রাবির প্রফেসর অসিত রায়ের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি


Published: 2018-08-17 19:35:27 BdST, Updated: 2018-09-19 04:14:44 BdST

রাবি লাইভ: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সঙ্গীত বিভাগের প্রফেসর ড. অসিত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। জাল সনদ ও তথ্য গোপনে চাকুরি এবং স্ত্রীকে নিয়ম বহির্ভুত নিয়োগ দেওয়াসহ কয়েকটি বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

জানা গেছে, সহকর্মীদের অভিযোগের ফলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বৃহস্পতিবার রাতে ৪৮২ তম সিন্ডিকেট সভায় এ কমিটি গঠন করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিন্ডিকেট সদস্য প্রফেসর ড. আব্দুল আলীম।

প্রফেসর ড. আব্দুল আলীম ক্যাম্পাসলাইভকে বলেন, বিভাগের শিক্ষক কৃষ্ণপদ মন্ডল, ড. দীনবন্ধু পালের অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযোগ তদন্ত করতে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

গঠিত তদন্ত কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয় উদ্ভিদ বিজ্ঞানের প্রফেসর গোলাম কবীরকে আহবায়ক করা হয়। বাকী দুজন সদস্য হলেন, রসায়ন বিভাগের প্রফেসর লায়লা আরজুমান্দ বানু ও জেনেটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর বিশ্বনাথ শিকদার।

এদিকে সূত্রে জানা যায়, তৃতীয় বিভাগ ও ডীগ্রীর সনদে চাকুরি করছেন এবং পরবর্তীতে নিয়মের ব্যতয় ঘটিয়ে মৌখিক পরীক্ষা না দিয়েই পিএইডি ডিগ্রী অর্জন, পদোন্নতিসহ বেশ কিছু অভিযোগ উঠলে প্রফেসর ড. অসীত রায়ের বিরুদ্ধে ২০০৯ সালে তৎকালীন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রফেসর ফায়েকউজ্জামানকে আহবায়ক করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

তদন্ত কমিটি অভিযোগের সত্যতা পায় এবং ওই শিক্ষকের ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় পাল্টা অভিযোগের প্রেক্ষিতে আবারও ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

তবে এখনও তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় সহকর্মীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আবারও তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এদিকে ড. অসীত রায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, নিজ স্ত্রী ও সঙ্গীত বিভাগের বর্তমান সভাপতি পদ্মিনী দে এর নিয়োগের সময় অনিয়ম করেছেন তিনি। একই সাথে শিক্ষকতার ধাপে ধাপে তথ্য গোপনের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।


ঢাকা, ১৭ আগস্ট (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমআই

 

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।