ইরাকে সরকারবিরোধী সহিংসতা, নিহত ১৩


Published: 2019-11-05 20:22:42 BdST, Updated: 2019-11-19 08:09:02 BdST

লাইভ ডেস্কঃ গত ২৪ ঘন্টার মধ্যে ইরাকের বিক্ষোভকারীদের ওপর দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন। রয়টার্স জানায়, সরকারকে নিয়ন্ত্রণকারী রাজনৈতিক দলগুলোর বিরুদ্ধে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভ দমনের জন্য ইরাক সরকার প্রথমে সরাসরি গুলি করার যে পন্থা অবলম্বন করেছিল তারা পুনরায় সেটি চালু করেছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকাল সোমবার সারাদিনব্যাপী সরকারি বাহিনীর গুলিতে আটজন প্রাণ হারিয়েছেন। এরপর মঙ্গলবার রাতে আরও অন্তত পাঁচ বিক্ষোভকারী নিরাপত্তা বাহিনী গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন। যার মধ্যে একজন কিছুক্ষণ আগে গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীর শেষকৃত্যে অংশ নিতে গিয়ে প্রকাশ্যেই গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন।

ইরাকে দেশটিতে সরকারি বিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয় গত অক্টোবরে। প্রধানত দেশটির প্রশাসনে ব্যাপক দুর্নীতি, বেকারত্ব, জীবন-যাপনের ব্যয়বৃদ্ধিসহ নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে অন্য দেশের সরকারের ওপর নির্ভরশীলতার প্রতিবাদে ইরাকের রাস্তায় নামেন হাজারো বিক্ষোভকারী। এতে এখন পর্যন্ত ২৬০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।

এই বিক্ষোভ শুরুর প্রথম সপ্তাহেই সবচেয়ে বেশি মানুষ নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়েছেন। রাজধানী বাগদাদে বড় বড় ভবনগুলোর ছাদ থেকে স্নাইপারের মাধ্যমে বিক্ষোভকারীদের গুলি করা হয়। তবে অসংখ্য মানুষের মৃত্যুর পর সরকার বিক্ষোভে গুলির সিদ্ধান্ত থেকে কিছুটা সরে আসার পর এখন আবার সরাসরি বিক্ষোভে গুলি করা আরম্ভ হয়েছে।

গত ১০ দিনে ইরাকের এই সরকারবিরোধী বিক্ষোভ অনেক বড় আকার ধারণ করেছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী আদিল আব্দুল মান্দির এক ঘোষণার পর নিরাপত্তা বাহিনীর নতুন করে এই সহিংসতা শুরু হয়েছে। তিনি বিক্ষোভকারীদের আন্দোলন বাতিল করার আহ্বান জানান। কিন্তু তাতে সাড়া না পাওয়ায় আবারও সরাসরি গুলির নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

ইরাকের প্রধানমন্ত্রী তখন জানিয়েছিলেন, যদি রাজনৈতিক দলগুলো তার পরিবর্তে নতুন কাউকে প্রধানমন্ত্রী করার ব্যাপারে সম্মত হয় তবে তিনি পদত্যাগ করতে রাজি আছেন। ব্যাপক সংস্কারেরও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

ঢাকা, ০৫ নভেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমজেড

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।