ডাকসু নির্বাচন : ‘শিক্ষকদের শাস্তি হলে স্বেচ্ছায় ঢাবির ছাত্রত্ব ছাড়বো’


Published: 2019-03-20 00:55:13 BdST, Updated: 2019-04-24 10:37:40 BdST

লাইভ প্রতিবেদক : দীর্ঘ ২৮ বছর পর গত ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন। ভোটে কারচুপি ও অনিয়মের অভিযোগে ডাকসু নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ভোট জালিয়াতির অভিযোগ এনে ইতিমধ্যে আন্দোলনে রয়েছে পরাজিত ৫টি প্যানেলের প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা। এমনকি ভিপি পদে বিজয়ী নুরুল হক নুরও পুনরায় ডাকসু নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮ জন শিক্ষক বলেছেন ডাকসু নির্বাচন সর্বাঙ্গীন সুষ্ঠু হয়নি। আর এই বিবৃতি দেয়ায় তাদের বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির কাছে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করেছেন ১৮টি হলের প্রভোস্ট।

ওই সুপারিশে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন সাংবাদিক কবীর কানন। প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে ভূমিকা রেখে ঢাবি ক্যাম্পাসের আলোচিত ওই ছাত্র ফেইসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন...

স্বেচ্ছায় ছাত্রত্ব ত্যাগ করে চলে যাব

সুযোগ-সুবিধা হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষক ন্যায়-নীতির তোয়াক্কা না করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সকল ধরনের সিদ্ধান্তে মোসাহেবি করেন। কিন্তু হাতে গোনা কিছু শিক্ষক আছেন যারা সব সুবিধার মোহ ত্যাগ করে সর্বাদা সত্য কথা বলেন, সত্য পথে চলেন।

এমন কিছু শিক্ষক (৮জন) গত ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বচন স্বেচ্ছাসেবীভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং পরে গণমাধ্যমে বিবৃতি দিয়েছেন ‘ডাকসু নির্বাচন সর্বাঙ্গীন সুষ্ঠু হয়নি।’

কিন্তু গতকাল সোমবার রাতে প্রভোস্ট স্টানডিং কমিটির সভায় ১৮টি হলের প্রাধ্যক্ষবৃন্দ এই পর্যবেক্ষণকারী শিক্ষকরা নাকি মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন বলে উল্লেখ করেছেন। প্রভোস্টবৃন্দ পর্যবেক্ষণকারী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন।

কি অদ্ভূত! প্রভোস্টবৃন্দের দাবি শুনে মনে হচ্ছে অন্ধের দেশে চক্ষু থাকা পাপ। নির্বাচনে পর্যবেক্ষণকারী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে যদি কোনো রকম শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় তাহলে আমি স্বেচ্ছায় এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রত্ব ত্যাগ করে চলে যাব।

ঢাকা, ২০ মার্চ (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//সিএস

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।