হার্ভার্ডে চান্স হতে পারে, বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে পাবেন না!


Published: 2019-02-25 01:40:40 BdST, Updated: 2019-03-26 18:57:05 BdST

মো. রেজাউল করিম : বাংলাদেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগে written exam এর নামে নতুন এক পদ্ধতি (তামাশা) চালু করেছে, যা কিনা বিশ্বে অদ্বিতীয়।
To me it seems like cruel mockery.

একটু ব্যাখ্যায় যাই...

আমার পরিচিত এক জুনিয়র জাপান থেকে পিএইচডি শেষ করে এবং পিএইচডিতে থাকাকালে খুব ভাল high impact factor জার্নালে ভালো publications করে, যার ফলস্বরূপ সে জাপানের সবচেয়ে prestigious স্কলারশিপ JSPS পায়, যার মেয়াদকাল দুই বছর।

অতঃপর, জাপানের আরেকটি বড় স্কলারশিপ TBRF (Tokyo biochemical research foundation) এর জন্যও সে মনোনীত হয়। অতঃপর সে বিশ্বখ্যাত university আমেরিকার Harvard University তে ও পোস্টডকেরর জন্য চান্স পায়।

কিছুদিন আগে সে বাংলাদেশের তথাকথিত একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টে Assistant professor হিসেবে apply করে এবং যথারীতি তাকে written exam এর জন্য ডাকা হয়।

২৫ নম্বরের written exam এর question ছিল নিম্নরূপ-

১। বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলন, গন অভ্যুত্থান ও স্বাধীনতা আন্দোলনের উপর আলোচনা কর। ( ৮)
২। বাংলাদেশে জেনেটিক ইন্জিনিয়ারিং এর সুযোগের উপর আলোচনা কর। ( ৯ )
৩। Write an essay on the Victory Day of Bangladesh. ( ৮ )

সময় : ৩০ মিনিট
পূর্নমান : ২৫

এবং এই question এ তাকে ফেল করানো হয়।
My goodness.. I’m speechless. What a question to recruit someone in Biotechnology discipline, wow...!!! আশা করি আমার দ্বিতীয় বাক্যের cruel mockery শব্দটির যথার্ততা আর ব্যাখ্যা করার দরকার নেই।

আপনার শিক্ষা দিয়ে আপনি আমেরিকার হার্ভার্ডে চান্স পেতে পারেন, কিন্তু আমার সোনার বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ...not in this life. Where the hell are we heading in our universities?


লেখক, মো. রেজাউল করিম
এসোসিয়েট প্রফেসর, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাকা, ২৫ ফেব্রুয়ারি (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//সিএস

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।