সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ করার হুমকি ট্রাম্পের


Published: 2020-05-28 12:42:07 BdST, Updated: 2020-07-03 23:41:35 BdST

লাইভ ডেস্কঃ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় বুধবার তিনি এ হুমকি দেন। এর কিছুক্ষণ পরই হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সম্পর্কিত’ একটি নির্বাহী আদেশে সই করবেন প্রেসিডেন্ট।

বিবিসি অনলাইন ও বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাহী আদেশে কী থাকছে সে ব্যাপারে বিস্তারিত কিছুই বলা হয়নি। তবে কংগ্রেসে নতুন আইন পাস হওয়া ছাড়া প্রেসিডেন্ট এ বিষয়ে কী ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারেন তাও পরিষ্কার নয়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধের বিষয়ে ট্রাম্পের হুমকির পরই টুইটার ও ফেসবুকের শেয়ারের দর পড়ে যায়।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ডাকযোগে ভোটের পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে টুইটারে একটি পোস্ট দেন ট্রাম্প। তিনি লিখেছিলেন, ‘ডাকযোগে ভোটের পদ্ধতি জালিয়াতির চেয়ে কমকিছু হবে বলে মনে হয় না’।

এরপরই প্রথমবারের মতো ওই পোস্টে ফ্যাক্ট-চেক লেবেল (তথ্যের সত্যতা যাচাই) জুড়ে দেয় জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটার। অর্থাৎ ওই পোস্টে ট্রাম্প যে তথ্য দিয়েছেন সে বিষয়ে সত্যতা যাচাই করে নিতে সবাইকে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্রের টেক জায়ান্ট টুইটার।

টুইটারের এ পদক্ষেপের পরই ক্ষুব্ধ ট্রাম্প পাল্টা টুইট করে লেখেন, টুইটারের এ ধরনের পদক্ষেপ ‘স্পষ্টতই বাক স্বাধীনতা হরণ’। বুধবারও এ সমালোচনা অব্যাহত ছিল। এদিন রাতে এক টুইটে তিনি টুইটারের বিরুদ্ধে ‘সেন্সরশিপ’র অভিযোগ এনে লিখেছেন, ‘তারা বদ্ধ উন্মাদ হয়ে গেছে। আমার সঙ্গে থাকুন!!!’

এর আগে আরেক টুইটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে ‘কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের’ কথা বলেন ট্রাম্প। এমনকি প্রয়োজনে সেগুলো বন্ধ করে দেওয়ারও হুমকি দেন। ট্রাম্প আরও লিখেছেন, ‘রিপাবলিকানরা মনে করেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো আসলে রক্ষণশীলদের চুপ করিয়ে দিতে চায়’ এবং তিনি তা হতে দেবেন না।

ডাকযোগে ভোটের পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে টুইটারের মতোই ফেসবুকে একইরকম একটি পোস্ট দিয়েছিলেন ট্রাম্প। এরপর বুধবার ফক্স নিউজের সঙ্গে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফেসবুক প্রধান মার্ক জাকারবার্গ বলেন, ‘অনলাইনে লোকে যা বলে তার সত্যতা খোঁজার দায়িত্ব ফেসবুকের নয়।’

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গত কয়েক বছর ধরেই নানা ভুল তথ্য দিয়ে গেলেও টুইটার সে ব্যাপারে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি- টেক জায়ান্টটির বিরুদ্ধে অনেকদিন ধরেই এমন অভিযোগ রয়েছে।

তবে ট্রাম্পের হুমকি ধমকির পর টুইটারের প্রধান নির্বাহী জ্যাক ডরসে জানিয়েছেন, ‘বিশ্বব্যাপী নির্বাচন সম্পর্কে ভুল বা বিতর্কিত তথ্য খুঁজে বের করার কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে টুইটার।’

ঢাকা, ২৮ মে (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমজেড

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।