হাত-পা টিপে দিতে ডেকে নিয়ে ৬ ছাত্রীকে ধর্ষণ শিক্ষকের!


Published: 2019-07-07 11:41:11 BdST, Updated: 2019-07-19 14:48:30 BdST

নেত্রকোনা লাইভ : মাদ্রাসায় পড়াশোনা করার জন্য আবাসিক ছাত্রী নিবাসে থাকেন ১৫ ছাত্রী। এদের মধ্যে ৬ ছাত্রীই মাদ্রাসা শিক্ষকের লালসার শিকার হয়েছেন। হাত-পা টিপার কথা বলে তার কক্ষে ডেকে নিয়ে তিনি ছাত্রীদের ধর্ষণ করেন। সর্বশেষ একই কায়দায় এক ছাত্রীকে কক্ষে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের সময় ধরা খেয়েছেন তিনি। তাকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। পরে ওই ছাত্রীকে ধর্ষষের কথা স্বীকার করেছেন মাদ্রাসা শিক্ষক আবুল খায়ের বেলালী। নেত্রকোনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনি ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন। এর আগে তিনি আরও ৫ ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছেন বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন। সর্বশেষ শুক্রবার ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে তাকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে স্থানীয় জনতা।

জানা গেছে, নেত্রকোনার কেন্দুয়ার আঠারোবাড়ি এলাকায় মা হাওয়া (আ:) কওমী মহিলা মাদ্রাসায় ১৫ জন আবাসিক ছাত্রী রয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষক আবুল খায়ের বেলালী সেখানে আবাসিক হিসাবে থাকেন। শুক্রবার সকালে এক ছাত্রীকে রুমে ডেকে নিয়ে শিক্ষক আবুল খায়ের বেলালী হাত-পা টিপে দিতে বলেন। একপর্যায়ে তাকে চেপে ধরে ধর্ষণের চেষ্টা করলে ছাত্রী চিৎকার দেন। এতে পাশের লোকজন এসে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত শিক্ষক বেলালীকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোর্পদ করে।

এ ঘটনায় ওই অধ্যক্ষের নামে দুটি ধর্ষণের মামলা দায়ের করা হয়েছে। সেখানে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ৬ শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের কথা উল্লেখ রয়েছে। আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব স্বীকার করেছেন।

কেন্দুয়া সার্কেল অফিসার মাহমুদুল হাসান জানান, মাদ্রাসার মোহতামিম আবুল খায়ের বেলালীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। নেত্রকোনা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) শাহজাহান মিয়া জানান, মাদ্রাসার মুহ্তামিম বা প্রধান শিক্ষক আবুল খায়ের বেলালী দুইটি ধর্ষণ মামলাতেই আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

ঢাকা, ০৭ জুলাই (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//সিএস

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।