ডেঙ্গু নিধন : ঢাবির ভিসি বনাম ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির প্রো-ভিসি!


Published: 2019-08-07 15:54:06 BdST, Updated: 2019-08-23 02:54:13 BdST

মাকসুদুর রহমান : সারাদেশে ডেঙ্গু মহামারী আকার ধারণ করেছে। তবে মহামারি ঠেকাতে একশ্রেণির মানুষের নির্লজ্জ ফটোসেশন দেখে আমরা স্থম্ভিত। মশক নিধনের নামে নায়ক-নায়িকাদের পরিষ্কার রাস্তায় ঝাড়ু দেয়ার ভিডিও আমরা দেখেছি আর হেসেছি। দেখেছি মশক নিধনে অর্থ ব্যয় না করে শোভাযাত্রা করে ডেঙ্গু ঠেকানোর হাস্যকর প্রয়াস। আরও দেখেছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. আখতারুজ্জামানের নাটক। ক্যাম্পাসের পরিষ্কার রাস্তায় ময়লা ফেলে সেটি আবার পরিষ্কারের ফটোসেশন করেছেন তিনি। তবে বেরসিক সাংবাদিকদের প্রশ্নবানে জর্জরিত হয়ে ততবত খেয়ে দ্রুত সটকে পড়েছেন তিনি। তবে তিনি যে উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন সেটা আমাদের জাতিকে লজ্জায় ফেলেছে। সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠের সর্বোচ্চ কর্তাব্যক্তির এমন আচরণে আমাদের মাথা নত হয়েছে।

এর বিপরীতে দেখন ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির প্রো-ভিসি প্রফেসর মিলান পাগনের প্রয়াস।
কোন ফটোসেশন নয় নিজেই ফগার মেশিন নিয়ে মশক নিধনে নেমেছেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়তো বটেই বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী বসুন্ধরা এলাকায়ও তিনি ওষুধ ছিটিয়েছেন।
পেছন থেকে কেউ একজন সেই ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছেন।
সেই ছবিটি এখন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

মানসিকতার পার্থক্যটা দেখুন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি সাংবাদিকদের ডেকে এনে পরিষ্কার রাস্তা ময়লা করে সেটি আবার পরিষ্কার করেছেন। আর ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির প্রো-ভিসি যিনি এখন বিশ্ববিদ্যালয়টির ভিসির দায়িত্ব পালন করছেন সেই মিলান পাগন সেখানে কোন সাংবাদিক ডেকে নিয়ে যাননি। নিভৃতচারী হয়ে কাজের কাজ করেছেন তিনি। তিনি তার পদভুলে নিজেই দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছেন। আমরা এমন ভিসিকে নিয়ে গর্ব করতেই পারি। চাই অন্তত তাকে দেখে যাতে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের একটু শিক্ষা হয়। অন্তত মানসিকতার পরিবর্তন হয়। ফটোসেশন বাদ দিয়ে মশক নিধনে কার্যকরি পদক্ষেপ যাতে তারা নেন। সেই প্রত্যাশায় রইলাম...

লেখক : মাকসুদুর রহমান
শিক্ষার্থী, ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি

ঢাকা, ০৭ আগস্ট (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//সিএস

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।