন্দ্র করে ১ অক্টোবর এক শিক্ষার্থীকে মারধর করেন সহ-সভাপতি রমিজুল ইসলাম। ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় ১৪ শিক্ষার্থীকে মুন্নুজান হলের সামনে থেকে ধরে বঙ্গবন্ধু হলের এক ঘণ্টা আটকে রেখে মারধর ও জিজ্ঞাসাবাদের পর ৪ জনকে শিবির সন্দেহে পুলিশে দেওয়া হয়।

এরপর গত ১৩ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি করার অভিযোগ এনে আরবী বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীকে মারধর করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। ২০ নভেম্বর রাবির পরিবহনের আব্দুল গনি নামের এক বাস চালককে মারধর করে ছাত্রলীগ।

১লা ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ে বণিজ্যিক ধারার ‘দহন’ সিনেমার প্রদর্শনীর প্রতিবাদ করায় এক সাংবাদিক ও প্রগতিশীল ছাত্রজোটের ছয় নেতাকর্মীকে মারধর করে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। ৬ ডিসেম্বর তুচ্ছ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা হলে এক শিক্ষার্থীকে বেধড়ক মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দেন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি গুফরান গাজীসহ কয়েকজন নেতাকর্মী।

এর আগে ৬ মার্চ নাট্যকর্মী মাইনুল ইসলামকে মারধর করেন ছাত্রলীগ নেতা মাহমুদুর রহমান কানন ও ঝলক সরকার। ৪ জুলাই ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ‘কটূক্তি’র অভিযোগে এক শিক্ষার্থীকে মারধর করে ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা।

সাধারণ শিক্ষার্থীর উপর নির্যাতন

চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি রাবি ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সুরঞ্জিত প্রসাদ বৃত্তের নেতৃত্বে কয়েক নেতা-কর্মী ৩ শিক্ষার্থীকে সোহরাওয়ার্দী হলে জিম্মি করে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। পরে তাদের মারধর করে মাদক কারবারি ও ছাত্রদল আখ্যা দিয়ে পুলিশে দেয়।

১৫ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাডেমিক ভবনের ছাদে এক শিক্ষার্থীকে ডেকে নিয়ে মারধর করেন ছাত্রলীগ কর্মীরা। গত ২৮ এপ্রিল রাবির দর্শন বিভাগের চতুর্থ বর্ষের এক শিক্ষার্থীকে লিচু পাড়ার অভিযোগে মারধর করা হয়।

৫ আগস্ট মতিহার হলে এক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ছাত্রলীগের ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক তারেক আহমেদ খান শান্ত ৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন ও চোখ বেঁধে রড় দিয়ে মারধর করেন।

সর্বশেষ ২৮ সেপ্টেম্বর ছাত্রলীগকে না জানিয়ে হলে ওঠায় সৈয়দ আমীর আলী হলে এক শিক্ষার্থীকে মারধর করেন ছাত্রলীগ নেতা হাসান মো. তারেক। এর আগে ২ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে তরিকুল ইসলাম নামে এক আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীকে হাতুড়ি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় মারধরে তরিকুলে পা এবং মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙ্গে যায়।

এদিকে, রুয়েটে ২০১৭ সালের ১৭ আগস্ট পূর্ব শত্রুতার জের ধরে রুয়েট শাখা ছাত্রলীগের উপ-গণশিক্ষা সম্পাদক নির্ঝর আহমেদকে মারধর করে দলীয় কর্মীরা। একই বছর ২৫ অক্টোবর সাইফ নামের এক শিক্ষার্থীকে ‘শিবির’ সন্দেহে মারধর করে পুলিশে দেয় রুয়েট ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এর আগে ১২ এপ্রিল রুয়েটের আবাসিক হল থেকে আটক করে শহিদুল ইসলাম নামের রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের এক ছাত্রকে মারধর করে পুলিশে দেয় ছাত্রলীগ।

আবার শিক্ষার্থীদের মারধরের ঘটনাগুলো ঢাকতে ছাত্রদল-শিবির আখ্যা দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে 'শিবির সন্দেহে' শিক্ষার্থীদের মারধর করে পুলিশে দেওয়া হলেও সংশ্লিষ্টতা খুঁজে না পাওয়ায় অনেকে মুক্তি পান।

পুলিশের কাছে আটক

 

আবার একাধিক শিক্ষার্থীকে 'শিবির' সন্দেহে আটক করে কয়েকজনকে পুলিশে দিয়ে বাকিদের মারধর করে ছেড়ে দেওয়া হয়। এসব ঘটনায় শিক্ষার্থীদের ফোন-মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ পাওয়া যায়।

চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি রাবি ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সুরঞ্জিত প্রসাদ বৃত্তের নেতৃত্বে কয়েক নেতা-কর্মী ৩ শিক্ষার্থীকে সোহরাওয়ার্দী হলে জিম্মি করে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। পরে তাদের মারধর করে মাদক কারবারি ও ছাত্রদল আখ্যা দিয়ে পুলিশে দেয়।

গত বছরের ১৮ অক্টোবর ১৪ শিক্ষার্থীকে মুন্নুজান হলের সামনে থেকে ধরে বঙ্গবন্ধু হলের এক ঘণ্টা আটকে রেখে মারধর করা হয়। পরে ৪ জনকে শিবির সন্দেহে পুলিশে দিয়ে বাকিদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এসময় আইন বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে ছেড়ে দেওয়া হলেও তার ফোন কেড়ে নেয় ছাত্রলীগ।

দলীয় নেতা-কর্মীদের মারধর:

সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি দলীয় নেতা-কর্মীদেরও মারধরের অভিযোগ রয়েছে। চলতি বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর রাবির মাদার বক্স হলের আবাসিক হলের গেস্ট রুমে বসা নিয়ে প্রতিপক্ষ গ্রুপের ৭ কর্মীকে ব্যাপক মারধর করেছে।

অন্যদিকে, গত বছরের ২৪ জানুয়ারি আধিপত্য বিস্তার নিয়ে রুয়েটের হামিদ হলে ছাত্রলীগের সভাপতির অনুসারীদের মারধর করেছে সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা। এ সময় ছাত্রলীগের ১১ নেতাকর্মী আহত হয়।

সাংবাদিক লাঞ্ছনা:

২০১৮ সালের ১০ জুলাই ছাত্রলীগের ১০-১২ জন নেতাকর্মী ডেইলি স্টারের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আরাফাত রহমানকে বেধড়ক মারধর করেন। এরপর গত বছরের ১ ডিসেম্বর দৈনিক খোলা কাগজের প্রতিনিধি আলী ইউনুস হৃদয়কে মারধর করেন রাবি ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাবরুন জামিল সুষ্ময়।

চলতি বছরের ৯ সেপ্টেম্বর শহীদ হবিবুর রহমান হলে ইংরেজি দৈনিক দ্যা এশিয়ান এজের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি সাকিব আল হাসানের সিট দখল ও লাঞ্ছিত করেন ছাত্রলীগ নেতা মিনহাজুল ইসলাম। সর্বশেষ ২৮ সেপ্টেম্বর শহীদ হবিবুর রহমান হলে ডেইলি স্টারের সাংবাদিক আরাফাত রহমানকে লাঞ্ছিতের ঘটনায় ছাত্রলীগের দুই নেতাকে বহিষ্কার করা হয়।

চাঁদাবাজি: গত বছরের ৮ নভেম্বর রাবির ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রথম বর্ষের এক শিক্ষার্থীকে শিবির আখ্যা দিয়ে তার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা চাঁদাবাজি করে রাবি ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক সাফি।

নির্যাতনের শিকার

পরে সাংবাদিকদের হস্তক্ষেপে টাকা ফেরত দেন তিনি। এরপর ৭ ডিসেম্বর আল আরমান হৃদয় নামের এক ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে বিশ হাজার টাকা চুক্তি করে বিশ্ববিদ্যালয় সমাজবিজ্ঞান অনুষদের সাধারণ সম্পাদক শফিউর রহমান রাথিক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জসীমউদ্দীন রাহুল। চুক্তি অনুযায়ী হৃদয় পাঁচ হাজার টাকা প্রদান করে এবং পরে বাকি ১৫ হাজার টাকা দিতে অস্বীকৃতি তার একাডেমিক সনদপত্র জিম্মি করে রাখে বলেও অভিযোগ পাওয়া যায়।

ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির হুমকি:

নিজের প্রেমিকার সঙ্গে তার হলের সিনিয়র এক ছাত্রী খারাপ আচরণ করায় ২০১৭ সালের ১১ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির হুমকি দেন রাবি ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সারোয়ার হোসেন। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে ছাত্রী উত্যক্তের অভিযোগও রয়েছে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে।

ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর দ্বারা একের পর এক উশৃঙ্খল কর্মকাণ্ড সংগঠিত হচ্ছে। যেসব নেতাকর্মী বিতর্কিত কর্মকান্ডে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় তারা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন।

জানতে চাইলে রাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু ক্যাম্পাসলাইভকে বলেন, ‘ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের কোন টর্চার সেল বা পলিটিক্যাল ব্লক নেই। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন হলে তল্লাশি চালিয়ে কিছুই পায় নি। ছাত্রলীগ একটি বৃহৎ সংগঠন। অনেক সময় অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ঘটনা ঘটে। আমরা নেতাকর্মীদের সতর্ক করেছি। এরপর কেউ নেতিবাচক কর্মকান্ড করে তবে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে’।

বিভিন্ন সময়ের অপকর্মের দৃশ্য

এদিকে, রুয়েট ছাত্রলীগ সভাপতি নাইমুর রহমান নিবিড় ক্যাম্পাসলাইভকে বলেন, ‘ছাত্রলীগের কোন নেতাকর্মী অপকর্মের সাথে জড়িত হলে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগকে জানালে তারা সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সবাইকে নিয়ে একটি পরিবার। তবে অনেক সময় এখানে কিছু তুচ্ছ ও বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটে যায়। সেক্ষেত্রে আমরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সমাধান করার চেষ্টা করি’।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর লুৎফর রহমান ক্যাম্পাসলাইভকে বলেন, ‘ক্যাম্পাসে যে যাই অপরাধ করুক তা দেখার এখতিয়ার কেবল বিশ্ববিদ্যালয় ও পুলিশ প্রশাসনের। আমাকে কেউ যদি হয়রানির অভিযোগ দেয় তবে আমি ব্যবস্থা নেব’।

এ বিষয়ে রুয়েটের ভিসি প্রফেসর মো. রফিকুল ইসলাম সেখ ক্যাম্পাসলাইভকে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সময়ে ছাত্রদের মারধরের ঘটনা ঘটেছে, এটা সত্য। এ ধরণের ঘটনাগুলো ঘটলে আমরা সঙ্গে সঙ্গেই ব্যবস্থা নেই। এসব ঘটনার যেন পুনারবৃত্তি না হয় সেজন্য আমরা সচেষ্ট আছি’।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি আনন্দ কুমার সাহা ক্যাম্পাসলাইভকে বলেন, ‘ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠন দ্বারা ছাত্রদের মারধরের ঘটনা ঘটেছে। প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়গুলোতে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছেন। আমরাও চেষ্টা করছি ছাত্রদের ওপর এ ধরনের ঘটনা যেন আর না ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুসারে সুশৃঙ্খলভাবে সকল কার্যক্রম পরিচালিত হবে। কেউ যেন বেপরোয়া কর্মকান্ড ঘটাতে না পারে, সে ব্যাপারে আমরা সচেষ্ট আছি’।

ঢাকা, ১৪ অক্টোবর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমজেড

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।