দেশে ভিন্নমতের কন্ঠরোধ যেভাবে চলছে


Published: 2018-12-13 21:07:41 BdST, Updated: 2019-06-18 05:23:55 BdST

লাইভ প্রতিবেদক: সারা বিশ্বে নির্যাতিত সাংবাদিকদের তালিকা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের টাইমস ম্যাগাজিন। তালিকায় স্থান করে নিয়েছে বাংলাদেশের আলোকচিত্রী সাংবাদিক ড. শহিদুল আলম।

দেশ ছাড়িয়ে তার পরিচিতি পৌঁছে গেছে বিশ্বব্যাপী। বিশ্বজুড়ে নির্যাতিত সাংবাদিকের পারসন অব দ্য ইয়ারের তালিকায় উঠে এসেছে ড. শহিদুল আলমের নাম। তাকে নিয়ে বিবিসি বাংলার এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, দ্য গার্ডিয়ান্স এন্ড দ্য ওয়ার অন ট্রুথ। আন্তর্জাতিক খ্যাতি পাওয়া এই আলোকচিত্রীকে বাংলাদেশ সরকার বেশ কয়েকমাস বন্দি করে রেখেছিল।

ক্যাম্পাসলাইভের পাঠকদের উদেশ্যে বিবিসি বাংলায় আলোকচিত্রী ড. শহিদুল আলমের দেয় সাক্ষাৎকার তুলে ধরা হলো।

টাইম ম্যাগাজিনের এই সম্মাননাকে কীভাবে দেখছেন?

এ প্রশ্নে শহিদুল আলম বলেন, আমার মতো আরও একশো জন যদি আমার মতো কথা জোর গলায় বলতো, তাহলে নিশ্চয়ই আমাকে সেরকম আলাদাভাবে দেখা হতো না। আমাকে চিহ্নিত করা হতো না বা আমার সঙ্গে বাংলাদেশে যে আচরণ করা হলো, সেটাও হয়তো ঘটতো না।

শহিদুল আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বাংলাদেশে নিরাপদ সড়কের দাবিতে তরুণ শিক্ষার্থীদের এক ব্যাপক আন্দোলনের সময়। তার বিরুদ্ধে গুজব ছড়িয়ে উস্কানি দেয়ার অভিযোগ এনেছিল বাংলাদেশ সরকার। কিন্তু শহিদুল আলম মনে করেন তাঁকে ধরা হয়েছিল ভিন্নমতের কন্ঠরোধের জন্য। আমি যে কথাগুলো বলেছিলাম, সেগুলো নতুন নয়। ঘরে ঘরে সবাই বলে। প্রকাশ্যে বলে না।

আর আমি যা করছি, তা তো অনেককাল ধরেই করছি। কিন্তু এখন যেহেতু বাংলাদেশ একটা ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে, সেখানে আমার ভূমিকাটা হয়তো আরও পরিস্কার হয়ে গেছে। যেহেতু অনেক মানুষ চুপ করে আছে, তখন একটা কন্ঠস্বর অনেক বেশি লাইমলাইটে বা স্পটলাইটে আসে।

 


ঢাকা, ১৩ ডিসেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমআই

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।