এবার ছাত্রলীগকে নতুন মিশনের দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে


Published: 2018-09-08 15:32:21 BdST, Updated: 2018-10-16 01:54:10 BdST

ঢাবি লাইভ: এবার নতুন মিশনে নামানো হচ্ছে ছাত্রলীগকে। তারা ওই মিশনে সফলতা দেখাবে বলেও কেন্দ্রীয় নেতারা জানিয়েছেন। বলেছেন সকল ভাল কাজের সঙ্গে ছাত্রলীগ থাকবে। বাংলাদেশে নিরক্ষরতা দূর করতে ছাত্রলীগকে দায়িত্ব দেওয়া হচ্চে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। তিনি বলেন, ছাত্রলীগ তাদের টার্গেটেড সময়ের মধ্যেই ঘোষণা করবে বাংলাদেশে কোনো নিরক্ষর নেই। সবাই এখন শিক্ষিত।

শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেছেন। আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস-২০১৮ উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ছাত্রলীগ। আর সেখান থেকেই এই ঘোষণা আসলো আজ।

মন্ত্রী বলেন, ছাত্রলীগ হাল ধরলে বাংলাদেশ থেকে নিরক্ষরতা দূর করতে লম্বা সময় লাগবে না। আমাদের পার্শ্ববর্তী তামিলনাড়ুতে ১০০ ভাগ শিক্ষিত। আমাদের দেশে এত সম্পদ রয়েছে। আমি মনে করি আমাদের সেই জায়গাতে যেতে আর লম্বা সময় লাগবে না যদি ছাত্রলীগ হাল ধরে। তাদের প্রতি নেত্রীর যথেষ্ট আস্থা রয়েছে। তারাই এসব পারবে।

আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, ২০০১ সালে যখন আমরা ক্ষমতা ছাড়ি তখন সাক্ষরতার হার ছিল ৬০ শতাংশ। ২০০৯ সালে যখন আবার ক্ষমতা গ্রহণ করি তখন এই হার ছিল ৪০-৪১ শতাংশ। এই ধরনের ইতিহাস কোনো রাষ্ট্রে হয়েছে কি না আমার জানা নেই। আমরা সব কিছু মিলিয়ে আরও সামনে যেতে চাই।

আসাদুজ্জামান বলেন, আমরা চার হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ রেখে গেলাম। এসে পেলাম তিন হাজার ২০০ মেগাওয়াট। আমরা চালে ও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ রেখে গেলাম। সেখানে আমরা দেখলাম লক্ষ লক্ষ টন খাদ্য ঘাটতি। সেই বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা কোথায় নিয়ে গেছেন। ২০০৮ সালে তিনি বলেছিলেন, বদলে দিবেন বাংলাদেশকে।

স্বরাস্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ

 

মন্ত্রী বলেন, আপনারা ঘুরুন সারা বাংলাদেশে। নিজের চোখে দেখুন আমরা কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছি। পায়রা বন্দরের দিকে চলে যান, কক্সবাজারের দিক দিয়ে চলে যান, আমাদের নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্র হচ্ছে সেখানে চলে যান। কীভাবে উন্নয়নের মহাসড়কে আমরা মিলিয়ে গেছি সেটা লক্ষ করেন। আমরা কোন বাধাতেই পিছিয়ে থাকতে চাই না। আরও সামনে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।

আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, পৃথিবীর যেখানেই যাই, আজকে আমাদের বলে না বাংলাদেশ থেকে আসছ, ভিন্ন লাইনে দাঁড়াও। আমাদের আজকে সমীহ করে। আমাদের সম্মান করে। আমি যেখানেই যাই সেখানে বলে তোমাদের সফলতার কারণটা কী। আমি বলি, প্রধানমন্ত্রী জনগণকে ভালোবাসেন, জনগণ তাঁর ওপর আস্থা রেখেছে, যেমনভাবে তাঁর পিতার প্রতি আস্থা ছিল সারা বাংলাদেশের মানুষের। ষড়যন্ত্রকারীরা তাঁকে বেঁচে থাকতে দেয়নি। আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, আমি সারা বাংলাদেশে ঘুরে বেড়াই। আমি দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রীর আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা দেখেছি। তার মেধা আর প্রজ্ঞায় আমরা অভিভূত।

ওই সভায় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন সভাপতিত্ব করেন। এতে সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী সঞ্চালনা করেন। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য অধ্যাপক ড. খন্দকার বজলুল হক।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় রিকশা চালক সাতজন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারজন হল ক্যান্টিন কিশোরের হাতে বই তুলে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এসময় উপস্থিত সকলে তাদেরকে হাতহালি দিয়ে উৎসাহ দেন।

 

ঢাকা, ০৮ সেপ্টেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এজেড

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।