মুক্তবুদ্ধি চর্চায় বিদ্রোহী কবি, কবিগুরু ও আচার্য রায়: আমাদের করণীয়


Published: 2020-12-23 15:43:12 BdST, Updated: 2021-01-19 17:16:56 BdST

অরুণ কুমার বসাকঃ আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬) কবি ছাড়াও, একসঙ্গে কথাশিল্পী, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার, সাংবাদিক, উপন্যাস রচয়িতা, গীতিকার (শ্যামাসঙ্গীত এবং রসুলে নাথ), সুরকার ও রাজনীতিক ছিলেন। তিনি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের (১৮৬১-১৯৪১) আমলে জন্মগ্রহণ এবং আত্মপ্রকাশ করেন।

১৯৪২ সালে দূরারোগ্য বাকশক্তি ও মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলার আগে বিদ্রোহী কবি হিসেবে কবিগুরুকেও অতিক্রম করে ‘অদ্বিতীয়’ হন। কবিগুরুর ‘এসো হে বৈশাখ .. ’ এর বিদ্রূপাত্মক কবিতা ‘প্রলয়োল্লাস’ লেখাতে অণুকরণ করার অজুহাতে ব্রিটিশ উপনিবেশিক শাসন কবি নজরুলকে কারাবাস দেয়। আসল কারণ ছিল ভারতে ব্রিটিশরাজের সাম্রাজ্যবাদ, উপনিবেশবাদ, মৌলবাদ ও শোষণের বিরুদ্ধে ‘অগ্নিবীণাতে’ বিদ্রোহমূলক কবিতা ও গান লেখা।

নজরুলের সাহসী রচনাগুলির জন্য কবিগুরু তাঁর ‘বসন্ত’ গীতিনাট্য নজরুলকে উৎসর্গ করেন। কবিগুরু নজরুলের বিদ্রোহকে ভারতে ব্রিটিশরাজের কুশাসনের বিরুদ্ধে এবং বঞ্চিতের ন্যায্য অধিকার আদায়ে 'আঁধারে সেতু' রচনার জন্য ভুয়সী প্রশংসা করেন। এতে কবি নজরুল কারাগারে অবরুদ্ধ থেকেই “সৃষ্টি সুখের উল্লাসে” কবিতাটি রচনা করেন। কবিগুরুর প্রশংসা নজরুলকে ‘অদ্বিতীয়তার’ স্বীকৃতি প্রদান করে।

আমাদের মুক্তিযুদ্ধে নজরুলের বিদ্রোহী রচনাবলী কার্যকর ‘রণশক্তি’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। তাঁর রচনাবলী শিক্ষা দেয় : পরিশ্রম, নিঃস্বার্থ মুক্তমন ও সব রকমের বিভেদমুক্ত ‘একাত্মতা’ অসামান্য সাফল্য এনে দিতে পারে। তাঁর স্বদেশপ্রেম ও মানবতাবোধ, বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় (১৮৬১-১৯৪৪) এর সঙ্গে তুলনীয়। প্রতিকূলতা জনগণকে সাহসী, পরিশ্রমী ও সংগ্রামী করে। কবি নজরুলের ক্ষেত্রে দারিদ্র্য এবং বিজ্ঞানী রায়ের ক্ষেত্রে দুর্বল স্বাস্থ্য। এডিনবরাতে অবস্থান কালে প্রফুল্লচন্দ্র ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দে “India before and after Mutiny” শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতাতে লেখা প্রবন্ধে ভারতবর্ষে ব্রিটিশ শাসনের সমালোচনা করাতে তিনি পুরস্কার পাননি কিন্তু প্রবন্ধটি ভারতবর্ষ ও ইংল্যান্ডে প্রভূত আলোড়ন সৃষ্টি করে ভারতে ব্রিটিশরাজের অত্যাচারের বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা ব্রিটেনে রাজনৈতিক মহলে দারুণ আলোড়ন সৃষ্টি করে।

এতে ব্রিটিশ সরকার ক্ষুব্ধ হয় এবং তাঁকে ভবিষ্যতে সম্মাননা প্রদানে বঞ্চিত করে। ভারতে ব্রিটিশ গোয়েন্দা বিভাগে তাঁর পরিচয় ছিল “বিজ্ঞানীর ছদ্মবেশে বিপ্লবী”। কিন্তু বিজ্ঞানে অসামান্য অবদানজনিত বিশ্ব-সুখ্যাতির কারণে রায়কে ১৯১১ সালে ব্রিটিশ সরকার নাইট (আচার্য) সম্মানে ভূষিত করে। ২০১৬ সালে আচার্য রায় লন্ডনের রয়েল সোসাইটি অব কেমিস্ট্রি কর্তৃক ইউরোপের বাহিরে প্রথম Chemistry Landmark Plaque সম্মানে অলংকৃত হন।

কবি নজরুল ও আচার্য রায় দুজনেই এবং সব বড় মনীষী একঘেয়েমিজাত ক্লান্তির অবসান করতে বিভিন্ন ছন্দে ও তালে চলাফেরা করেন। তৃতীয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট টমাস জেফারসন ‘গণতন্ত্র কাঠামো’ লেখার ফাঁকে বেহালা বাজাতেন। নোবেল বিজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী রিচার্ড ফাইনম্যান ড্রাম বাজাতেন অথবা ছবি আঁকতেন। বিশ্বকবি তো সাহিত্য ও সঙ্গীত রচনা, নাট্যশিল্পী, গায়ক ছাড়াও বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসুকে উৎসর্গীকৃত তাঁর আধুনিক পরমাণু-বিজ্ঞান ও জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ক ‘বিশ্বপরিচয়’ বইটি সরল ভাষায় লিখেছেন।

“সাহিত্য ও বিজ্ঞান : দুটো অভেদ”। এর সাথে থাকতে পারে ধর্মও। সবই তো দর্শনজাত উপলব্ধি জ্ঞানের অসীম প্রভাব। দর্শন যুক্তি-বুদ্ধি-বিচার শক্তি জাগিয়ে মুক্তবুদ্ধির মাধ্যমে মানুষকে সহনশীল ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাশীল করে। আমাদের ২০১০ জাতীয় শিক্ষানীতিতে আরোপিত শিক্ষার্থীর ‘সৃজনশীলতা, যুক্তি, শ্রম ও নিষ্ঠা’ গুণাবলী মুক্তমনের প্রতিফলন। সাহিত্যিক শক্তিশালী ভাষা প্রয়োগ করে সামাজিক সমস্যার চিত্র তুলে ধরেন। বিজ্ঞানী গাণিতিক ভাষা প্রয়োগ করে প্রকৌশলজাত আবিষ্কারের মাধ্যমে সমাধান দিতে পারেন।

১৯৩০ সালে বার্লিনে কোয়ান্টাম যুগের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞানী, নোবেল বিজয়ী ড. আলবার্ট আইনস্টাইন (১৮৭৯-১৯৫৫) ও সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী রবীন্দ্রনাথের মধ্যে ‘পরম সত্য’ নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। আইনস্টাইন বলেছিলেন, “অতি-মানবীয় পরম সত্য ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য নয়। সাধারণ মানুষের মধ্যে এর কিছুটা আশা করা যায়। এর (বৈজ্ঞানিক) ব্যাখ্যা মিলে না, এটা মনের বিশ্বাস।” কবিগুরু ‘পরম সত্য’-এর (বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিতে) বলেছিলেন, “বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সকল পদার্থ বিজ্ঞানের বিদ্যুৎ-চৌম্বকীয় বলের উদ্ভূত পরিস্থিতি।

এর মূল ‘পরম সত্য’ অনন্ত শক্তি (infinity), এটাই আমাদের ভারতীয় দর্শনের ‘ব্রহ্ম’, বিজ্ঞান ও দর্শনের মিলনমালা। ‘মন’ তো কালপ্রবাহে গতিশীল ছন্দের প্রকাশ।” আইনস্টাইন তখন বলেছিলেন, ‘দেখছি, আমি তোমার চেয়ে বেশী ধর্মবিশ্বাসী’। কবিগুরুর ব্যাখ্যা অনুযায়ী ‘ব্রহ্ম’ জ্যোতির্বিজ্ঞানের বহুল পরিচিত ‘মহাবিষ্ফোরণ’ তত্ত্বে শক্তির ‘অনন্যতা’ (singularity)-এর সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। আইনস্টাইন বলেছিলেন, “সৃষ্টি রহস্য উন্মোচনে বৈজ্ঞানিক তত্ত্বই ঈশ্বরের ভাষা।”

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন, “চিন্তাশক্তি ও কল্পনাশক্তি জীবনযাত্রা নির্বাহের পক্ষে দুইটি অত্যাবশ্যক শক্তি ... তবে বাল্যকাল হইতে এই দুইটির চর্চা না করিলে উচ্চশিক্ষায় এবং গবেষণা কাজের সময় প্রয়োজনীয় মুক্তমন (মুক্তবুদ্ধি) ... পাওয়া যাইবে না ...।” আবার এর অভাবে আমরা ‘ভালকে ভাল এবং মন্দকে মন্দ’ বলতে পারি না। বিশ্ববিদ্যালয়ে শেখার দায়িত্ব শিক্ষার্থীদের নিজস্ব।

কিন্তু এরজন্য তাদেরকে মুক্তমন (মুক্তবুদ্ধি) তথা ২০১০ জাতীয় শিক্ষানীতিতে আরোপিত শিক্ষার্থীর ‘সৃজনশীলতা, যুক্তি, শ্রম ও নিষ্ঠা’ গুণাবলী অর্জনের ব্যবস্থা নিতে হবে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাতে। পঠন-পাঠন ও গবেষণাতে আশানুরূপ সাফল্য পেতে নৈতিকতা, সৃজনশীলতা, যুক্তি, নিষ্ঠা, পরিশ্রম, নিবেদন-স্পৃহা গুণাবলী অতীব প্রয়োজনীয়।

এগুলি হঠাৎ করে অর্জন করা যায় না। পিতামাতার আচরণ, প্রাথমিক শিক্ষা এবং অনুশীলন থেকে এসব গুণাবলী গড়ে তুলতে হয়। প্রাথমিক শিক্ষা শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা গড়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নৈতিকতা, যুক্তি, নিষ্ঠা ও পরিশ্রম-ক্ষমতা সৃষ্টির উপযুক্ত পর্ব হল মাধ্যমিক শিক্ষা।

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক প্রশিক্ষণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান শিক্ষক। প্রাথমিক শিক্ষাতে শিক্ষক “জ্ঞানবৃক্ষ”-এর চারা রোপণ করেন শিক্ষার্থীর মধ্যে। শিক্ষকের অকৃত্রিম দরদ ও ভালবাসা জ্ঞানবৃক্ষের উৎকৃষ্ট সার। স্নেহ-ভালবাসা ও লালন শিক্ষার্থীর প্রকৃত জ্ঞান আহরণের লিপ্সা জাগায় এবং সারা জীবনের পথ নির্দেশক। এই সার যথার্থ পঠন-পাঠনকে কার্যকর করে। প্রাথমিক ধাপে শিক্ষার্থীর জ্ঞানবৃক্ষ দুর্বল হলে মহাবিদ্যালয়/বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশিক্ষণে শিক্ষার্থীকে উন্নতমানের সার সরবরাহ করা হয়।

নির্জীব জ্ঞান বৃক্ষ এই ভাল সার গ্রহণ করতে ব্যর্থ হয়। প্রকৃতপক্ষে উন্নতমানের সার গ্রহণ করতে পারে সতেজ জ্ঞান বৃক্ষ। উন্নত বিশ্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশিক্ষণে ক্লাসে প্রশিক্ষিত বিষয় শেখার দায়িত্ব শিক্ষার্থীর নিজস্ব হলেও ক্লাসের বাহিরে পারলার আলোচনার জন্য শিক্ষককে সারাদিন পাওয়া যায়। এই পারলার আলোচনা আমাদের দেশে অতীতে প্রচলিত গুরুগৃহের পঠন-পাঠনের সঙ্গে তুলনা করা যায়।

শিক্ষক নিয়োগে দুর্বল ব্যবস্থার কারণে শিক্ষার সর্বস্তরে নিষ্ঠাবান ও উপযুক্ত মানের শিক্ষকের প্রচণ্ড অভাবে, আমাদের শিক্ষার্থীদের মধ্যে জ্ঞানসৃষ্টির কিংবা আবিষ্কার বা অজানাকে জানার আনন্দ জাগ্রত হচ্ছে না। তাছাড়া আমাদের বেশির ভাগ শিক্ষকের ধারণা, অর্থ সম্মানের এবং আরাম-আয়েশ আনন্দ পাবার মাপকাঠি। এর ফলে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্ক এখন ব্যবসাভিত্তিক। শিক্ষার্থীর উপযুক্ত মানের সাধ্য ছাড়াই তার সাধ পূরণ করাই শিক্ষকের দায়িত্বতে পর্যবসিত হয়েছে। এ অবস্থাতে বর্তমানে প্রচলিত পরীক্ষা-পদ্ধতির মাধ্যমে জাতীয় শিক্ষানীতিতে উল্লিখিত শিক্ষার্থীর ‘সৃজনশীলতা’ আনয়ন করার প্রচেষ্টা অরণ্যে রোদন মাত্র।

লোভ যুক্তি-বিচার-বুদ্ধি ও সৃজনশীলতাসহ মানব গুণাবলীকে আচ্ছন্ন রাখে। লোভবিহীন মানুষই মুক্তবুদ্ধির অধিকারী হন যার শক্তি অসীম। আমাদের শিক্ষকদের বিভিন্ন জনের বিশিষ্ট কোয়ালিটি আছে। আমাদের পারস্পরিক বিভেদ ভুলে ‘যার যা আছে তাই নিয়ে’ যদি একত্রিত হতে পারি, তাহলে আমরা আমাদের সবরকম দুর্বলতাকে জয় করে এগোতে পারব। আমরা দলমত নির্বিশেষে লোভকে জয় করে যদি সংযত জীবন-যাপন করতে পারি তবে সন্তানরা নিজেরাই সঠিক পথ নির্ধারণ করতে সক্ষম হবে। এখন দরকার আমাদের সচেতনতা, বিচার-বুদ্ধি প্রয়োগে লোভ-লালসাবিহীন মুক্তবুদ্ধির অধিকারী হওয়া।

বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের মত শিক্ষার্থীদেরকে প্রশিক্ষণ দিতে সবকিছু নিজ হাতে প্রদর্শন করে দেখাতে হবে। হাড়ের উপাদান বুঝাতে আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় হাড়কে ‘বুনসেন বার্নার’-এ পুড়িয়ে ছাইটা নিজের মুখে দিয়ে বলতেন, ‘ক্যলসিয়াম ফসফেট’। আমাদের দেশে বর্তমানে ব্যবহারিক বিজ্ঞান/পারলার আলোচনা অত্যন্ত অবহেলিত! আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় শিক্ষার্থীদেরকে উপদেশ দিতেন ‘শ্রমবিমুখতা আমাদের সর্বনাশের মূল’। তাঁর আক্ষেপ, ‘শিক্ষার্থী তোতাপাখির মত মুখস্থ করে - কি সর্বনাশের কথা !’ তাঁর উপদেশ, ‘শারীরিক পরিশ্রমকে ঘৃণা করিও না। ... খাদ্য (পছন্দের) ... রুচিকর চেয়ে সস্তা পুষ্টিকর খাদ্য খাও। প্রতিযোগিতাতে অধ্যবসায় প্রয়োগে সাফল্য অর্জন কর। কিন্তু সন্তান এবং ছাত্রের নিকট পরাজিত হয়ে গর্বিত হও।’

স্বল্প মেয়াদী পদক্ষেপ হিসেবে আমাদেরকে এক মত হতে হবে, সর্বস্তরে শিক্ষক নির্বাচন পরীক্ষার মাধ্যমে বাধ্যতামূলক করা। এতে অতি অল্প সময়ে ভাল শিক্ষক নির্বাচন করা সম্ভব। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রমোশন পদ্ধতিও অত্যন্ত দুর্বল। একে যুক্তরাষ্ট্রের মত একটু অর্থবহ করা প্রয়োজন। দীর্ঘ মেয়াদী পদক্ষেপ হিসেবে ষাটের দশকের মত নিম্নস্তর থেকে আরম্ভ করে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা বিরামহীন করতে হবে। নিম্নস্তর থেকে শুরু করলে বিরামহীন পরীক্ষাতে শিক্ষার্থীরা অভ্যস্থ হয়ে যাবে এবং তারা কোন অসুবিধা বোধ করবে না।

বিরামহীন পরীক্ষাতে বিষয়গত কনসেপ্ট ছাড়া শুধু মুখস্থ করে ভাল রেজাল্ট করা অসম্ভব হবে। শিক্ষার্থীরা নিজেরাই বিষয়গত কনসেপ্ট পেতে আগ্রহী হবে এবং এ ব্যাপারে তারা নিজেরাই পদক্ষেপ নিতে পারবে সৃজনশীল হতে। অভিভাবক ও শিক্ষকবৃন্দকে এ ব্যাপারে সাহস ও উৎসাহ দিতে হবে শিক্ষার্থীদেরকে। তাদেরকে জানাতে হবে, এ রকম পরীক্ষাতে তারা কোয়ালিটি শিক্ষায় দীক্ষিত হয়ে মুক্তবুদ্ধি চর্চার মাধ্যমে সাহসী, পরিশ্রমী ও সৃজনশীল হবে এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সাফল্য অর্জন সুগম হবে। তখনই শুরু হবে আমাদের ‘সোনার বাংলা’ অর্জনের প্রকৃত জয়যাত্রা!!

লেখকঃ
ড. অরুণ কুমার বসাক
প্রফেসর ইমেরিটাস, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

ঢাকা, ২৩ ডিসেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমজেড

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।