লকডাউন ভারত, বেড়েই চলেছে আক্রান্তের সংখ্যা


Published: 2020-03-29 14:21:44 BdST, Updated: 2020-06-01 19:10:52 BdST

লাইভ ডেস্কঃ করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় গোটা ভারত এখন লকডাউন। প্রয়োজন ছাড়া খুব একটা বাহিরে বের হবার সাহস পাচ্ছেন না কেউ। তবুও কোনোভাবেই মুক্তি মিলছে না প্রাণঘাতি এই ভাইরাসের ছোবল থেকে। কমছে না আক্রান্তের সংখ্যা। প্রতিদিন বেড়েই চলেছে মৃত্যুর সংখ্যা।

রবিবার পর্যন্ত দেশটিতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে। সেই সাথে মৃত্যু হয়েছে ২৫ জনের। আর পশ্চিমবঙ্গে আক্রান্তের সংখ্যা ১৮, মৃত ১ জন।

ভারতে বর্তমান সময়ে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা সব থেকে বেশি মহারাষ্ট্রে। সেখানে মোট ১৮৫ জন করোনার শিকার হয়েছেন। ওই রাজ্যে মৃত্যুও হয়েছে ৬ জনের। অন্যদিকে এই ভাইরাসের সাথে যুদ্ধ করে সুস্থও হয়ে উঠেছেন ২৫ জন।

আক্রান্তের সংখ্যা, মৃত্যু এবং সুস্থ হয়ে ওঠা সব দিক থেকেই প্রথম সারিতে রয়েছে মহারাষ্ট্র। সংক্রমণের সংখ্যার দিক থেকে মহারাষ্ট্রের চেয়ে সামান্য পিছিয়ে কেরালা। সেখানে করোনা রোগীর সংখ্যা এই মুহূর্তে ১৮২ জন। তৃতীয় স্থানে থাকলেও, কর্নাটকে এখনও সংখ্যাটা অবশ্য দুই অঙ্কের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৭৬ জন।

আর মধ্যপ্রদেশে ২ জন এবং তামিলনাড়ু, দিল্লি, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, পাঞ্জাব, জম্মু-কাশ্মীর ও হিমাচল প্রদেশে একজন করে ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন।

এছাড়াও কর্ণাটকে ৫৫ জন, গুজরাতে ৪৫, উত্তরপ্রদেশে ৪৫, রাজস্থানে ৪৮, তেলেঙ্গানায় ৪৮, দিল্লিতে ৩৯ জন মারণ ওই ভাইরাসে আক্রান্ত। পাঞ্জাব, মধ্যপ্রদেশ, জম্মু ও কাশ্মীর, পশ্চিমবঙ্গ, অন্ধ্রপ্রদেশ, লাদাখ সহ দেশের প্রায় সব রাজ্যেই বিরাজ করছে করোনার সংক্রমণ। তবে মানুষের মনে আশা জাগিয়ে তুলছে এইটা ভাবনা যে, ৭৮ জন এই রোগ থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।

ভারতে প্রাণঘাতি এই করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে দেশজুড়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ৩ সপ্তাহের জন্য গোটা দেশে লকডাউন জারি করেছেন। এমন পরিস্থিতিতে চরম মন্দায় রয়েছে ভারতের অর্থনীতি। দিনমজুরেরা কর্মহীন হয়ে পড়েছেন লকডাউনের সঙ্গে সঙ্গেই।

বিশ্বের প্রায় ১৯৫ টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে মরণঘাতি এই ভাইরাস। বিশ্ব অর্থনীতিও ধুকছে এই ভাইরাসের কারণে। তবে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, সবচেয়ে খারাপ প্রভাব পড়তে চলেছে ভারতের উপরেই। ইতোমধ্যে দেশটিতে কানাঘুষো চলছে করোনা মোকাবিলায় ১৪ এপ্রিল লকডাউন সময়সীমা বর্ধিত হয়ে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত করা হতে পারে।

জানা যায়, দেশটিতে সরকারিভাবে অসহায় গরিবদের ৩ মাসের চাল ডাল ও গ্যাস প্রদান করা হবে বলেও জানানো হয়েছে। ভারতীয়দের মওকুফ করা হয়েছে তিন মাসের যেকোনো ধরণের লোনের কিস্তি।

ঢাকা, ২৯ মার্চ (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমজেড

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।