ইবির সাবেক প্রক্টরসহ তিন শিক্ষক দুদকের মুখোমুখি


Published: 2020-09-26 13:18:41 BdST, Updated: 2020-10-25 22:22:08 BdST

ইবি লাইভ: শিক্ষক নিয়োগে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি‌) তিন শিক্ষককে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদব) তলব করেছে। একইসাথে অভিযোগকারী আরিফ হাসান খান নাহিদকেও তলব করা হয়েছে। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তাদের উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।

অভিযুক্তরা শিক্ষকরা হলেন সাবেক প্রক্টর ইইই বিভাগের প্রফেসর ড. মাহবুবর রহমান, ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর রুহুল আমীন এবং ইইই বিভাগের এসিস্ট্যান্ট প্রফেসর এস এম আব্দুর রহিম। দুদকের উপ-পরিচালক ও অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা আব্দুল মাজেদ সাক্ষরিত পাঠানো এক চিঠিতে এসব তথ্য জানা গেছে।

চিঠিতে বলা হয়, উল্লিখিত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে শিক্ষক নিয়োগ বাণিজ্যে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে বক্তব্য গ্রহণ ও শ্রবণ করা একান্ত প্রয়োজন। অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধানপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আব্দুল মাজেদকে অনুসন্ধানী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। এছাড়া অনুসন্ধানের জন্য নিয়োগ প্রার্থী আরিফ হাসানসহ নিয়োগের সাথে সংশ্লিষ্ট অন্যদের ভিন্ন চিঠিতে তলব করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আব্দুল লতিফ চিঠি প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘এমন একটি চিঠি দপ্তরে এসেছে। যে সকল শিক্ষককে হাজির হতে বলা হয়েছে ইতিমধ্যে আমরা তাদের বরারবর চিঠি পাঠিয়ে দিয়েছি।’

চিঠি প্রাপ্তির বিষয়টি অস্বীকার করে ড. মহবুবর রহমান বলেন, ‘আমি চিঠি হাতে পাইনি।’ উল্লেখ্য, গত বছর ২৯ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ বাণিজ্যের একটি অডিও ফাঁস হয়। এতে নিয়োগের ব্যাপারে একজন প্রার্থীর সঙ্গে বিভাগের শিক্ষক এসোসিয়েট প্রফেসর রুহুল আমিন ও ইইই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আবদুর রহিমের কথোপকথোন পাওয়া যায়।

অডিও ক্লিপে সাবেক প্রক্টর এবং ইইই বিভাগের প্রফেসর ড. মাহবুবর রহমানের নামও এসেছে বলে জানা গেছে। সেসময় তাকে নিয়োগ বাণিজ্যের মূল হোতা বলে দাবি করে শাখা ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা।

ঢাকা, ২৬ সেপ্টেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এআইটি

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।