নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভুয়া সনদে শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগ!


Published: 2017-11-15 19:41:42 BdST, Updated: 2017-12-14 04:30:24 BdST



জাককানইবি লাইভ: এবার একাধিক ভূয়া সনদে নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে। কাগজ-পত্র ও সার্টিফিকেটসহ বিভিন্ন জাল-জালিয়াতিরও অভিযোগ মিলেছে। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ( জাককানইবি) এসব ঘটনা ঘটেছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানাগেছে।

এ ব্যাপারে হাইকোর্টে রিট ও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বরাবরে অভিযোগ করেছেন প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপক পৃথক দুটি পদে আবেদনকারী এক ভুক্তভোগী প্রার্থী।

দুর্নীতি দমন কমিশনে দেয়া অভিযোগে জানা যায়, ২০০৯ সালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চারুকলা বিভাগ চালু হওয়ার পর একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় একজন সহকারী অধ্যাপক ও দুইজন প্রভাষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।

সহকারী অধ্যাপক পদের জন্য বাধ্যতামূলক তিন বৎসর শিক্ষকতার অভিজ্ঞতাসহ বিএফএ স্নাতকসহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের আবেদন করতে বলা হয়।

প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপক পৃথক দুটি পদে আবেদনকারী ভুক্তভোগী প্রার্থী হোসাইন মোহাম্মদ ফারুক বিজ্ঞাপনের সব শর্ত পূরণ করে বাছাই বোর্ডে অংশ গ্রহণ করলেও বিজ্ঞপ্তির অন্যতম শর্ত তিন বৎসর শিক্ষকতার অভিজ্ঞতার জাল সনদে সাফিন ওমরকে মনোনীত করে নিয়োগ বোর্ড।

এ ঘটনায় জাল সনদের অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে রিট করেন হোসাইন মোহাম্মদ ফারুক। অভিযোগ থেকে নিষ্কৃতি পেতে স্বেচ্ছায় অবসরে যান সাফিন ওমর।

পরবর্তীতে ক্ষমতার অপব্যবহার করে একাধিক প্রার্থী থাকা সত্ত্বেও আগের মতো তিন বৎসরের অভিজ্ঞতা ছাড়াই দুলালচন্দ্র গাইনকে নিয়োগ দেয়া হয়।

অল্প সময়ের মধ্যে বিভিন্ন খাত থেকে তিনি বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ করেন। পরে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলায় চারুকলা বিভাগের চাকরি থেকে তিনিও পদত্যাগ করেন।

চারুকলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও প্রভাষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে বিএফএ স্নাতকসহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীদের আবেদন করতে বলা হলেও ছাপচিত্র বিষয়ে প্রভাষক পদে নিয়োগ পান বিএফএ পাস ডিগ্রি পাসের শিক্ষার্থী নগরবাসী বর্মণ।

যার ইন্টারভিউ কার্ড পাওয়ারই কথা নয়। অথচ অবৈধভাবে নিয়োগ পাওয়া নগরবাসী বর্মণ বর্তমানে চারুকলা বিভাগের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন।

অভিযোগকারী হোসাইন মোহাম্মদ ফারুক ক্যাম্পাসলাইভকে বলেন, দুর্নীতির মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকরা তাদের পদে থাকার কোনো এখতিয়ার নেই। দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারের যে টাকা আত্মসাৎ করছে- তা ফেরত দিতে হবে।

এ ব্যাপারে চারুকলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান দুলালচন্দ্র গাইন বলেন, আমার যোগ্যতা অনুযায়ী আবেদন করেছি। কর্তৃপক্ষ আমাকে নিয়োগ দিয়েছে। কোনো প্রকার ত্রুটি থাকলে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, আমি কোন কথা বলতে চাইনা। আমার কথা স্পস্ট। আমি ভৈধ নিয়োগ পেয়েই চাকুরী করছি।

 

ঢাকা, ১৫ নভেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//বিএসসি

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।