রাবিতে এ বছরের যত আলোচিত ঘটনা


Published: 2017-12-31 15:10:41 BdST, Updated: 2018-09-24 12:29:10 BdST


রাবি লাইভ: একটি দিনের ব্যবধানে সূচনা ঘটবে নতুন বছর ২০১৮ সালের। বার্তা নিয়ে আসবে শুভ দিনের কিন্তু একটি নতুন বছর শুভ দিনের বার্তা নিয়ে আগমন করলেও ঘটে নানা অনাঙ্খিত ঘটনা।

সৃষ্টি হয় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার। বছর জুড়ে প্রতিনিয়তই ঘটেছে নানা পরিবর্তন, সৃষ্টি হয়েছে বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন নতুন বিষয়। তেমনি এ থেকে বাদ পড়েনি বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রাচ্যর ক্যাম্ব্রিজ বলে খ্যাত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

এখানেও ঘটে গেছে অনেক ঘটনা, ফলে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা। যেগুলো বছর জুড়েই ছিলো শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মুখে মুখে। ক্যাম্পাসের ভিতর থেকে প্রকাশ্যে ছাত্রীকে অপহরণ, ইয়াবা ব্যবসা চক্রের তালিকায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মচারীদের নাম, শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌতুক মামলায় গ্রেফতারী পরোয়ানা, সাংবাদিককে হত্যা চেষ্টা, ছাত্র কতৃক শিক্ষককে মারধর, ছাত্রলীগের অস্ত্র হাতে শোডাউন, কেন্দ্রীয় সভাপতি সম্পাদকসহ ছাত্রলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে শিবিরের মামলাসহ নানা ঘটনা। এগুলোর মধ্যে উল্লেখ যোগ্য ঘটনাগুলো তুলে ধরা হলো।

প্রকাশ্যে দিবালোকে রাবি ছাত্রীকে অপহরণ, ব্যাপক বিক্ষোভ ও গণআন্দোলন গত ১৭ নভেম্বর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ছাত্রী হল বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের সামনে থেকে প্রকাশ্যে দিবালোকে উম্মে শাহী আম্মানা শোভা নামে এক আবাসিক শিক্ষার্থীকে অপহরণ করার ঘটলে দেশ জুড়ে সৃষ্টি হয় ব্যাপক সমালোচনা।

ভিসির বাসভবন ঘেরাও, দিনব্যাপী ব্যাপক বিক্ষোভ ও গণআন্দোলনের মুখে একদিন পর অপহৃত শিক্ষার্থীকে উদ্ধার ও অপহরনকারী সোহেল রানাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। শোভার সাবেক ‘স্বামী’ সোহেল রানার নেতৃত্বে তিন চার জন যুবক একটি মাইক্রোবাসে জোর করে তাকে তুলে নিয়ে গেলে এ আন্দোলনের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় শিক্ষার্থীরা অপহৃত ছাত্রীকে অক্ষত অবস্থায় ফেরত, ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ছাত্রী হলের সামনে চেকপোস্ট, হল গেট ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রবেশ পথে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, সান্ধ্য আইন বাতিল, সব হলে অভিভাবক প্রবেশ করতে অনুমতি গ্রহণ এবং বিভাগগুলোতে শিক্ষার্থীদের সুবিধা-অসুবিধা বিবেচনা করাসহ ৭ দফা দাবী জানান শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্ত্রীর যৌতুক মামলায় গ্রেফতারী পরোয়ানা: গত ৪ জুলাই স্ত্রীর দায়ের করা যৌতুকের মামলায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ক্রপ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের প্রফেসর ড. মো. হাফিজুর রহমানের বিরু গ্রেফতারী পরোয়ানা জারির আদেশ দেন আদালত।

রাজশাহী অতিরিক্তি মূখ্য মহানগর হাকিম জুলফিকার উল্লাহর বেঞ্চ এ আদেশ দেন। গত ৩০ এপ্রিল প্রফেসর হাফিজুর রহমান স্ত্রীর কাছে ৫০ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবি করে স্ত্রী-সন্তানদের ভাড়া বাড়িতে রেখে চলে গেলে নানাভাবে আপোষ করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হওয়ায় মামলার বাদী হয়ে আদালতে মামলা স্ত্রী। এ ঘটনা ক্যাম্পাসে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

সাংবাদিককে হত্যা চেষ্টা, ছাত্রলীগ নেতাদের বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার: ১০ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে ছাত্রলীগ কতৃক বাস ভাঙচুরের ছবি তুলতে গেলে ডেইলি স্টারের রাবি প্রতিনিধি আরাফাত রহমানকে বেধড়ক মারধর করে হত্যার চেষ্টা করে ছাত্রলীগের ৫-৭ নেতাকর্মী। সংবাদমাধ্যমে মারধরের খবরটি প্রকাশিত হওয়ার পর ওইদিন সন্ধ্যায় মাহমুদুর রহমান কাননসহ দুইজনকে বহিষ্কার করে কেন্দ্রীয় কমিটি। এছাড়া ওই রাতেই হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ছাত্রলীগের চার নেতার নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনকে আসামি করে নগরীর মতিহার থানায় মামলা দায়ের করে ভূক্তভোগী সাংবাদিক।

কিন্তু আসামীদেরতো গ্রেফতার করা হয়নি, অন্যদিকে ১৬ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি সেক্রেটারীর সুপারিশের পরিপেক্ষিতে মারধরের ঘটনায় বহিষ্কৃত এক ছাত্রলীগ নেতার বহিষ্কারাদেশ করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।

ইয়াবা চক্রের তালিকায় রাবি ও রুয়েটের শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মচারীর নাম, দেশ ব্যাপী সমালোচনার ঝড়, সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের মাদক শাখার গোপন গোয়েন্দা রিপোর্টের আলোকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ও রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে (রুয়েট) ঘিরে গড়ে ওঠা ইয়াবা ব্যবসা চক্রের ৪৪ জনকে শনাক্তের খবর ১০ নভেম্বর জাতীয় দৈনিকগুলোতে প্রকাশ হলে দেশ ব্যাপাী ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

ওই তালিকায় রাবির ৩৪ জন ও রুয়েটের ১০ জনের মধ্যে রাবির ছয়জন শিক্ষক, আটজন কর্মকর্তা-কর্মচারী, ১১ জন ছাত্রলীগ নেতাকর্মী, তিনজন সাবেক ছাত্রদল নেতা ও ছয়জন সাধারণ শিক্ষার্থী এবং রুয়েটের একজন শিক্ষক, দুইজন ছাত্রী ও সাতজন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রাজশাহী অঞ্চলভুক্ত পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) চারজন কর্মকর্তার নামও ইয়াবা চক্রের তালিকায় উঠে আসে এই গোয়েন্দা রিপোর্টে।

সংবাদ প্রকাশের জের ধরে তিন সাংবাদিকের নামে ৫০০, ৫০১ ও ৫০২ ধারায় মানহানির মামলা দায়ের করে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দু’জন নেতা। মহানগর মুখ্য হাকিম আদালতে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রবিউল আউয়াল মিল্টন ও সাংগঠনিক সম্পাদক মুশফিক তাহমিদ তন্ময় এ মামলা করলে এ ঘটনার তিব্র প্রতিবাদ জানিয়ে মানববন্ধন করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্মরত সাংবাদিকরা।

৪ দফা দাবীতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন: গত ২৩ জুলাই অন্যায় ভাবে বাসের ট্রিপ কমানো ও আবাসিক হলে খাবারের মানবৃদ্ধি সহ ৪ দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয় প্যারিস রোডে এ মানববন্ধন আয়োজন করা হয়। বাসের ট্রিপ বাড়ানো, আবাসিক হলে খাবারের মানবৃদ্ধি, সপ্তাহে প্রতিদিন লাইব্রেরী খোলা রাখা, ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা বৃদ্ধিও দাবীতে এ মানববন্ধনের প্রায় হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহন করে।

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সম্পাদকসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে শিবিরের মামলা গত ২১ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলে ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের মারধর করে পুলিশে সোপর্দ করার ঘটনায় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি-সম্পাদকসহ ২৪ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির।

বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক নাবিউল ইসলাম বাদী হয়ে রাজশাহী চীফ মেট্রোপলিটন মেজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলা দায়ের করে। ‘গত ৮ অগাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ছাত্রশিবিরের ১৩ জন নেতাকর্মীকে মারপিট করায় ১৪৩, ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯, ৩০৭, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫ ও ৩২৬ ধারায় এ মামলা দায়ের করলে ক্যাম্পাসে ব্যাপক আলোচিত হয় ঘটনাটি।

শিক্ষককে মারধর, শিক্ষার্থীকে স্থায়ী বহিস্কার: গত ২৫ সেপ্টেম্বর ইন্টার্নশিপ পেপারে স্বাক্ষর করানো নিয়ে প্রফেসর মোহা. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের (আইবিএ) প্রফেসর মো. হাছানাত আলীকে বেধড়ক মারধর করে ওই ইনস্টিটিউটের এক শিক্ষার্থী।

মারধরকারী শিক্ষার্থী আবু নাহিদ মোহাম্মদ হায়দার ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের (আইবিএ) এমবিএ (দিবা) নবম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তাকে আটক করে নগরীর মতিহার থানায় পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়। গত ৭ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. এম. আব্দুস সোবহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ৪৭৪তম সিন্ডিকেট সভায় শিক্ষককে মারধরের থটনায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়।

ভর্তি পরীক্ষার রাতে ছাত্রলীগের অস্ত্র হাতে শোডাউন: গত ২১ অক্টোবর রাতে প্রতিপক্ষ ছাত্র সংগঠন ছাত্রদলকে প্রতিহতের মাধ্যমে পরীক্ষার প্রথম রাতেই অস্ত্রবাজী দিয়ে শুরু হয় ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীকে ছাত্রলীগের শুভেচ্ছা। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে ছাত্রদলের পোষ্টার, ব্যানার লাগানো হচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে বের হয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

আধাঘন্টাব্যাপী ‘হই-হই রই-রই, ধর-ধর, মার-মার’ চিৎকারে গোটা ক্যাম্পাস ও আশেপাশের এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়ায় ছাত্রলীগ। তাছাড়া ওই রাতে চাপাতি, রাম-দা ও লোহার রড ঠেকিয়ে ইচ্ছেকৃতভাবে উচ্চশব্দ ও আতঙ্কের সৃষ্টি করেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের মধ্যে।

তিন শিক্ষার্থীকে দিয়ে হলের কর্মচারীর দায়িত্ব পালন: গত ২৫ অক্টোবর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০১৭-১৮ সেশনের বিজ্ঞান অনুষদের (সি-ইউনিট) ভর্তি পরীক্ষায় গণিত বিভাগের তিন ছাত্রকে দিয়ে হলে সহায়ক কর্মচারীর দায়িত্ব পালন করালে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন প্রক্টর প্রফেসর ড. লুৎফর রহমান।

সি-ইউনিটের (বিজ্ঞান অনুষদ) প্রথম শিফট, দ্বিতীয় শিফট ও তৃতীয় শিফটে গণিত বিভাগের ছাত্র জাকির হোসেন, আব্দুর রহমান ও মো. সোহেলকে হলের সহায়ক কর্মচারীর দায়িত্ব পালন করান তিনি। এ ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনাসহ তিনি বিশ্ববিদ্যালয় আইন লঙ্ঘন করেছেন বলে অনেক শিক্ষক অভিযোগ করেন।

ছাত্রলীগের অস্ত্রের মহড়া, শিবিরের কক্টেল বিষ্ফোরণ: গত ৩০ অক্টোবর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা আরিফুল ইসলাম আরিফ নামে এক শিবির নেতাকে ব্যাপক ভাবে পিটিয়ে পুলিশে সোপর্দ করার ঘটনায় পাল্টাপাল্টি শোডাউন দেয় ছাত্রলীগ ও ছাত্রশিবির।

শিবির নেতাকে পিটিয়ে পুলিশকে দেয়ার খবর শোনার কিছুক্ষন পরেই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সংলগ্ন বিনোদপুরে মিছিল করে কক্টেল ফোটায় শিবির। এ খবর ছাত্রলীগ নেতাদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে পুরো ক্যাম্পাসে প্রকাশ্য অস্ত্র নিয়ে মহড়া দেয় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ। দুই দলের এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানের কারণে ক্যাম্পাসে অতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু; প্রশাসন ভবন ঘেরাও: বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের উপ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক সানিউর রহমান সানি হেপাটাইটিস বি ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলে জানাজায় অংশ নিতে তার গ্রামের বাড়ি যাওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস না পেয়ে প্রশাসন ভবন অবরোধ করে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

জানাজায় অংশ নেয়ার জন্য ছাত্রলীগ নেতাকর্মীসহ তার সহপাঠীরা প্রশাসনের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বাস চায়। কিন্তু ভিসি প্রফেসর ড. এম আব্দুস সোবহান বাস দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে ক্যাম্পাসের বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়ে প্রশাসন ভবন অবরোধ করে রাখেন তারা।


ঢাকা, ৩১ ডিসেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমআই

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।