ডাকসু নির্বাচনে কে কত ভোট পেলেন


Published: 2019-03-13 13:58:36 BdST, Updated: 2019-03-26 18:57:58 BdST

ঢাবি লাইভ : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় সংসদ নির্বাচনে (ডাকসু) কোটা আন্দোলনকারীদের নেতা নুরুল হক নুর এক হাজার ৯৩৩ ভোটে ছাত্রলীগের ভিপি প্রার্থী রেজওয়ানুল হক শোভনকে পরাজিত করেছেন। নুর ১১ হাজার ৬২ এবং শোভন ৯ হাজার ১২৯ ভোট পেয়েছেন। ছাত্রলীগের গোলাম রাব্বানী জিএস পদে ১০ হাজার ৪৮৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. রাশেদ খান (কোটা আন্দোলনের নেতা) পেয়েছেন ছয় হাজার ৬৩ ভোট। আর এজিএস পদে সাদ্দাম হোসেন সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ৩০১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ফারুক হোসেন (কোটা) পেয়েছেন আট হাজার ৮৯৬ ভোট।

ডাকসুতে বিজয়ী অন্যরা হলেন—স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ সম্পাদক পদে ছাত্রলীগের সাদ বিন কাদের চৌধুরী, ১২ হাজার ১৮৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নাজমুল হুদা পেয়েছেন তিন হাজার ৯৯১ ভোট। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে ছাত্রলীগের আরিফ ইবনে আলী ৯ হাজার ১৫৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মশিউর রহমান পেয়েছেন ছয় হাজার ৩২৩ ভোট। কমনরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক পদে ছাত্রলীগের আট হাজার ৫২৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন লিপি আক্তার। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল মনোনীত কানেতা ইয়া লাম লাম পেয়েছেন সাত হাজার ১১৯ ভোট। আন্তর্জাতিক সম্পাদক পদে ছাত্রলীগের শাহরিমা তানজীম অর্নি ১০ হাজার ৬০৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হাবিবুল্লাহ বেলালী পেয়েছেন চার হাজার ৩৬৭ ভোট। সাহিত্য সম্পাদক পদে ছাত্রলীগের মাজহারুল কবির শয়ন ১০ হাজার ৭০০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মুহাম্মদ আকরাম হুসাইনের প্রাপ্ত ভোট পাঁচ হাজার ১৮। সংস্কৃতি সম্পাদক পদে ১০ হাজার ৭৯৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন ছাত্রলীগের আসিফ তালুকদার। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. নাহিদ ইসলাম পেয়েছেন তিন হাজার ৫৮৪ ভোট। ক্রীড়া সম্পাদক পদে ৯ হাজার ৪৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন ছাত্রলীগের শাকিল আহমেদ তানভীর। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খালেদ মাহমুদ আকাশ পেয়েছেন তিন হাজার ৮৩৪ ভোট। ছাত্র পরিবহন সম্পাদক পদে ছাত্রলীগের শামস-ই-নোমান ১২ হাজার ১৬৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রাজিবুল ইসলাম পেয়েছেন তিন হাজার ৩১২ ভোট। সমাজসেবা সম্পাদক পদে ৯ হাজার ১৯০ ভোট পেয়ে আখতার হোসেন নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আজিজুল হক পেয়েছেন আট হাজার ১৮ ভোট।

সদস্য পদে নির্বাচিতরা হলেন—যোশীয় চিবল সাংমা, রাকিবুল ইসলাম ঐতিহ্য, তানভীর হাসান সৈকত, তিলোত্তমা শিকদার, নিপু ইসলাম তন্বী, রাইসা নাসের, সাবরিনা ইতি, রাকিবুল হাসান রাকিব, নজরুল ইসলাম, ফরিদা পারভীন, মুহা, মাহমুদুল হাসান, সাইফুল ইসলাম রাসেল ও মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম সবুজ। তারা সবাই ছাত্রলীগের।

এই নির্বাচনে স্বতন্ত্র জোট প্যানেলের ভিপি প্রার্থী অরণি সেমন্তি খান পেয়েছেন দুই হাজার ৬৭৬ ভোট, এই জোটের জিএস প্রার্থী শাফি আবদুল্লাহ এক হাজার ৫১২ ভোট এবং এজিএস প্রার্থী অমিত প্রমাণিক এক হাজার ৪৫২ ভোট পান। একটি গণমাধ্যমের চাকরি ছেড়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আসা স্বতন্ত্র জিএস প্রার্থী এ আর এম আসিফুর রহমান পেয়েছেন চার হাজার ৬২৮ ভোট। বাম ছাত্রসংগঠনগুলোর জোট প্রগতিশীল ছাত্র ঐক্যের ভিপি প্রার্থী ও ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী লিটন নন্দী এক হাজার ২১৬ ভোট, জিএস প্রার্থী ফয়সাল মাহমুদ সুমন ২৪৭ ভোট এবং এজিএস প্রার্থী সাদেকুল ইসলাম সাদিক ২৮৪ ভোট পেয়েছেন। ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের ভিপি প্রার্থী এস এম আতায়ে রাব্বী ১১২, জিএস প্রার্থী মাহমুদুল হাসান ১৫৭ ও এজিএস প্রার্থী শরিয়াত উল্লাহ ১২৫ ভোট পেয়েছেন। একটি অনলাইন গণমাধ্যমে চাকরিরত ভিপিপ্রার্থী আলিম হায়দার পেয়েছেন ২৫ ভোট।

এবার ডাকসুতে ২৫ পদের বিপরীতে ২২৯ জন প্রার্থী ছিলেন। এই নির্বাচনে ছাত্রলীগ সমর্থিত সম্মিলিত শিক্ষার্থী সংসদ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। যদিও সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারকে ঘিরে গড়ে ওঠা শিক্ষার্থীদের একটি প্লাটফর্মের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক নুর ভিপি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

ঢাকা, ১৩ মার্চ (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//সিএস

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।