যে কারণে শেখ হাসিনা মেডিকেলের চিকিৎসকসহ ৬জনকে দুদকের জেরা!


Published: 2020-02-10 01:21:51 BdST, Updated: 2020-08-07 14:58:09 BdST

লাইভ প্রতিবেদকঃ এবার ডাক্তারদের ডাক পড়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক)। এ তথ্য ছড়িয়ে পড়ার পর বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের ডাক্তারদের মাঝে ছড়িয়ে পড়েছে অজানা আতঙ্ক। কখন কার ডাক আসে কেউ জানেনা। তবে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে সিনিয়র একজন ডাক্তার জানান সৎ ও ভাল মানুষের কোন সমস্যা নেই। যারা দুর্নীতিবাজ তারাই কেবল ভয় ভীতি ছড়াচ্ছে। পাচ্ছে সীমাহীন ভয়।

জানা গেছে হবিগঞ্জ শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আসবাবপত্র ও যন্ত্রপাতি ক্রয়ে অনিয়মের অভিযোগে চিকিৎসকসহ ছয়জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ রোববার সকাল ১০টা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলে তথ্য মিলেছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন জানিয়েছে কেনাকাটার নামে সাড়ে ১৫ কোটি টাকার লুটপাটের অভিযোগ ওঠে হাসপাতালটির অধ্যক্ষ ডা. আবু সুফিয়ানসহ আটজনের বিরুদ্ধে। এদের মধ্যে ৬ জনকে দুদকের তলবের প্রেক্ষিতে আজ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাদের কথা বার্তায় আছে অসংলগ্নতা। বিষয়টি আছে প্রাথমিক তদন্ত পর্যায়ে।

শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

 

অনুসন্ধান দলের প্রধান উপপরিচালক শামছুল আলম জানান, সোমবার শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডা. আবু সুফিয়ানকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। অন্য ৬ জনের সাথে কথা বলে যে সব তথ্য মিলেছে তার যাচাই বাচাই করতেই অধ্যক্ষকে ডাকা হবে। কারণ এরা সকলেই একই অভিযোগে অভিযুক্ত।

জানা যায় ওই ৬ জনকে দুদকের উপপরিচালক শামছুল আলমের নেতৃত্বে একটি দল তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এরা হলেন- হবিগঞ্জ শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের ফিজিওলজি বিভাগের প্রধান ডা. মো. শাহিন ভূঁইয়া, প্রভাষক পংকজ কান্তি গোস্বামী, বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডাক্তার মো. জাহাঙ্গীর খান ও ডা. কুদ্দুস মিয়া, এনাটমি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. প্রাণ কৃষ্ণ বসাক এবং পরিবার পরিকল্পনার উপ-পরিচালক ডা. নাসিমা খানম ইভা।

প্রসঙ্গত ২০১৭-১৮ অর্থবছরে দরপত্রের মাধ্যমে সাড়ে ১৫ কোটি টাকার কেনাকাটা করে শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ। এসব কেনাকাটায় সব জিনিসের অস্বাভাবিক মূল্য দেখানোর অভিযোগ ওঠে। এর প্রেক্ষিতে গত ২ ডিসেম্বর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ এক সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত দল গঠন করে।

এ তদন্ত দলের সদস্য আজম খান সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি যেহেতু তদন্তাধীন, তাই এ মুহূর্তে কিছু বলা উচিত হবে না। তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি। তদন্তকালে তিনি ২০১৭-১৮ সালে দরপত্রের মাধ্যমে কেনা যন্ত্রপাতি ও উপকরণ পর্যবেক্ষণ করেন।

প্রতিটি জিনিসের উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ করেন। সেই সাথে কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মো. আবু সুফিয়ান, দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সদস্য সচিব ডা. নাসিমা খানমসহ কেনাকাটার সাথে সম্পৃক্তদের সাথে কথা বলেছেন।

ঢাকা, ০৯ ফেব্রুয়ারি (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//বিএসসি

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।