শেরপুর মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি যুদ্ধ


Published: 2019-01-05 21:27:06 BdST, Updated: 2019-06-17 17:19:59 BdST

শেরপুর লাইভ: শেরপুরে অনেক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বছরের শুরুতে বিভিন্ন শ্রেনীতে ভর্তির জন্য নতুন শিক্ষার্থী পাওয়া যায়না। কিন্তু এর উল্টোচিত্র শেরপুর শহরের মাধবপুরস্থ সরকারী বালিকা বিদ্যালয় সংলগ্ন মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

এখানে প্রতি বছর নুতন শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য ভর্তি পরীক্ষার যুদ্ধ করতে হয় শিক্ষার্থীদের। এ ভর্তি যুদ্ধ দিন দিন বেড়েই চলছে। স্কুলের ফলাফলও দিন দিন উন্নতির দিকে যাচ্ছে। ফলে এ স্কুলে শিক্ষার্থীর ভর্তি যুদ্ধ বেড়েই চলছে।

এক সময় শহরের নামিদামী বিভিন্ন কিন্ডারগার্টেনের ভর্তির জন্য অভিভবকদের ভির লক্ষ্য করা গেলেও সরকারী প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের ভর্তি করাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্ল করা হতো অনেক অভিভাবদের। অনেকেই মনে করতেন সরকারী স্কুলগুলো কেবলমাত্র গরিবদের জন্য। আর কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলো আভিজাত্যের প্রতীক বা ধনি শ্রেনীর মানুষ এখানে তাদের ছেলে-মেয়েকে পড়াশোনা করায়।

কিন্তু ধারণা পাল্টে দিচ্ছে শহরের বিভিন্ন সরকারী প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলগুলো। এখন ওইসব স্কুলে শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য ভর্তি পরীক্ষার কঠিন প্রতিযোগীতায় লিপ্ত হতে হচ্ছে শিক্ষার্থীকে।

এরকমই একটি স্কুল সরকারী মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়। এ স্কুল সূত্রে জানাগেছে, এবার ৫ জানুয়ারী শনিবার প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেনী পর্যন্ত মোট প্রায় ১২০টি আসনের জন্য এবার ভর্তি পরীক্ষা দেয় ৩২০ জন শিক্ষার্থী।

অথচ শহরের অনেক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ রকম কোন ভর্তি পরীক্ষা হয়না। অনেক স্কুলের শিক্ষকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে শিক্ষার্থী খুজে আনতে হয়। সরকারী মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার মান দিন দিন উন্নতির দিকে যাওয়ায় এ স্কুলে এমন ভর্তি যুদ্ধ করতে হয় বলে জানালেন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

ওই স্কুলের গত তিন বছরের সমাপনী পরীক্ষার তথ্যসূত্রে জানাগেছে, ২০১৬ সালে ৭৫ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৭৪ জন সমাপনীতে অংশ নিয়ে শতভাগ পাশ এবং জিপিএ-৫ পায় ৩৭ জন। ২০১৭ সালে ৬৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে শতভাগ পাশ এবং জিপিএ-৫ পায় ৪৯ জন এবং সর্বশেষ ২০১৮ সালের সমাপনী পরীক্ষায় ৯১ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে শতভাগ পাশ এবং জিপিএ-৫ পায় ৫৬ জন।

এছাড়া জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের অর্ধেকের বেশী শিক্ষার্থী ট্যালেন্টপুলসহ সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্ত হয়েছে। এ স্কুলের প্রধান শিক্ষক রোকসানা আজমেরী জানায়, আমাদের এখানে ১১ জন শিক্ষক কঠোর পরিশ্রম করে বিদ্যালয়ের এ ফলাফল অর্জন করা হয়েছে। শুধু পড়াশোনাই নয় বিদ্যালয়ের বার্ষিক খেলাধূলাসহ অন্যান্য জাতীয় ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানেও আমারা বেশ সাফল্যের সাথে আয়োজন করি।

 

ঢাকা, ০৫ জানুয়ারি (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমআই

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।