লেকচারার নিয়োগে ৪ লাখ টাকা নিলেন প্রিন্সিপাল!


Published: 2019-07-31 14:11:10 BdST, Updated: 2019-08-25 20:11:18 BdST

মাগুরা লাইভ: মাগুরার শত্রুজিৎপুর কলেজে ৪ লাখ টাকা নিয়ে লেকচারার নিয়োগ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে। অথচ কলেজে এখনো ডিগ্রি স্তরের অনুমোদন হয়নি। ওই কলেজের প্রিন্সিপাল মাহাবুবুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘোষ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়া এইচএসসির ফরম পূরণসহ প্রবেশপত্র বিতরণ, ব্যবহারিক পরীক্ষার জন্যও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগে রয়েছে প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগের প্রমাণও মিলেছে। জেলা প্রশাসনের তদন্ত প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

জানা গেছে, এনায়েত নামের এক ব্যক্তিকে ডিগ্রি শাখার লেকচারার পদে চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রায় চার লাখ টাকা নিয়েছেন প্রিন্সিপাল মাহাবুবুল ইসলাম। কিন্তু তাকে চাকরি দেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে প্রিন্সিপাল তদন্ত কমিটিকে জানিয়েছেন, ‘টাকা জমা আছে, ডিগ্রি স্তরের অনুমোদন হলে তার চাকরি হবে।’

কলেজের প্রিন্সিপাল ও পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি অভিযোগ অস্বীকার করলেও মাগুরার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আক্তারুন্নাহার সরেজমিনে তদন্তে গিয়ে কলেজের ডিগ্রি শাখায় চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা নেওয়ার সত্যতা পেয়েছেন। এছাড়া, এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা না মেনে, কমিটির সিদ্ধান্তের দোহাই দিয়ে অতিরিক্ত ফি আদায় করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রবেশপত্রের জন্য ২০০ টাকা এবং প্র্যাকটিকাল ল্যাবের জন্য ১০০ টাকা করে নেওয়ার সত্যতাও পাওয়া গেছে।

মাউশির সহকারী পরিচালক (কলেজ-৩) ফারহানা আক্তার জানান, বিষয়টি অনেক আগের উল্লেখ করে শাখায় খোঁজ নেওয়ার পরামর্শ দেন। মাউশি থেকে অভিযুক্ত প্রিন্সিপালকে কারণ দর্শানোর নোটিশ করা হলেও তিনি এর জবাব দেননি। এরপর প্রিন্সিপালের এমপিও সাময়িকভাবে স্থগিতের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে সুপারিশ চেয়ে চিঠি দেন মাউশির মহাপরিচালক প্রফেসর ড. সৈয়দ গোলাম ফারুক।


ঢাকা, ৩১ জুলাই (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমআই

 

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।