"উপবৃত্তির টাকার পরিমাণ বাড়ানো দরকার"


Published: 2017-12-07 22:09:50 BdST, Updated: 2017-12-17 15:48:43 BdST


লাইভ প্রতিবেদক: অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান বলেছেন, উপবৃত্তির টাকার পরিমাণ বাড়ানো দরকার। তবে ধনীদের এটা দেওয়া ঠিক না।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে শিশু বাজেট ২০১৭-১৮: প্রতিশ্রুতি ও উদ্বেগ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। সেমিনারটির আয়োজন করে সেভ দ্যা চিলড্রেন।

এম এ মান্নান বলেন, বর্তমানে ২২টি উপজেলায় স্কুলে দুপুরের টিফিন দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে সরকার। আগামীতে এ সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

সেমিনারে এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, প্রাথমিক থেকে শুরু করে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত উপবৃত্তি প্রদানের হার কমে গেছে। মোট তিনটি শিক্ষা কর্মসূচিতে এ হার ৭৩ শতাংশ পর্যন্ত কমানো হয়েছে। সেমিনারে ধারণাপত্র তুলে ধরেন সেভ দ্যা চিলড্রেনের ডেপুটি ডিরেক্টর (গভর্নস অ্যান্ড পাবলিক ফাইন্যান্স) মো. আশিক ইকবাল।

জেলা বাজেটের বিরোধিতা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, জেলা বাজেটের ক্ষেত্রে অনেক সাবধানী হওয়া দরকার। কারণ জেলা বাজেট করতে গেলে অনেক সমস্যায় পড়তে হয়। যেমন: রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, পায়রা বন্দরের মতো বৃহৎ প্রকল্প ব্যয় জেলা বাজেটে যোগ হবে। তখন অন্য জেলাগুলো মনে করবে তাদের বরাদ্দ কম হচ্ছে।

সেমিনারে অর্থ সচিব মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী বলেন, সারাদেশে উপবৃত্তি কর্মসূচি চালু রাখতে সরকার নতুন করে প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমানে প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক এবং স্নাতক (পাস) পর্যায়ে অতি দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে।

মুসলিম চৌধুরী বলেন, অতি দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নের জন্য উপবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। এ উপবৃত্তি দেওয়ার জন্য বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। কিছু প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ায় উপবৃত্তি প্রদানের হার কমেছে।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন সেভ দ্যা চিলড্রেনের ডিরেক্টরের (চাইল্ড রাইটস গভর্নেস অ্যান্ড চাইল্ড প্রোটেকশন) লাইলা খন্দকার। ধারণাপত্র তুলে ধরেন সেভ দ্যা চিলড্রেনের ডেপুটি ডিরেক্টর (গভর্নস অ্যান্ড পাবলিক ফাইন্যান্স) মো. আশিক ইকবাল।

আশিক ইকবাল বলেন, শিশুকেন্দ্রীক প্রকল্প ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয়গুলোর প্রচেষ্টা বিগত বছরের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে মন্ত্রণালয়গুলোর সার্বিক বরাদ্দের প্রবৃদ্ধির চেয়ে শিশু কেন্দ্রিক কার্যক্রমের বরাদ্দের প্রবৃদ্ধি বেড়েছে।

ধারণাপত্রে বলা হয়, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ১৩টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের জন্য ৫৬ হাজার কোটি টাকার পৃথক শিশু বাজেট দেওয়া হয়। বাজেটে স্বাস্থ্য খাতসহ কয়েকটি খাতে বরাদ্দ বাড়লেও শিক্ষা খাতে কমেছে। এতে ভবিষ্যতের শিশুদের বিদ্যালয়ে ধরা রাখা কঠিন হয়ে যাবে।

আগামী বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে ২০ শতাংশ এবং শিক্ষা খাতে ২৫ শতাংশ বরাদ্দ বাড়ানোর সুপারিশ করে সেভ দ্যা চিলড্রেন।

 

ঢাকা, ০৭ ডিসেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমআই

 

 

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।