মাদরাসার সুপার পদে চাকরি: ঘুষের চুক্তিপত্র ফাঁস!


Published: 2017-06-23 17:11:19 BdST, Updated: 2017-11-24 06:15:26 BdST


শেরপুর লাইভ: শেরপুরের নালিতাবাড়ি উপজেলায় একটি মাদরাসায় ঘুষের বিনিময়ে সুপার পদে চাকরি দেওয়ার চুক্তিপত্র ফাঁস হয়ে যাওয়া এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ঘুষের ওই ৬ লাখ টাকার মধ্য দুই লাখ টাকার লিখিত চুক্তিপত্রের ফটোকপিসহ জেলা প্রশাসকের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে এ ব্যপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য।


লিখিত অভিযোগে জানা যায়, জেলা নালিতাবাড়ি উপজেলার কলসপাড় ইউনিয়নের কলসপাড় নঈমী দাখিল মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটি’র শিক্ষক প্রতিনিধি ওই মাদরাসার শিক্ষক নফিজ উদ্দিন একই মাদরাসার সহকারী সুপার মো. মোতালেব হোসেন সুপার পদে পদন্নতি পাওয়ার জন্য একই মাদরাসার সহকারী শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটি’র শিক্ষক প্রতিনিধি নফিজ উদ্দিনকে ৬ লাখ টাকা ঘুষ দেয়ার শর্তে চুক্তিবদ্ধ হয়।

ইতিমধ্যে ৪ লাখ টাকা প্রদান দেওয়া হলেও সর্বশেষ ২ লাখ টাকার প্রদানের জন্য গত ২০ জুন রাতে ওই মাদরাসার অপর ম্যানেজিং কমিটি’র সদস্য মো. শাহজাহান মিয়ার বাসায় বসে লিখিত চুক্তিপত্র হয়। চুক্তিপত্রে বলা হয়, মাদরাসা সুপার হওয়ার জন্য জনাব নাফিজ উদ্দিনের কাছে ২ লক্ষ টাকা জমা রাখলাম, যদি সুপার পদে নিয়োগ না পাই তবে নিয়োগ বোর্ডের সভার পরের দিন ওই টাকা ফেরত নিবো।


ঘটনাক্রমে ওই লিখিত চুক্তিপত্রে’র একটি কপি মাদরাসার অপর এক শিক্ষকের হাতে আসলে বিষয়টি এলাকার শিক্ষানুরাগিই গ্রামবাসীকে অবগত করে। পরে ওই ঘুষ খোরদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এবং মাদরাসার নানা অনিয়মের ব্যপারে প্রায় ২ শতাধিক গ্রামবাসী জেলা প্রশাসক ড. মল্লিক আনোয়ার হোসেন এর কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন ।


এ ব্যাপারে ঘুষদাতা শিক্ষক মোতলেব হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ওই লিখিত চুক্তিপত্রে যা লেখা আছে তা দিয়েই রিপোর্ট লেখেন। এর বাইরে কিছু বলতে চাই না। সব তো সেখানে লেখা আছে।


অপরদিকে অভিযুক্ত ম্যানেজিং কমিটি’র শিক্ষক প্রতিনিধি নাফিজ উদ্দিন এ ব্যাপারে বলেন, ওই টাকা ঘুষের টাকা নয়, ম্যানেজিং কমিটি’র সিদ্ধান্ত মোতাবেক মাদরাসার উন্নয়নের বাবদ ওই টাকা নেয়া হয়েছে।

 

ঢাকা, ২৩ জুন (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমএইচ

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।