মেসে থাকার সমস্যা-সংকট নিয়ে যা বললেন জবি ছাত্রীরা


Published: 2020-07-26 13:27:35 BdST, Updated: 2020-11-29 22:35:00 BdST

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের অন্যতম একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। ২০০৫ সালে যাত্রা শুরু করলেও এখনো জগন্নাথে থাকার মত কোন আবাসিক হল হয়ে উঠেনি। তাই শিক্ষার্থীদের থাকতে হয় মেসে। মেয়েদের জন্য একটি হলের কাজ চলছে অনেক দিন থেকেই।

হলটির নামকরণ করা হয়েছে বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল। ১৬ তলা বিশিষ্ট এই হলে এক হাজার ছাত্রী আবাসনের ব্যবস্থা রয়েছে। বেগম ফজিলাতুন্নেছা হলের নির্মাণ কাজ ২০১৩ সালে শুরু হওয়ার পর বেশ কয়েকবার সময় বাড়িয়ে এখনো কাজ চলছে।মেসে থাকায় নানাবিধ সমস্যার সন্মুখীন হতে হয় শিক্ষার্থীদের। সেইসব সমস্যার কথা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে শুনেছেন আমাদের প্রতিনধি মুজাহিদ বিল্লাহ। ৩ পর্বের ধারাবাহিকে আজ থাকছে প্রথম পর্ব।

নিশাত তাসনিম তানিম, বাংলা বিভাগ, তিনি ক্যাম্পাসলাইভকে বললেন: অনাবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সমূহের সীমাবদ্ধতার শীর্ষে অবস্থান করে আবাসন সমস্যা।সংকটাপন্ন পরিস্থিতির শিকার হয়েই শিক্ষার্থীদের অবস্থান নিতে হয় মেসগুলোতে। দেশের একমাত্র অনাবাসিক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় "জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়" এর বাংলা সাহিত্যের একজন শিক্ষার্থী হিসেবে তুলে ধরছি নিজের মেস সংক্রান্ত কিছু সমস্যার কথা।

নিশাত তাসনিম তানিম

 

অনাবাসিক প্রতিষ্ঠান এর শিক্ষার্থীরা সবসময়ই চায় তাদের প্রতিষ্ঠান এর আশেপাশে অবস্থান করতে যেনো মেস এর খরচ চালিয়ে যাতায়াত খরচ না দিতে হয়। ঠিক সেই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে আশেপাশের বাড়িওয়ালা বাড়িয়ে দেয় মেসভাড়া। যা বহন করতে হিমশিম খেয়ে যাই আমরা। একইসাথে ক্লাস এবং টিউশনি দুটোই চালিয়ে যেতে হয় আমাদের। ফলে কখনো পিছিয়ে পড়ছি ক্লাসে কিংবা কখনো বকেয়া পরছে মেসভাড়া।

এছাড়াও মেসের খাদ্য ও পরিবেশগত কারণে অসংখ্য শিক্ষার্থী প্রতিবছর আক্রান্ত হচ্ছে নানা জটিল ও কঠিন রোগে (যেমনঃ ডেঙ্গু, টাইফয়েড, ম্যালেরিয়া ইত্যাদি) তারপর তো রয়েছেই মেস ব্যাবসা সংক্রান্ত সমস্যা যেখানে সিনিয়ররা একরকম তাদের ক্ষমতা দেখিয়ে র‍্যাগিং থেকে শুরু করে জুনিয়রদের থেকে বেশি ভাড়া আদায় করছে এবং নিজেরা সুবিধা ভোগ করছে। সবমিলিয়ে বিপাকে পরছে তুলনামূলক আমার ন্যায় নবীন শিক্ষার্থীরা। যা মেসে থাকার অনেক বড় একটি সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নুসরাত জাহান ইভা, মনোবিজ্ঞান বিভাগ, তিনি ক্যাম্পাসলাইভকে জানালেন: প্রানের বিশ্ববিদ্যালয় জগন্নাথ। এখানে অনেক পাওয়াকে ঘিরে রয়েছে কিছু না পাওয়া। এমনই এক না পাওয়ার নাম আমাদের আবাসন সমস্যা। যেটা আমাদের মুখ্য সমস্যা। থাকতে হচ্ছে মেসে, শুনতে হচ্ছে বাড়িওয়ালার দুয়োধ্বনি, গুনতে হচ্ছে মোটা অংকের টাকা। এই করোনা পরিস্থিতে আরো ভোগান্তিতে আমার প্রানপ্রিয় বিদ্যাপিঠের ভাই-বোনেরা।

এখনো মনে পড়ে ২০১৫ এর ডিসেম্বর মাসে ওয়েটিং লিস্ট থেকে যখন মেরিটে নাম আসে অনেকটা স্বস্তি কাজ করলেও অনাবাসিক শুনে ২পা পিছিয়ে যাই। কিন্তু পরবর্তীতে ইন্টারনেট ঘাটাঘাটি করে জানতে পারি জগন্নাথের মেয়ে শিক্ষার্থীদের ও মাথা গুজার ঠাই এর ব্যাবস্থা করা হচ্ছে। কিন্তু এখন পড়াশোনা শেষ এর পথে হলেও আবাসিক সমস্যা কাটে নি। হয়তো বিশ্ববিদ্যালয়ে আর হলের স্বাদ পাওয়া হবে না। সত্যিই আক্ষেপ থেকে গেলো।

নুসরাত জাহান ইভা

 

অনেকে বলে থাকেন জগন্নাথে কেন আসলা? অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাও নাই? বলে রাখা ভালো, রাজধানী ঢাকায় থাকার সুবিধা পাওয়ার আশায় ৯০% শিক্ষার্থী জগন্নাথ কে বেছে নেন। কিন্তু জগন্নাথে আবাসিক সুবিধা না থাকায় বেশির ভাগ শিক্ষার্থীকে নির্ভরশীল হতে হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকার মেসগুলোর ওপর।

এছাড়া অনাবাসিক হওয়ার কারণে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন অধিকার থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন। কারণ, আবাসিক হলে লাইব্রেরি, সেমিনারসহ নানা শিক্ষা উপকরণ হাতের নাগালেই পান শিক্ষার্থীরা।

মেসে বড় আপুদের নোংরা রাজনীতি চলে। যে ভুল টা আমি করিনি তার দায়ভার ও আমাকেই (ছোটদের) নিতে হয়। মেসে উঠার পর পরিবার থেকে আলাদা থাকার কষ্টটা ভোলার আগেই এসব টুকিটাকি সমস্যা ফেইস করতে হয়।

মেসে থাকার জন্য আমাদের শিক্ষার্থীরা অনেক স্ট্রাগল করে,সেটা যেকোন পাবলিক থেকে বেশি। আমি স্ট্রাগল করাকে নেগেটিভ ভাবে দেখছি না এসব স্ট্রাগল যেমন আমাদের সারভাইভালে সাহায্য করে তেমনি আমাদের থেকে কেড়ে নিয়েছে আমাদের কয়েকজন জবিয়ানকে।

মেস লাইফটা খারাপ না কিন্তু তারপরও যখন শুনি সহপাঠিদের বাড়িওয়ালা মাসের ৫ তারিখ শেষ না হতেই ভাড়ার জন্য কুকুরের মত ব্যাবহার করে তখন ইচ্ছে করে মুখের উপর বলে দেই, "ভাইসা আসি নাই আমরা। আমাদের একটা ঘর আছে। ছোট হলেও সে ঘরে ভালোবাসা আছে। জীবন আজ আমাদের এইখানে এনেছে। ঠেকা পরছে বলে।"

সংশ্লীষ্ট সকলের কাছে আকুল আবেদন, এই মহামারী বিশ্ব ছেড়ে যাওয়ার পরেই, সকলের আন্তরিকতায় আমাদের ছাত্রীহলের কাজ শেষ করবেন এবং নতুন ক্যাম্পাসের কাজ জোর গতিতে শুরু করে দিবেন।

দিশা, সমাজকর্ম বিভাগ, তিনি ক্যাম্পাসলাইভকে জানালেন: দেশের শীর্ষস্থানীয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় নামের আগে যেন "অনাবাসিক" কথাটি একটা ট্যাগ লেগে গিয়েছে। হল না থাকায় শিক্ষার্থীদের পরতে হচ্ছে নানা বিপাকে।পায়ের নিচে মাটি যেন কিছুটা নড়বড়ে। মাথার উপর এক টুকরো ছাঁদের জন্য গোলকধাঁধার মতো ঘুরতে হচ্ছে এক গলির পর আরেক গলি।তাও যখন ঠাঁই মেলে বিশেষত মেয়েদের ক্ষেত্রে প্রাইভেসির বিষয়টা মাথায় থেকেই যায়।

দিশা

 

মেসের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ আর খাবারের জন্য নানান রকম রোগ বালাই এর শিকার হতে হয় একজন শিক্ষার্থীকে।সারাদিন ক্লান্তির শেষে নিজের পেট চালানো ও মেস ভাড়ার যোগান দিতে করতে হয় টিউশন।এরপরেও মেস মালিক ও বাড়িওয়ালাদের কাছ থেকে নানা রকম মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়। আর এই মেস সংক্রান্ত নানারকম সমস্যা প্রায় প্রতিটি শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার উপর খারাপ ভাবেই প্রভাব পড়েছে ।

তিথি সরকার, প্রানীবিদ্যা বিভাগ, তিনি ক্যাম্পাসলাইভকে বললেন: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সম্পূর্ণ অনাবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়। ছাত্র-ছাত্রীদের সব থেকে বড় সমস্যা হলো আবাসন। যার ফলে ভর্তি হওয়ার পরেও পড়াশুনা চালাতে না পেরে অনেক ছাত্র-ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়তে বাধ্য হয়েছে।

হল না থাকার ফলে অনেকে মেস বা দূর থেকে এসে ক্লাস করে। যেসব মেয়েরা দূর থেকে আসে তাদের বাসের মধ্যে হয়রানির স্বীকার হতে হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস পর্যাপ্ত না থাকার কারনে অনেক ছাত্রী দাড়িয়ে যাতায়াত করে, ফলে তাদের বিভ্রান্তিতে পরতে হয়।,তারা পড়াশুনার জন্য পর্যাপ্ত সময় পায় না।

তিথি সরকার

 

আর যারা মেসে থাকে তাদের স্বাথ্য ঝুঁকি (মেসে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার অভাব), মেসভাড়া (ভাড়া বেশি থাকার কারনে অনেকের পরিবার তা বহন করতে পারে না তাই অনেকে টিউশন করায়, অনেকে পড়াশুনা ছেড়ে দিতে পর্যন্ত বাধ্য হয়), মেসে সিনিয়রদের ক্ষমতায়ন (কিছু সিনিয়ররা মেস ব্যবসা করে)।

পড়াশুনার পর্যাপ্ত পরিবেশ না থাকার ফলে অনেক মেধাবীরা ঝরে পরে। মেয়েদের এভাবে বসবাস করে পড়াশুনা করাটা খবই সমস্যার। হল বা আবাসনের জন্য মেয়েদের নিরাপত্তার অভাব দেখা দেয়। এমতাবস্থায় আমাদের সব দিক থেকে বিবেচনা করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ছাত্রী হল চালু করা হোক। তাহলে অনেক ছাত্রীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে, পড়াশুনার জন্য সুন্দর পরিবেশ পাবে। সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে।

জুলেখা জলি, লোকপ্রশাসন বিভাগ, তিনি ক্যাম্পাসলাইভকে জানালেন: দেশের অন্যতম সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতিবছর হাজার হাজার শিক্ষার্থী দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এখানে জ্ঞান অর্জনের জন্য আসলেও আমাদেরকে নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় আবাসিক সুবিধা না থাকায়। প্রতিষ্ঠার ১৪তম বছর পেরিয়ে গেলেও মেলেনি শিক্ষার্থীদের আবাসিক সমস্যার সমাধান।ফলে প্রতিনিয়ত নানান প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে আমাদের জ্ঞান অর্জন করতে হচ্ছে।

হল সুবিধা না থাকায় আমাদের অধিকাংশ ছাত্রছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশে থাকতে চায় যাতে করে আমাদের সময়ের অপচয় এবং যাতায়াত ভাড়া বাবদ অতিরিক্ত খরচ বহন না করতে হয়। এরই সু্যোগ নিয়ে স্থানীয় বাড়িওয়ালারা বাসা ভাড়ার নামে আমাদের থেকে অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করে এবং বাধ্য হয়ে আমাদের তা বহন করতে হয়।

জুলেখা জলি

 

এখানেই শেষ নয়, আমাদেরই কিছু কিছু সিনিয়র ভাইয়া আপুরা যারা তাদের সুবিধার জন্য বাসা ভাড়া নিয়ে আমাদের থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে।এছাড়াও রয়েছে মেসের খাদ্য,পানি এবং পরিবেশগত সমস্যা,যার কারণে আমাদের অনেকেই বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।যেহেতু আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থী গ্রামের মধ্যবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের, আমাদের সবার পরিবারের পক্ষে এত টাকা দিয়ে লেখাপড়ার খরচ চালানো অসম্ভব।

টিউশন করিয়ে আমাদের অধিকাংশের খরচ চালাতে হয়। এই করোনা দূর্যোগের সময়ে টিউশন না থাকায় গ্রামে অবস্থান করেও আমাদেরকে দেশের একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হয়েও বাসা ভাড়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে হ্যারাজমেন্টের স্বীকার হতে হচ্ছে। এই অনাবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে আমি চাই খুব দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করে আমাদেরকে একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সকল সুবিধা সমূহ দেওয়া হোক।

আনিকা তাহসিন অর্ণা, ম্যানেজম্যান্ট বিভাগ, তিনি ক্যাম্পাসলাইভকে জানালেন: মেসে পানির অবস্থা সম্পূর্ণ নিম্নমানের। পানি খাওয়ার অযোগ্য। রান্নার অসুবিধা, গ্যাস থাকে না। বাড়ি ওয়ালা পানি ছাড়ে না। ভাড়া ৩ তারিখের মধ্যে দিতে হয়। আনার সমস্যা না হলেও যারা নিম্ম আয়ের তাদের জন্য জুলুম হয়ে যায়।আর আমরা যারা অন্যের অধীনে।

আনিকা তাহসিন অর্ণা

 

খাদিজাতুল কুবরা, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, তিনি ক্যাম্পাসলাইভকে খোলামেলা জানালেন: আমাদের দেশের একমাত্র অনাবাসিক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এর রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের একজন শিক্ষার্থী হিসেবে তুলে ধরছি নিজের এবং সকলের মেস সংক্রান্ত সকল সমস্যা। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান সমস্যা হলো হল না থাকা। যে কারণে সকল শিক্ষার্থীই চায় আশেপাশে থাকতে, যার কারণে বাড়ির মালিকরা অন্যান্য এলাকার তুলনায় ভাড়া অনেক বেশি রাখছেন।

খাদিজাতুল কুবরা

 

আবার এমন অনেক শিক্ষার্থী আছে যারা মিরপুর / সাভার থেকে যায়। এক্ষেত্রে, ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের সমস্যা হয় আরও বেশি। দিনের প্রায় অর্ধেক সময় তারা রাস্তায় থাকে। যার কারণে তাদের সময় যেমন নষ্ট হচ্ছে তেমনি হচ্ছে তাদের পড়াশোনার ক্ষতি।আর এসকল সমস্যার সবচেয়ে বেশি সম্মুখীন হয় নবীন শিক্ষার্থীদের। একমাত্র হল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই এসকল সমস্যার সমাধান হতে পারে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে এই হল সমস্যার কারণে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি চরম পর্যায়ে। তারা বাড়ি ভাড়া দিতে পারছে না আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে। ফলাফলে বাড়ি মালিকরা তাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ফেলে দিচ্ছে ভাগাড়ে। প্রশাসন যদি আগেই হল তৈরি করতো তাহলে আর এই সমস্যা হতো না।

এদিকে ক্যাম্পাস খুললে হল কবে চালু হবে এই ব্যাপারে জানতে চাইলে জবি ভিসি বলেন, "হলের ব্যাপারটা তুমি আসো আসলে আমি কথা বলব অথবা তুমি নিজে গিয়ে হল দেখে এসো, কালকে যাও কালকে গিয়ে দেখে রিপোর্ট কর। এইভাবে টেলিফোন করে একটা রিপোর্ট করার কোন দরকার নেই। ওখানে গিয়ে দেখ হলের কি অবস্থা তারপর এসে তারপর আমাকে জিজ্ঞেস করো ওকে। এমনি দূরে থেকে খবর নিওনা।

ঢাকা, ২৬ জুলাই (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমজেড

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।